logo
Advertisement

যাদের জান্নাতি স্ত্রী বলেছেন মহানবী (সা.)

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
যাদের জান্নাতি স্ত্রী বলেছেন মহানবী (সা.)
সবুজ গম্বুজ ও আরবিতে ‘মুহাম্মদ’ লেখা ক্যালিগ্রাফি। ছবি: সংগৃহীত

নারীকে স্বামীর জন্য সাজতে উৎসাহিত করেছে ইসলাম। স্বামীকে খুশি করতে পরামর্শ দিয়েছেন হজরত মুহাম্মদ (সা.)। নতুন সাজে নতুন আঙিকে আর অভিনব ভঙ্গিতে প্রিয় স্বামীতে নিবেদিত হবে নারী, এটাই ইসলামের শিক্ষা। নারীর সাজ ভিন্ন পুরুষকে দেখানো হারাম। আল্লাহ বলেন, ‘(পরপুরুষকে) সাজ-সজ্জা প্রদর্শন করে বেড়িও না, যেমন প্রাচীন জাহেলি যুগে প্রদর্শন করা হতো।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৩৩)

Advertisement

নারীর পূর্ণ স্বাধীনতা একমাত্র ইসলামই নিশ্চিত করেছে। আরবের সেই অন্ধকার যুগে ইসলামের শাশ্বত পবিত্র আলো নারীকে করেছে সম্মানিত। আল্লাহর ওপর বিশ্বাস ও মহানবীর (সা.) আদর্শে নারী পেয়েছে সত্যিকারের সফলতা। ইসলামের ইতিহাসে এমন বহু নারী আছেন, যারা আল্লাহপ্রেমে সমর্পিত ছিলেন। আল্লাহতে খুশি ছিলেন। আল্লাহও তাদের প্রতি খুশি হয়েছেন। নবীজিকে তাদের ব্যাপারে সুসংবাদ শুনিয়েছেন মহান আল্লাহ। তাদের কথা কোরআনে বলেছেন।

স্বামী-স্ত্রী একে অপরের দীর্ঘ জীবনের সফরসঙ্গী। এই সফরে কেউ যদি মন্দস্বভাব কিংবা দুশ্চরিত্রের হয়, তাহলে জীবনে আর কোনো শান্তি থাকে না। জীবনে সুখ পাওয়া যায় না। অন্ধকার নেমে আসে জীবনজুড়ে। জীবন পালিয়ে বেড়ায় জীবন থেকে। তাই দুজনকে ইসলামি বিধান মেনে চলতে হবে। দুনিয়ার পাশাপাশি জান্নাতেও একসঙ্গে থাকার স্বপ্ন দেখতে হবে। জান্নাতি স্ত্রীরা স্বামীর চোখ শীতল করে। তারা প্রেমময়ী, স্বামীপরায়ণা হয়। স্বামী কষ্ট পেলে মুখে হাসি ফোটানোর জন্য অধীর হয়ে ওঠে।

আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জানাব না তোমাদের জান্নাতবাসী স্ত্রীরা কেমন? প্রেমময়ী, সন্তান-জন্মদাত্রী, স্বামী-পরায়ণা, সে (স্বামীকে) কষ্ট দিলে বা (স্বামীর থেকে) কষ্ট পেলে স্বামীর কাছে আসে এবং স্বামীর হাত ধরে বলে, আল্লাহর কসম! তুমি যতক্ষণ না খুশি হও, আমি ঘুমাব না।’ (সহিহুল জামে, হাদিস: ২৬০৪)

উত্তম নারীর পরিচয় বর্ণনা করতে গিয়ে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘এমন নারী যার দিকে তাকালে স্বামী সুখ পায়, স্বামী কোনো নির্দেশ দিলে মেনে নেয় এবং নিজের ও স্বামীর ধন-সম্পদের ব্যাপারে এমন কিছু করে না; যা স্বামী অপছন্দ করে।’ (সুনানে নাসায়ি, হাদিস: ৩২৩৪)