‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে অভ্যুত্থানকারীরা সন্ত্রাসী হিসেবে চিহ্নিত হবেন’

নতুন ধারার রাজনীতি, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও রাষ্ট্র সংস্কারের চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা বললেন সার্বভৌমত্ব আন্দোলনের প্রধান সংগঠক শামীম রেজা। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আবিদ আজম।
এশিয়া পোস্ট: ২০১২ সালের দিকে আপনারা তরুণরা মিলে একটি নতুন ধারার রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ নেন। সেই চিন্তার পেছনে কী ছিল?
শামীম রেজা: ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী সময়ে নির্বাচনের মাধ্যমে একটি সরকার এলেও বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মূলে বড় গলদ থেকেই গেছে। স্বাধীনতার পর থেকে যেসব রাজনৈতিক দল এসেছে, তারা গণতন্ত্রের নামে ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করেছে কেবল। পাশ্চাত্যের আমদানি করা যে গণতন্ত্র, সেটা আসলে মাত্র দুই শতাংশ মানুষের স্বার্থ রক্ষা করে। আমরা চেয়েছিলাম তার বদলে প্রকৃত জনতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক। সে লক্ষ্যে একদল সমমনা তরুণ একত্র হই।
এশিয়া পোস্ট: সার্বভৌমত্ব আন্দোলন কোন পরিকল্পনা থেকে গড়ে উঠল?
শামীম রেজা: রাজনীতির দশ ভাগ হয় রাজপথে, বাকি নব্বই ভাগ সংস্কৃতিতে। কালচারের ভেতর দিয়ে মানুষ বুঝুক—রাষ্ট্রের মালিক তারা নিজেরা, কিন্তু তাদের বানিয়ে রাখা হচ্ছে কর্মী। এই বোধটুকু জাগানোই ছিল আমাদের মূল উদ্দেশ্য। সার্বভৌমত্ব আন্দোলন নির্বাচনমুখী দল নয়, কিন্তু রাজনৈতিক দল হিসেবে এটি প্রকৃত অর্থে মানুষের চেতনার রাজনীতি করে। নামসর্বস্ব দলে পরিণত না হয়ে আমরা শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়াতে চাই।
এশিয়া পোস্ট: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ব্যর্থ করার ষড়যন্ত্র হয়েছে বলে আপনি বারবার বলেছেন। কারণটা কী?
শামীম রেজা: ৫ আগস্টের ঘটনা শুধু ওই কয়েক সপ্তাহের নয়—এটা দীর্ঘদিনের সঞ্চিত ক্ষোভের মহাবিস্ফোরণ। আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর ক্ষমতাকে রাজনীতিবিদদের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে আমলা-প্রশাসনের হাতে তুলে দিয়েছিল। ফলে তৃণমূলের রাজনীতিবিদরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। ৫ আগস্টের পর আমাদের প্রত্যাশা ছিল দীর্ঘ আন্দোলনে যারা রাজপথে রক্ত দিয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তারাই সামনে আসবেন। কিন্তু সেটা হয়নি। একটি বৃহৎ গাছকে কেটে-ছেঁটে লাঠিতে পরিণত করার মতো ছাত্রশক্তিকে খণ্ডিত করা হয়েছে। ফলে আমাদের যে অর্জন হওয়ার কথা, তার পাঁচ ভাগও হয়নি।
এশিয়া পোস্ট: অনেকে বলছেন, বিপ্লব বেহাত হয়েছে। আপনি কি সেই মতের?
শামীম রেজা: হ্যাঁ, বলা যায়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার হোক বা বিপ্লবী সরকার—সেই সরকারে আসা উচিত ছিল তাদের, যাদের রাজপথে রক্ত আছে, গুম-খুনের শিকার হয়েছেন, দীর্ঘ সংগ্রামের দর্শন যাদের ভেতরে আছে। কিন্তু সরকার গঠিত হলো মূলত তিনটি ধারায়—প্রথম আলোঘনিষ্ঠ গোষ্ঠী, ড. ইউনূসের পরিচিত মহল এবং কিছু ছাত্র প্রতিনিধি। নির্যাতিত মানুষরা সামনে এলে বিশ্বাসঘাতকতার আশঙ্কা কম থাকে—এই সত্যটি উপেক্ষিত হলো।
এশিয়া পোস্ট: রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনকে কেন্দ্র করে বিতর্ক রয়েছে। আপনার মূল্যায়ন কী?
শামীম রেজা: একজন রাষ্ট্রপতি হওয়া উচিত রাষ্ট্রের সবচেয়ে মেরুদণ্ডসম্পন্ন ও বিচক্ষণ ব্যক্তিত্ব। কিন্তু সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে তিনি যেভাবে ব্যক্তিগত অভিযোগ জানিয়েছেন, তা একজন রাষ্ট্রপতির জন্য মোটেই শোভন নয়। আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী তার হাতে এমন ক্ষমতা আছে যা রাষ্ট্রকে গভীর সংকটে ফেলতে পারে। আমরা বারবার তাকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছি। কিন্তু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং তথাকথিত ‘জুলাইয়ের ঠিকাদাররা’ সেই দাবির বিরোধিতা করেছে।
এশিয়া পোস্ট: ‘জুলাইয়ের ঠিকাদার’ এই কথাটি কাদের উদ্দেশে বলছেন?
শামীম রেজা: জুলাই অভ্যুত্থান কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর একার অর্জন নয়, এটা ছিল ছাত্র, সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির সম্মিলিত প্রয়াস। কিন্তু আন্দোলন শেষ হওয়ার পর কিছু গোষ্ঠী এই বিজয়কে নিজেদের মধ্যে কুক্ষিগত করে ফেলেছে। আসিফ, নাহিদ, আকতার বা নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীরা কোথা থেকে হঠাৎ চলে এলেন? সার্জিস-হাসনাতদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে যে, ৫ আগস্ট পর্যন্ত তারা আন্দোলনকে সরকারপতনের দিকে না নিয়ে যেতে শেখ হাসিনার সংস্পর্শে থেকে কাজ করেছেন। পরে এরাই এনসিপি গঠন করেছেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে প্রভাব বিস্তার করেছেন।
এশিয়া পোস্ট: জুলাই সনদ বাস্তবায়িত না হলে কী পরিণতি হতে পারে?
শামীম রেজা: এটা স্পষ্ট করে বলা দরকার—বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের ক্ষমতায় এখনো আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী। এই সংবিধান বহাল রেখে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীরা আইনত সন্ত্রাসী ও রাষ্ট্রদ্রোহী হয়ে যাবেন। পাকিস্তানের দৃষ্টিতে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারাও তো ষড়যন্ত্রকারী ছিলেন। দেশ স্বাধীন হয়েছিল বলে তারা বীর। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে, সংবিধান পরিবর্তন না হলে—এই অভ্যুত্থানের যোদ্ধারাও সেই একই পরিণতির মুখে পড়বেন।
এশিয়া পোস্ট: বিএনপি ক্ষমতায়। শক্তিশালী বিরোধী দল নেই বলে অভিযোগ উঠছে। আপনার মত কী?
শামীম রেজা: শক্তিশালী বিরোধী দল বলতে আমরা যা বুঝি, তা এখন নেই, এটা বলাই যায়। জামায়াত-এনসিপি একটি জোটে গেছে, গণঅধিকার পরিষদ বিএনপির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে—একই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আসা দলগুলো ‘গৃহপালিত বিরোধী’তে পরিণত হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। আমরা সরকারের প্রথম একশ দিন দেখব, আমাদের দাবিগুলো সরাসরি উপস্থাপন করব এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমে চোখ রাখব।
এশিয়া পোস্ট: সংবিধান পরিবর্তনের প্রশ্নে বিএনপির অবস্থান নিয়ে আপনি কী মনে করেন?
শামীম রেজা: সংবিধান আসমানি কিতাব নয়—এটা পরিবর্তনযোগ্য। বেগম খালেদা জিয়া নিজেও বলেছিলেন, সুযোগ পেলে এই সংবিধান ছুড়ে ফেলবেন। আওয়ামী লীগ এই সংবিধান ব্যবহার করেই বিএনপিকে ধ্বংস করেছে, নির্যাতন করেছে। এখন সেই দলটি ক্ষমতায়—সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে। তাদের দায়িত্ব হলো এই সংবিধানকে জনগণ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে নতুনভাবে লেখা। এ বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া চলবে না।
এশিয়া পোস্ট: জুলাই-পরবর্তী রাজনৈতিক দলগুলো কি তাদের গতানুগতিক চরিত্র পাল্টেছে?
শামীম রেজা: এখন পর্যন্ত চরিত্র পরিবর্তনের কোনো সুস্পষ্ট লক্ষণ দেখছি না। বিএনপির কেন্দ্রীয় অনেক নেতা হাসিনা আমলে আপস করেছেন—এটা আমি শুনেছি, দেখেছি। মূলত তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই আপসহীনভাবে লড়াই করেছেন। কিন্তু এখন যোগ্যতার বদলে গোষ্ঠী-স্বার্থ ও আর্থিক সামর্থ্যই নেতৃত্বের মানদণ্ড হয়ে উঠছে। একজন সৎ ও যোগ্য নেতা যেখানে পেছনে পড়ে যান, সেখানে দলের কাছে টাকার জোর আছে এমন ব্যক্তি এগিয়ে যান। এই প্রবণতা না ভাঙলে পরিবর্তন কেবল কথায় থাকবে।
এশিয়া পোস্ট: জুলাই-পরবর্তী বিভাজন বেড়েছে কেন? এটা কি গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথে বাধা?
শামীম রেজা: অবশ্যই এটি একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। পনেরো বছর একসঙ্গে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার পর বিজয়ের পর আমরা বিভক্ত হয়ে গেলাম, কারণ রাজনীতিকে আবার গোষ্ঠীস্বার্থে ব্যবহার করা শুরু হলো। বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে, কিন্তু যে তরুণরা বছরের পর বছর মাঠে খেটেছেন, জেল খেটেছেন—তারা এখন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এই অন্যায় না থামালে মানুষ আবার মুখ ফিরিয়ে নেবে।
এশিয়া পোস্ট: গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় পদ থেকে পদত্যাগ করলেন কেন?
শামীম রেজা: মূল অভিযোগ ছিল একটাই—বয়সের সম্মান দেওয়া হচ্ছিল না। একটি রাজনৈতিক দলকে আদর্শ পরিবারের মতো চালাতে হয়, যেখানে যোগ্যতার ভিত্তিতে মানুষ এগিয়ে যাবে। কিন্তু সেখানে যারা মিডিয়ার ক্যামেরার সামনে পরিচিত মুখ, তারাই কেন্দ্রে থাকতেন—আর প্রকৃত যোগ্যদের ঠেলে সরিয়ে দেওয়া হতো। এই পরিবেশে কার্যকর রাজনীতি সম্ভব নয়।
এশিয়া পোস্ট: নুরুল হক নুর এখন প্রতিমন্ত্রী। তার পথচলা নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
শামীম রেজা: নুরুল হক নুর অসাধারণ মনোবলের মানুষ। ‘কত মারবে, মারলে মারুক’ এই মানসিকতা নিয়ে সে আন্দোলন করেছে। পটুয়াখালীর একটি প্রত্যন্ত দ্বীপ থেকে উঠে এসে হাসান মামুনের মতো প্রতিষ্ঠিত প্রার্থীকে হারিয়ে এমপি হওয়া—এটা সত্যিকারের যোগ্যতার স্বীকৃতি। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তার ওপর যে হামলা হয়েছে, তার দায় আমি সরাসরি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর চাপাই। রাষ্ট্রীয় বাহিনী যদি কাউকে আক্রমণ করে, সেই দায় সরকারপ্রধানের।
এশিয়া পোস্ট: পুলিশ হত্যার অভিযোগ তুলে জুলাই আন্দোলনকারীদের দোষী করার চেষ্টা হচ্ছে। এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কী?
শামীম রেজা: প্রথম প্রশ্নটাই হওয়া উচিত চোদ্দশ মানুষ ও ত্রিশ হাজার আহত মানুষ কাদের গুলিতে হয়েছে? রাষ্ট্রের মালিক যে সাধারণ মানুষ, তাদের ওপর যখন রাষ্ট্রীয় বাহিনী গুলি চালায়, তখন সেটা সশস্ত্র সংঘাতের পরিস্থিতি। সেই সংঘাতে নিহত পুলিশের সংখ্যা মোট চৌচল্লিশ জন—বিরোধীপক্ষ যেভাবে ‘হাজার হাজার’ বলছে, তা সত্য নয়। গর্ভবতী পুলিশ সদস্য খুনের দাবিও পরে সংশ্লিষ্ট নারী নিজে মিথ্যা প্রমাণ করেছেন। এটা ফ্যাসিস্ট শক্তির প্রচারণার অংশ।
এশিয়া পোস্ট: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং আগ্রাসনের প্রশ্নে আপনার অবস্থান কী?
শামীম রেজা: কোনো রাষ্ট্র আরেক রাষ্ট্রের ‘বন্ধ ‘ হয় না, স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক হয়। ভারত বাংলাদেশকে ভৌগোলিকভাবে দখল না করলেও চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে, নানা আগ্রাসন চালিয়েছে। এই গণঅভ্যুত্থান শুধু হাসিনার বিরুদ্ধে নয়, তার পেছনের হিন্দুত্ববাদী শক্তি ও ভারতীয় প্রভাবের বিরুদ্ধেও। যে সরকারই আসুক, বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে ভারতকে বাড়তি সুবিধা দিলে সেই সরকারেরও পতন হবে। এটা আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
এশিয়া পোস্ট: বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কতটা সক্ষম বলে আপনি মনে করেন?
শামীম রেজা: সত্য কথা হলো, ভারত সামান্য একটা আক্রমণ করলে আমাদের জীবন দেওয়া ছাড়া কোনো প্রতিরোধের সক্ষমতা নেই। নতজানু সরকারের কারণে দশকের পর দশক প্রতিরক্ষা খাত অবহেলিত থেকেছে। ঘাস খেয়ে হলেও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করতে হবে। আমাদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা আছে—দরকার সঠিক নীতি ও সদিচ্ছা।
এশিয়া পোস্ট: নতুন সরকারের কূটনৈতিক সমীকরণ নিয়ে আপনার বিশ্লেষণ কী?
শামীম রেজা: বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত কৌশলগত। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে ভারতের প্রকৃত মিত্র কার্যত নেই। এই সুযোগে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার নেতৃত্বে আসতে পারে। চীন, তুরস্ক বা পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক হবে পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে—কোনো দলীয় বা আদর্শিক অনুগ্রহের ভিত্তিতে নয়। সেভেন সিস্টার্স বাংলাদেশের ওপর নির্ভরশীল এই সত্যকে কাজে লাগাতে হবে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক নীতিতে।
এশিয়া পোস্ট: ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে বৈরিতা ও অনৈক্যে কার লাভ, কার ক্ষতি?
শামীম রেজা: এতে কারো লাভ নেই—সবার ক্ষতি। ছাত্ররা একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, তারা বন্ধু হওয়ার কথা। কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলো তাদের লেজুড়ভিত্তিক পেটোয়া বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করছে। এর সমাধান হলো নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন। সারা বাংলাদেশে স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিবছর অন্তত পঞ্চাশ হাজার নেতৃত্ব তৈরি হোক, যারা মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হবেন গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে।