logo
Advertisement

কোরবানির সঙ্গে আকিকা দেওয়া যাবে?

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
কোরবানির সঙ্গে আকিকা দেওয়া যাবে?
মা ও সন্তান। ছবি: সংগৃহীত

নবজাতকের পক্ষ থেকে পশু জবাই করা হলো আকিকা। নবজাতক জন্মের সপ্তম দিনে আকিকা করা উত্তম। ১৪তম দিনেও করা যায়। পরে করলেও অসুবিধে নেই। আকিকা করা মুস্তাহাব। তবে কেউ কেউ সুন্নতে মুয়াক্কাদা বলেছেন। হজরত মুহাম্মদ (সা.) নাতি হাসান ও হুসাইনের জন্য আকিকা দিয়েছেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘সন্তানের সঙ্গে আকিকার বিধান রয়েছে। তোমরা তার পক্ষ থেকে রক্ত প্রবাহিত করো (অর্থ্যাৎ পশু জবাই করো) এবং সন্তানের শরীর থেকে কষ্টদায়ক বস্তু (চুল) দূর করে দাও।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৪৭২)

Advertisement

কেউ কেউ কোরবানির পশুতে সন্তানের আকিকার অংশ দিতে চান। কিন্তু কোরবানির পশুতে আকিকা দেওয়া যাবে কি না, বিষয়টির শরিয়ত সমাধান জানা না থাকার কারণে দ্বিধায় পড়ে যান। তাদের জন্য এখানে সঠিক মাসয়ালা তুলে ধরা হলো—

ইসলামি বিশেষজ্ঞদের মতে, কোরবানির পশুর অংশে সন্তানের আকিকা দেওয়া যাবে। কোরবানির গরু, মহিষ ও উটে আকিকার নিয়তে শরিক হওয়া যায়। এতে কোরবানি ও আকিকা দুটিই বৈধ হবে। ছেলের জন্য দুই অংশ ও মেয়ের জন্য এক অংশ দিতে হবে। (রদ্দুল মুহতার, খণ্ড: ৬, পৃষ্ঠা: ৩২৬)

উট ও গরুর মতো যেসব বড় পশুতে সাতটি নামে কোরবানি করা যায়, ওইসব পশুতে সাতটি নামে কোরবানি হলে এর মধ্যে দুটি বা তিনটি নামে আকিকাও হতে পারে। তবে একটি ছাগলে কোরবানি ও আকিকা দুটি একসঙ্গে দেওয়া যাবে না।

ছেলের পক্ষ থেকে দুটি ও মেয়ের পক্ষ থেকে একটি বকরি আকিকা করা সুন্নত। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘ছেলের পক্ষ থেকে প্রতিদান হিসেবে দুটি বকরি ও মেয়ের পক্ষ থেকে একটি বকরি আকিকা করা সুন্নত। জন্মের সপ্তম দিন, সম্ভব না হলে ১৪তম দিন বা ২১তম দিন আকিকা করা সুন্নত।’

আকিকার গোশতের বিধান

কোরবানির পশুর ক্ষেত্রে যেসব শর্ত রয়েছে, আকিকার পশুর ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। আকিকার গোশত শিশুর মা-বাবাসহ সবাই খেতে পারবে। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আকিকার গোশত নিজে খাবে, অন্যকে খাওয়াবে এবং কিছু সদকা করবে।’ (মুসতাদরাকে হাকিম, হাদিস: ৭৬৬৯)

বিষয় :