প্রশংসায় ভাসছেন জায়েদ খান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের আগে থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান। দীর্ঘদিন ধরে আমেরিকায় সময় কাটানো এই অভিনেতা সেখানেই বিভিন্ন স্টেজ শো ও বিভিন্ন শুটিং নিয়ে ব্যস্ত আছেন।
এদিকে, কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয় অভিনেতা জায়েদ খানের একটি ছবি, যেখানে তাকে নিউইয়র্কের রাস্তায় শ্রমিকের কাজ করতে দেখা যায়। বিষয়টি দেখে অনেকেই বিস্মিত হন। সত্যিই কি তিনি আমেরিকায় গিয়ে দিনমজুরের কাজ করছেন—এমন প্রশ্নও ওঠে নেটিজেনদের মাঝে। আবার কেউ কেউ তার এই লুক নিয়ে ইতিবাচক মন্তব্যও করেন।
পরে জানা যায়, ছবিটি ‘আমেরিকান ড্রিম’ শিরোনামের একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের দৃশ্য। সংগীতশিল্পী জন কবির পরিচালিত এই চলচ্চিত্রে একেবারে খেটে খাওয়া সাধারণ প্রবাসী বাঙালির চরিত্রে দেখা গেছে জায়েদ খানকে।
প্রবাসীদের জীবনে ‘আমেরিকান ড্রিম’ শুধু স্বপ্ন নয়—এর পেছনে থাকে সংগ্রাম, ত্যাগ ও অজানা বাস্তবতা। মাত্র আড়াই মিনিটের এই চলচ্চিত্রে সেই বাস্তবতাই ফুটিয়ে তুলেছেন জায়েদ খান।
এ বিষয়ে ঠিকানা জানায়, ৩৭ বছর ধরে ‘ঠিকানা’ প্রবাসে বাংলাদেশের নাম, ভাষা ও সংস্কৃতিকে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরছে। এবার সেই গল্প বলার আরেকটি নতুন মাধ্যম, ঠিকানার প্রথম অরিজিনাল শর্টফিল্ম ‘আমেরিকান ড্রিম’, অভিনয়ে জায়েদ খান।
শর্টফিল্মটি নিয়ে ঠিকানা থেকে জানানো হয়, প্রবাসীদের জীবনে ‘আমেরিকান ড্রিম’ শুধু স্বপ্ন নয়, তার পেছনে থাকে সংগ্রাম, ত্যাগ এবং অনেক অদেখা বাস্তবতা। ‘ইমিগ্রেন্ট ডায়েরিস’ প্রথম পর্বে আমরা সেই যাত্রার একটি ছোট ঝলক তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।
মাত্র আড়াই মিনিটে জায়েদ খানের অভিনয়, অভিব্যক্তি সাড়া পাচ্ছে সর্বত্র। ইতোমধ্যে বেশ প্রশংসায় ভাসছেন এই নায়ক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বৃষ্টি নামে একজন লিখেছেন, অভিনেতা জায়েদ খানকে দেখলাম, আমরা হিরো জায়েদ খানকে চাই না।
তারিক হায়দার লিখেছেন, অবশেষে আমরা অভিনেতা জায়েদ খানকে পেলাম। অসাধারণ পরিবর্তন। দারুণ অভিনয়।
দর্শকদের এমন ইতিবাচক সাড়ায় অভিভূত হয়ে জায়েদ খানবলেন, সাফল্য কার না ভালো লাগে। এত শেয়ার ও প্রশংসা দেখে সত্যিই আবেগাপ্লুত হয়েছি। আমেরিকা, কানাডা, বাংলাদেশ, লন্ডনসহ সারা বিশ্বের বাঙালিরা আমাকে যেভাবে প্রশংসা করছে, অনুভূতিটা অন্যরকম। এবার ঈদের সিনেমার ট্রেলারের চেয়েও আমার কাজটি বেশি সাড়া পেয়েছে। সত্যি অনেক ভালো লাগছে।