logo

গাইবান্ধার ৫ আসনের ৪টিতে জামায়াত ও একটিতে বিএনপির জয়

গাইবান্ধার ৫ আসনের ৪টিতে জামায়াত ও একটিতে বিএনপির জয়

গাইবান্ধার ৫ আসনের ৪টিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও একটিতে বিএনপি প্রার্থী বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মো. মাসুদুর রহমান মোল্লা এশিয়া পোস্টকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 
‎
তিনি জানান, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমান ১ লাখ ৪০ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ‎তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৯৯৭ ভোট। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫৯.৪২ শতাংশ।

গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনে জেলা জামায়াতের আমির মো. আব্দুল করিম সরকার ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ‎তার নিকটতম বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী মো. আনিসুজ্জামান খান বাবু ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৮৯০ ভোট এবং জাতীয় পার্টির মো. আব্দুর রশীদ সরকার পেয়েছেন ২১ হাজার ৩১০ ভোট। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৬০.২৪ শতাংশ।

এ ছাড়া ‎গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে অধ্যক্ষ মাওলানা নুরুল ইসলাম লেবু ১ লাখ ৬২ হাজার ৪৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ‎তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা বিএনপির সভাপতি ধানের শীষ প্রতীকের অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৬৪ ভোট। এ আসনে মোট ভোট পড়েছে ৬৩.২৩ শতাংশ ।
‎
‎গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি নেতা শামীম কাওছার লিংকন ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ‎তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির মাওলানা আব্দুর রহিম সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৩৮ ভোট। এ আসনে মোট ভোট প্রাপ্ত হয়েছে ৬৩.০৬ শতাংশ।

আর ‎গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ ৮৯ হাজার ২৭৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ‎তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মো. ফারুক আলম সরকার পেয়েছেন ৭৩ হাজার  ৪৮৩ ভোট। মোট ভোট পড়েছে ৫৭.৪৯ শতাংশ ।

গাইবান্ধা জেলার ৭টি উপজেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের ৬৭৫টি ভোট কেন্দ্রের মোট ভোটার ছিলেন ২১ লাখ ৯০ হাজার ৪০০ জন। মোট ৪০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এর মধ্যে ৩২ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত এবং ৮ জন ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী।