মায়ের জন্য পড়ুন একটি দোয়া

সন্তানের নির্ভরযোগ্য ও নির্ভরতার আশ্রয়স্থল মা। নিঃস্বার্থ ও অকৃত্রিম ভালোবাসার নাম মা। মা সন্তানের প্রথম শিক্ষক। মায়ের কাছেই সন্তান শেখে কীভাবে খেতে হয়, কথা বলতে হয়, হাঁটতে হয় ইত্যাদি। মা খুব যতনে সন্তানের জন্য তুলে রাখেন হৃদয়ের সব ভালোবাসা। মায়ের সব শুভকামনা আর নিরন্তর কল্যাণ থাকে সন্তানকে ঘিরে।
আল্লাহ পবিত্র কোরআনে সন্তানকে মায়ের সঙ্গে উত্তম আচরণের আদেশ করেছেন। মা-বাবার ত্যাগ ও কষ্টের মূল্যায়ন করে আল্লাহ বলেন, ‘তোমার প্রতিপালক আদেশ দিয়েছেন, তিনি ছাড়া অন্য কারও ইবাদত করো না এবং মা-বাবার প্রতি সদ্ব্যবহার করো। তাদের একজন অথবা উভয়েই তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হলে তাদের ‘উফ’ বলো না এবং তাদের ধমক দিও না। তাদের সঙ্গে সম্মানসূচক কথা বলো। তাদের জন্য সদয়ভাবে নম্রতার বাহু প্রসারিত করে দাও আর বলো, ‘হে আমার প্রতিপালক, তাদের প্রতি দয়া করো, যেমনভাবে তারা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ২৩-২৪)
কোরআনে আছে, ‘তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করো না। তোমরা মা-বাবার সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ৩৬)
মা আমাদের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করেছেন, এর বিনিময় কোনোভাবেই পরিশোধ করা সম্ভব নয়। আমরা আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী মায়ের সঙ্গে সদ্ব্যবহারের পাশাপাশি তার জন্য দোয়া করব। আল্লাহর কাছে তার কল্যাণ চাইব। দোয়াটি হলো-
رَبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا
উচ্চারণ: রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা।
অর্থ: হে আমার প্রভু, তাদের (মা-বাবা) প্রতি দয়া করুন। কারণ, শৈশবে তারাই আমাকে লালন-পালন করেছেন।
আমাদের পক্ষে মায়ের ভালোবাসার প্রতিদান তো দেওয়া সম্ভব নয়, কিন্তু আমরা তার জন্য এ দোয়াটি করতে পারি। আল্লাহর কাছে রহমত প্রার্থনা করতে পারি।
মায়ের জন্য এই দোয়াটি যেকোনো সময় পড়া যায়, এটি পড়ার নির্দিষ্ট কোনো সময় নেই। যতবার ইচ্ছা ততবার পড়া যাবে।


