logo
Advertisement

‘আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই সালমান’: শাবনূর

এশিয়া পোস্ট বিনোদন
এশিয়া পোস্ট বিনোদন
‘আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই সালমান’: শাবনূর

প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহর ৩০তম প্রয়াণ দিবসে গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় তাকে স্মরণ করেছেন একসময়ের ঢালিউড কুইন শাবনূর। রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে সালমান শাহর সঙ্গে তোলা একাধিক ছবি প্রকাশ করে আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেন এই অভিনেত্রী।

Advertisement

সালমানকে স্মরণ করে শাবনূর লিখেছেন, ‘আজও বিশ্বাস হয় না, তুমি নেই সালমান…।’

শাবনূরের সেই বার্তায় উঠে এসেছে সহকর্মী ও পর্দার সঙ্গী সালমান শাহকে হারানোর দীর্ঘশ্বাস। তিন দশক পেরিয়ে গেলেও তার স্মৃতিতে সালমান এখনো আগের মতোই উজ্জ্বল। দর্শকের স্বপ্নের নায়ক, পর্দার প্রিয় রাজপুত্র সালমান শাহ আজও মানুষের ভালোবাসা ও স্মৃতির ভেতর বেঁচে আছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সালমান শাহর অকালমৃত্যু দেশের চলচ্চিত্রে যে শূন্যতা তৈরি করেছিল, তা আজও পূরণ হয়নি বলেও মনে করেন শাবনূর। সময়ের সঙ্গে চলচ্চিত্রে এসেছে বহু পরিবর্তন, বদলেছে প্রজন্ম; কিন্তু সালমান শাহর জনপ্রিয়তা ও অভিনয়ের আবেদন এতটুকুও ম্লান হয়নি।

সালমানের ৩০তম প্রয়াণ দিবসে তাকে শ্রদ্ধা জানিয়ে শাবনূর লিখেছেন, ‘তোমার ৩০তম প্রয়াণ দিবসে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা ও অশেষ ভালোবাসা। যেখানেই আছো, ভালো থেকো প্রিয় সালমান শাহ। আল্লাহ তোমাকে জান্নাতবাসী করুন।’

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সালমান শাহ। তার আকস্মিক মৃত্যু সে সময় পুরো দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গন ও অগণিত ভক্তকে গভীর শোকে স্তব্ধ করে দিয়েছিল। তিন দশক পরও সেই শোক ও ভালোবাসার জায়গাটি যেন একই রয়ে গেছে।

মাত্র চার বছরের চলচ্চিত্র ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করেন সালমান শাহ। ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘অন্তরে অন্তরে’, ‘দেনমোহর’, ‘প্রিয়জন’ ও ‘আনন্দ অশ্রু’র মতো জনপ্রিয় সিনেমা দিয়ে অল্প সময়েই ঢাকাই চলচ্চিত্রে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন তিনি।

শুধু অভিনয় নয়, সালমান শাহর পোশাক-পরিচ্ছদ, চুলের স্টাইল, মাথার ব্যান্ডানা, চোখের সানগ্লাস, বাইক আর মায়াবী হাসিও তাকে করে তুলেছিল আলাদা। তার ফ্যাশন ও ব্যক্তিত্ব পরবর্তী প্রজন্মের দর্শকদের মধ্যেও তৈরি করেছে ব্যাপক প্রভাব।

সময়ের সঙ্গে বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষা, বদলেছে দর্শকের রুচি। কিন্তু সালমান শাহ যেন থেকে গেছেন সেই আগের জায়গাতেই—তারুণ্যের প্রতীক, স্বপ্নের নায়ক এবং বাংলা চলচ্চিত্রের এক অমর অধ্যায় হয়ে।