ইফতারের দোয়া

রমজানের বিভিন্ন সুন্নতের অন্যতম হলো ইফতার করা। এটি রোজার আমল ও ইবাদতও। রোজাদার সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে প্রথম যে পানাহারের মাধ্যমে রোজা ভাঙেন, তাকে ইফতার বলে। ইফতারের কিছুক্ষণ আগেই ইফতারি সামনে নিয়ে অপেক্ষা করা এবং যথাসময়ে ইফতার করা সুন্নত। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘মানুষ যত দিন দ্রুত ইফতার করবে, তত দিন তারা কল্যাণের ওপর থাকবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৯৫৭)
ইফতারের আগের দোয়া আল্লাহ কবুল করেন। তাই ইফতারের আগে দোয়া করা উচিত। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। এক. ন্যায়পরায়ণ শাসক, দুই. রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৭৫২)
ইফতারের দোয়া
اَللهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَعَلىٰ رِزْقِكَ أَفْطَرْتُ
ইফতারের দোয়ার বাংলা উচ্চারণ
আল্লাহুম্মা লাকা সুমতু, ওয়া আলা রিজকিকা আফতারতু।
ইফতারের দোয়ার বাংলা অর্থ
হে আল্লাহ, আমি আপনার উদ্দেশে রোজা রেখেছি এবং আপনার দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি।
ইফতারের মধ্যে কল্যাণ ও বরকত রয়েছে। ইফতারের সময় দেরি করতে নেই। ইফতার করা রোজাদারের জন্য বেশ আনন্দের। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রোজাদারের জন্য দুটি খুশি আছে। যা তাকে খুশি করে। এক. যখন সে ইফতার করে। দুই. যখন সে তার রবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে, তখন রোজার বিনিময়ে আনন্দিত হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১৮৯৪)