সুরা ফালাকের বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ

পবিত্র কোরআনের ১১৩তম সুরা- সুরা ফালাক। মক্কায় অবতীর্ণ এ সুরার আয়াত সংখ্যা পাঁচটি। শয়তানের আক্রমণ ও জাদুটোনাসহ সব ধরনের অনিষ্টতা থেকে বাঁচতে এ সুরাটি নিয়মিত পড়া যেতে পারে। এ সুরার আমল মানুষকে শয়তানের কুমন্ত্রণা থেকে রক্ষা করে।
হজরত মুহাম্মদ (সা.) বিপদ-আপদ ও অসুস্থতায় সুরা ফালাক ও সুরা নাসের ওপর আমল করতেন। তাঁর ক্ষতি করার জন্য তাঁকে জাদু করে রশিতে ১১টি গেরো দেওয়া হয়েছিল। এই দুটি সুরার ১১টি আয়াত পড়ে সেই ১১টি গেরো খোলা হয়।
হজরত উকবা বিন আমির (রা.) বলেন, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাকে প্রতি ওয়াক্তে নামাজের পর সুরা ফালাক ও সুরা নাস পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
আয়াত: ১
قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ
উচ্চারণ: কুল আউজু বি রাব্বিল ফালাক।
অর্থ: বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,
আয়াত: ২
مِن شَرِّ مَا خَلَقَ
উচ্চারণ: মিন শাররি মা খালাক।
অর্থ: তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে।
আয়াত: ৩
وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ
উচ্চারণ: ওয়া মিন শাররি গাসিকিন ইজা ওয়াকাব।
অর্থ: অন্ধকার রাতের অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,

আয়াত: ৪
وَمِن شَرِّ النَّفَّاثَاتِ فِي الْعُقَدِ
উচ্চারণ: ওয়া মিন শাররিন নাফ্ফাসাতি ফিল উকাদ।
অর্থ: গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে
আয়াত: ৫
وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ
উচ্চারণ: ওয়া মিন শাররি হাসিদিন ইজা হাসাদ।
অর্থ: এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।