logo

যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায়

যেসব কারণে রোজা ভেঙে যায়

রমজান মাসে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে বান্দার জন্য রয়েছে বিশেষ ফরজ বিধান—রোজা। রোজা শারীরিক ইবাদতগুলোর মধ্যে বেশ কষ্টকর। এটি ইসলামের তৃতীয় স্তম্ভ। সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত নিয়তসহকারে পানাহার, দাম্পত্য মিলন ও রোজাভঙ্গকারী সব কাজ থেকে বিরত থাকা হলো রোজা। রোজাভঙ্গকারী সব কাজ থেকে বিরত না থাকলে রোজা আদায় হবে না। এখানে রোজা ভঙ্গের কয়েকটি কারণ উল্লেখ করা হলো—
 
সহবাস করা : রোজা অবস্থায় ইচ্ছাকৃতভাবে সহবাস করলে রোজা ভেঙে যায়। ওই রোজা ফরজ, ওয়াজিব বা নফল হোক না কেন। সহবাসের মাধ্যমে রোজা ভেঙে গেলে কাজা ও কাফফারা উভয় আদায় করতে হবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ৯১৩১) 

ইচ্ছাকৃতভাবে পানাহার করা :  রোজা পালনের মৌলিক আদেশগুলোর অন্যতম পানাহার থেকে বিরত থাকা। ইচ্ছাকৃতভাবে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার করলে রোজা ভেঙে যাবে। এতে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হবে। (সুনানে দারা কুতনি, খণ্ড : ২, পৃষ্ঠা : ১৯১)

ইচ্ছা করে বীর্যপাত ঘটানো :  বিভিন্ন যৌনঘটিত কারণে কিংবা হস্তমৈথুন ইত্যাদি কারণে ইচ্ছাকৃতভাবে বীর্যপাত ঘটানো হলে রোজা ভেঙে যাবে। এতে কাজা ও কাফফারা উভয়ই ওয়াজিব হয়। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি, খণ্ড : ৪, পৃষ্ঠা : ২৬৪) 

 

ইচ্ছাকৃতভাবে মুখ ভরে বমি করা :  যদি কেউ ইচ্ছা করে মুখ ভরে বা পরিমাণে অনেক বমি করে, তবে তার রোজা নষ্ট হয়ে যাবে। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ৭২০) 

নারীদের হায়েজ (মাসিক) ও নেফাস (প্রসূতিবস্থা) শুরু হলে :  রোজা অবস্থায় কোনো নারীর হায়েজের (মাসিক) রক্ত দেখা দেয় অথবা নেফাসের অবস্থার শুরু হয়, তবে রোজা ভেঙে যাবে। (আল-মুহিতুল বুরহানি, খণ্ড : ১, পৃষ্ঠা : ৪০১)