logo

যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে হেনস্তার অভিযোগ ইমন চক্রবর্তীর

টিভি৯ বাংলা
টিভি৯ বাংলা
যুক্তরাষ্ট্রে গান গাইতে গিয়ে হেনস্তার অভিযোগ ইমন চক্রবর্তীর
ইমন চক্রবর্তী। ছবি: শিল্পীর ফেসবুক থেকে

দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে গান গাইতে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী সংগীতশিল্পী ইমন চক্রবর্তী ও তার দলের সদস্যরা। ডালাস বিমানবন্দরে আমেরিকান এয়ারলাইনসের কর্মীদের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহার ও ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন এই গায়িকা। তার দাবি, বোর্ডিং পাস থাকা সত্ত্বেও তাদের বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় নির্ধারিত ফ্লাইটও মিস করেন তারা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিউ জার্সিতে দুর্গাপূজার একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন ইমন ও তার সহশিল্পীরা। যাত্রাপথে ডালাস বিমানবন্দরে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারে এসে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান ইমন। তার ভাষ্য, নির্ধারিত সময়েই তারা বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু আমেরিকান এয়ারলাইনসের বিমানে ওঠার সময় তাদের বাধা দেওয়া হয়। কেন তাদের উঠতে দেওয়া হচ্ছে না, সে বিষয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাননি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ইমনের অভিযোগ, এ নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে গেলে বিমান সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে ও তার দলের সদস্যদের ধাক্কা দিয়ে বোর্ডিং গেট থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এতে তারা বিব্রত ও অসহায় পরিস্থিতির মুখে পড়েন।

শুধু যাত্রীদের সঙ্গে আচরণ নয়, দলের বাদ্যযন্ত্র নিয়েও বিমান সংস্থার কর্মীদের মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন গায়িকা। তার দাবি, বাদ্যযন্ত্র ভেঙে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে এর দায়ভার নিতে রাজি নয় বিমান সংস্থাটি- এমন কথা তাদের জানানো হয়েছিল।

এ ঘটনার জেরে নির্ধারিত ফ্লাইট ধরতে পারেননি ইমন ও তার সহশিল্পীরা। পরে বিকল্প ফ্লাইটের কথা জানানো হলেও সেটিতে তারা উঠতে পারবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল বলে জানান গায়িকা।

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। তবে সব জটিলতা পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত দলের সদস্যদের নিয়ে ফিলাডেলফিয়ায় পৌঁছেছেন ইমন চক্রবর্তী। পরে নিরাপদে পৌঁছানোর খবর জানিয়ে ভক্তদের আশ্বস্ত করেন তিনি।

এদিকে, বিমান সংস্থাটির পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া গেছে কি না, তা সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলোতে স্পষ্ট নয়। ফলে ডালাস বিমানবন্দরে ঠিক কী কারণে তাদের বিমানে উঠতে বাধা দেওয়া হয়েছিল, সে বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।