logo

অভিনয়শিল্পীরা ফাইটার, সব পারে: চিত্রলেখা গুহ

অভিনয়শিল্পীরা ফাইটার, সব পারে: চিত্রলেখা গুহ
চিত্রলেখা গুহ। ছবি: ফেসবুক থেকে

মঞ্চ দিয়ে ১৯৮৬ সালে অভিনয়জীবন শুরু করেছিলেন চিত্রলেখা গুহ। এরপর চার দশকের দীর্ঘ পথচলায় মঞ্চের পাশাপাশি নাটক, চলচ্চিত্র ও টেলিভিশনে নিয়মিত কাজ করেছেন এই অভিনেত্রী। বয়স বাড়লেও অভিনয়ের প্রতি তার আগ্রহে ভাটা পড়েনি। বরং সময় ও কাজের মধ্যে সমন্বয় করেই এগিয়ে চলেছেন তিনি।

অভিনয়শিল্পীদের কাজের ধরন ও সময় ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে চিত্রলেখা গুহ বলেন, ‘অভিনয়শিল্পীরা হচ্ছে ফাইটার, সব পারে। কারণ, আমরা সময়টাকে তো বণ্টন করি। অতএব টাইম ম্যানেজমেন্টটা মাথায় থাকে। কোনো কাজই আমাদের জন্য কঠিন নয়, সব কাজই সহজ লাগে।

তিনি বলেন, ‘সংসার যখন করি, তখন কাজের কথা মাথায় আনি না। আবার কাজে যখন থাকি, তখন সংসারের কথা মাথায় আনি না।’

নিজের কাজের পরিধি কমিয়ে দিয়েছেন কি না এমন প্রশ্নের জবাবে চিত্রলেখা গুহ বলেন, ‘কাজের পরিধি কমিয়ে দেইনি। কারণ, এটা আমার পেশা। আমি কাজ না করলে ভাত খাব কোথা থেকে।’

দীর্ঘ অভিনয়জীবন ও বয়সের প্রসঙ্গ টেনে চিত্রলেখা গুহ বলেন, ‘দীর্ঘদিন কাজ করছি, একটা সময়েরও ব্যাপার আছে। নিজেও পরিণত বয়সের দিকে যাচ্ছি। সব কাজ করছি না। কিন্তু কাজ যে করছি না, তা কিন্তু নয়। মাসের মধ্যে অনেক দিনই কাজ করছি।’

বর্তমান সময়ে ওটিটি ও বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে কাজের বিস্তৃতি নিয়েও কথা বলেন এই অভিনেত্রী। তার ভাষায়, ‘পৃথিবীটা হাতের মুঠোয়। এখন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ভালো ভালো কাজ হচ্ছে। বিভিন্ন চ্যানেলে কাজ হচ্ছে। প্রচুর কাজ হচ্ছে। তাহলে দর্শক তো ভাগ হয়ে যাচ্ছে না।’

১৯৮৬ সালে চট্টগ্রামের মুসলিম ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অঙ্গন থিয়েটারের প্রযোজনা ‘অভ্যন্তরীণ খেলাধুলা’ নাটকের মাধ্যমে মঞ্চে প্রথম ওঠেন চিত্রলেখা গুহ। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনায় ছিলেন মিলন চৌধুরী। এরপর তিনি থিয়েটার আরামবাগের ‘সাতঘাটের কানাকড়ি’, ‘কিং লেয়ার’, ‘রূপবান’; নাট্যজনের ‘তেভাগার পালা’, ‘অলীক বাবু’সহ বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য প্রযোজনায় অভিনয় করেছেন।