logo
Advertisement

হঠাৎ কেন চর্চায় পাকিস্তানি নাটক ‘দার-ই-নিজাত’?

এশিয়া পোস্ট বিনোদন
এশিয়া পোস্ট বিনোদন
হঠাৎ কেন চর্চায় পাকিস্তানি নাটক ‘দার-ই-নিজাত’?

টানটান উত্তেজনা, চমৎকার চিত্রনাট্য এবং অভিনয়শিল্পীদের সাবলীল পারফরম্যান্সের সুবাদেই বর্তমানে বাংলাদেশ ও ভারতের দর্শকদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে পাকিস্তানি সিরিজ ‘দার-ই-নিজাত’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে দর্শক মহলে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এটি। ঠিক কী কারণে নাটকটি নিয়ে চারদিকে এত চর্চা, তা নিয়ে চলছে নানা বিশ্লেষণ।

‘দার-ই-নিজাত’ নাটকে জামিল চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা নামির খান এবং জারিয়াবের ভূমিকায় দেখা গেছে জনপ্রিয় অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমকে। এআইওয়াই-এর এই আলোচিত নাটকটির ১৩তম পর্ব প্রচারের পর থেকেই দর্শক মহলে মূল দুই চরিত্র জামিল ও জারিয়াবের সম্পর্কের পরিণতি নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।

শুধু ভালোবাসার বিচ্ছেদ নয়, বরং ধর্ম, বিয়ে, এবং সম্পর্কের গুরুদায়িত্ব- সব মিলিয়েই নাটকটি ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। কাহিনিতে দেখা যায়, জারিয়াবের সঙ্গে কিছুদিন এক ছাদের নিচে কাটানোর পর হঠাৎ করেই তাকে একা ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দেন জামিল। হঠাৎ এক মাদ্রাসার মেয়েকে বিয়ে করে আবেগপ্রবণ জারিয়াবের সামনে এর কারণও ব্যাখ্যা করেন।

জামিল বলেন, ‘আমি তোমার সঙ্গে যে সময় কাটিয়েছি, সেটা ছিল আমার অজ্ঞতা। তাই সামনে এগিয়ে যেতে আমার এমন একজন জীবনসঙ্গী প্রয়োজন ছিল, যে আমার ধর্মীয় জীবনে আমাকে সহযোগিতা করবে। যে কিনা ধার্মিক, পবিত্র ও নিষ্পাপ। আমার মনে হয়, আল্লাহ আমার তওবা কবুল করেছেন এবং তার ফল হিসেবেই তাকে আমার জীবনসঙ্গী করেছেন।’

নিজের অবস্থান অনড় রেখে উল্টো জারিয়াবকে অন্য কোথাও বিয়ে করে নেওয়ার উপদেশ দেন জামিল। কিন্তু দর্শকের মনে ঝড় তোলা জারিয়াবের সেই প্রশ্নটিই যেন জোরালো হয়ে ওঠে যে- তাহলে কি শুধু একজন পুরুষেরই তওবা করার অধিকার রয়েছে?