logo

শুক্রবারের যে আমল দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচাবে

শুক্রবারের যে আমল দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচাবে

মুসলমানদের জন্য সাপ্তাহিক ঈদের দিন শুক্রবার। এটি আল্লাহর কাছে সর্বোত্তম দিন। পৃথিবীর প্রথম মানুষ আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে এ দিনে। এ দিনই কিয়ামত সংঘটিত হবে। হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিন দিবসসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১০৮৪)

জুমার দিন যেসব ইবাদত ও আমল করা হয়, সপ্তাহের অন্যান্য দিনে সাধারণত তা করা হয় না। এই ব্যতিক্রম মুসলিমকে আনন্দ দেয়। ইবাদতে প্রাণ সঞ্চার করে। জুমার দিন পেয়ে আনন্দিত হওয়া সওয়াব। এটি সুন্নতও। কারণ, এ দিনের গুরুত্ব অনেক। হজরত মুহাম্মদ (সা.) এ দিনে বিশেষ গুরুত্ব দিতেন। বিশেষ আমল করতেন। 

জুমার দিনের অনেক ফজিলতপূর্ণ আমল আছে। এই দিনের একটি আমল হচ্ছে সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করা। সুরা কাহাফ কোরআনের ১৮তম সুরা। এর আয়াত সংখ্যা ১১০। এ সুরা তার পাঠকারীর জন্য কিয়ামতের দিন উজ্জ্বল আলো হবে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে জুমার দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, তার পায়ের নিচ থেকে আসমান পর্যন্ত নুর বা আলো হবে। কিয়ামতের দিন তা তার জন্য উজ্জ্বল হবে।’ (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব, খণ্ড:১, পৃষ্ঠা:২৯৮) 

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘যে জুমার দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, তার জন্য এক জুমা থেকে অপর জুমা পর্যন্ত আলো বর্ষিত হবে।’ (মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস: ২১৭৫) 

জুমার দিন সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করলে দাজ্জালের ফেতনা থেকে বাঁচা যায়। এ সুরা পড়ার পরের আট দিন দাজ্জাল বের হলেও পাঠকারীর কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘জুমার দিন যে সুরা কাহাফ তেলাওয়াত করবে, সে আট দিন পর্যন্ত সব ধরনের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে। যদি দাজ্জাল বের হয়, তবে সে দাজ্জালের ফিতনা থেকেও নিরাপদ থাকবে।’ (হাদিসুজ জুহরি: ১২৭)

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, ‘যে সুরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াত মুখস্থ করবে, সে দাজ্জালের ফিতনা থেকে নিরাপদ থাকবে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৮০৯)