‘আইয়ুব বাচ্চু বাংলাদেশ ব্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একজন বস ছিলেন’

বাংলাদেশ ব্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির জন্য আজ একটি শোকের দিন। ২০১৮ সালের এই দিনে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান বাংলা ব্যান্ডসংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চু। তার প্রয়াণের আজ আট বছর পূর্ণ হলো।
আইয়ুব বাচ্চু সবশেষ এলআরবি ব্যান্ডের দলনেতা ছিলেন। তিনি চলে যাওয়ার পর এই ব্যান্ডটির সব কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। তবে দেশের ব্যান্ডসংগীতকে জনপ্রিয় ও সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে আইয়ুব বাচ্চু ও তার ব্যান্ডের ভূমিকা ছিল অপরিসীম।
চট্টগ্রামে জন্ম নেওয়া এই কিংবদন্তির ছোটবেলা থেকেই ব্যান্ডসংগীতের প্রতি গভীর ভালোবাসা ছিল। যার কারণে কিশোর বয়সেই কাছের বন্ধুদের নিয়ে গড়ে তোলেন ব্যান্ড ‘গোল্ডেন বয়েজ’, যা পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘আগলি বয়েজ’। এরপর যুক্ত হন আরেক জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘সোলস’-এর সঙ্গে। এরপর ১৯৯১ সালে গড়ে তোলেন ‘লাভ রান্স ব্লাইন্ড’ বা ‘এলআরবি’। এরপর আর তাকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এই ব্যান্ডের হয়ে তিনি শ্রোতাদের একের পর এক উপহার দিয়েছেন কালজয়ী সব গান।

গানের বাইরে গিটার বাজানোয় ছিল তার এক স্বতন্ত্র জাদুকরি দক্ষতা। তাই এই কিংবদন্তির প্রয়াণ দিবসে সহকর্মীরা তাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন। ‘ওয়ারফেজ’ ব্যান্ডের গিটারিস্ট ইব্রাহিম আহমেদ কমল আইয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আইয়ুব বাচ্চু ভাইকে অনেক মিস করি। উনি বাংলাদেশ ব্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির একজন বস ছিলেন।’

এরপর ‘অ্যাশেজ’ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট জুনায়েদ ইভান আইয়ুব বাচ্চুর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে লেখেন, ‘আইয়ুব বাচ্চু ভাইয়ের প্রয়াণ দিবস আজ। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন। অনেক ভালোবাসা।’ আরও অনেকেই এই দিনে তাকে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করেন।

এ দিনটিতে আইয়ুব বাচ্চু ফ্যান ক্লাবের পক্ষ থেকে চট্টগ্রামে সাধারণ মানুষের মধ্যে খাবার বিতরণ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী ও এলআরবির সাবেক ড্রামার গোলাম উর রহমান রোমেল।