ঈদযাত্রায় যানবাহনে ওঠার দোয়া

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গতকাল মঙ্গলবার থেকে টানা সাত দিনের ছুটি শুরু হয়েছে। ঈদকে কেন্দ্র করে লাখো মানুষ নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন। বাড়ি ফিরতে হয় সড়ক, রেল ও নৌপথে। এ ছাড়াও চলতে-ফিরতে মানুষকে বিভিন্ন যানবাহনে চড়তে হয়। চলাফেরায় নিরাপদ থাকাটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। যানবাহনে নিরাপদ থাকার জন্য বেশ কিছু দোয়া শিখিয়েছেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। এখানে কয়েকটি দোয়া উল্লেখ করা হলো—
যানবাহনে ওঠার দোয়া
হজরত মুহাম্মদ (সা.) সফরের উদ্দেশে কোথাও বের হলে সওয়ারির ওপর পা রেখে তিনবার তাকবির (আল্লাহু আকবার) বলতেন। বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম বলতেন। এরপর এ দোয়া পড়তেন—
سُبۡحَـٰنَ ٱلَّذِی سَخَّرَ لَنَا هَـٰذَا وَمَا كُنَّا لَهُۥ مُقۡرِنِینَ , وَإِنَّاۤ إِلَىٰ رَبِّنَا لَمُنقَلِبُونَ
উচ্চারণ: সুবহানাল্লাজি সাখখারা লানা হাজা, ওয়া মা কুন্না লাহু মুকরিনিন, ওয়া ইন্না ইলা রব্বিনা লামুন কলিবুন।
অর্থ: মহান আল্লাহর পবিত্রতা, যিনি একে (বাহন) আমাদের অধীন করে দিয়েছেন। অথচ আমরা একে অধীন করতে সক্ষম ছিলাম না। আমরা আমাদের প্রতিপালকের কাছে প্রত্যাবর্তনকারী। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৩৪২)
নৌকা বা জাহাজে ভ্রমণের দোয়া
হজরত মুহাম্মদ (সা.) দোয়া পড়ে নৌকা বা জাহাজে উঠতেন। দোয়াটি হলো—
بِسْمِ اللَّهِ مَجْرَاهَا وَمُرْسَاهَا ۚ إِنَّ رَبِّي لَغَفُورٌ رَّحِيمٌ
উচ্চারণ: বিসমিল্লাহি মাজরেহা ওয়া মুরসাহা, ইন্না রাব্বি লাগাফুরুর রহিম।
অর্থ: আল্লাহর নামেই এর গতি ও স্থিতি। আমার পালনকর্তা অতি ক্ষমাপরায়ণ, মেহেরবান। (সুরা হুদ, আয়াত: ৪১)