logo

২ দশক পর বরিশালে যাবেন তারেক রহমান

২ দশক পর বরিশালে যাবেন তারেক রহমান

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রায় ২ দশক পর বরিশাল যাচ্ছেন। কয়েক দফা তারিখ পরিবর্তন হওয়ার পর অবশেষে ৪ ফেব্রুয়ারি তার সফর ও জনসভাকে কেন্দ্র করে চলছে নানা আয়োজন।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত বরিশাল অপেক্ষার প্রহর গুনছে তাকে এক নজর দেখার জন্য। নেতারা বলছেন, দলের চেয়ারম্যানের আগমনী বার্তায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জনসভায় বক্তব্যের মধ্য দিয়ে নিশ্চিত হতে পারে ২১টি আসনে নির্বাচনে বিজয়। আর সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণের পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদার করার কথা জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। 

বরিশাল নগরীর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বেলস পার্কে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে কাঙ্ক্ষিত অতিথি বরণে। দফায় দফায় চলছে বৈঠক। রাজপথ দখল হচ্ছে নেতাকর্মীদের আনন্দ মিছিলে। কারণ, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৪ ফেব্রুয়ারি আসছেন বরিশালে।

প্রায় ২ দশক পর আবারও তারেক রহমানের আগমনী বার্তায় আশায় বুক বেঁধেছে সর্বস্তরের জনগণ। খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোকাহত বরিশাল অপেক্ষার প্রহর গুনছে তাকে এক নজর দেখার জন্য। তার দেওয়া প্রতিশ্রুতিতে বরিশালের বহুল কাঙ্ক্ষিত দাবি যেমন উঠে আসবে, তেমনি সেগুলো পূরণ হবে বলে আশা সবার।

বরিশাল-১ আসন থেকে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার প্রার্থী এম জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, আমাদের নেতা দক্ষিণ বাংলা সফরে আসবেন। বিএনপি ও ধানের শীষের নেতাকর্মীদের মধ্যে গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। তার আগমনে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ আনন্দিত।

এদিকে ৪ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় নগরীর বান্দ রোডের বেলস পার্কে আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেবেন তারেক রহমান। ফলে পুরো দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে তৈরি হয়েছে ভিন্ন পরিবেশ।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে পুরো বরিশালবাসী উচ্ছ্বসিত। তিনি আসবেন আমরা তাকে প্রাণভরে দেখব।

বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, আমরা জেলায় জেলায় আমাদের বার্তা পৌঁছে দিয়েছি। ৪ তারিখ বেলা ১১টার মধ্যে আমাদের জনসভা শুরু হবে। চারদিকে মাইকিং চলছে।

অন্যদিকে তারেক রহমানের জনসভাকে জনসমুদ্রে রূপান্তর করতে বিভাগের ৬টি জেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছেন নেতারা।

বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরীন বলেন, বরিশাল বিভাগের ৮টি ইউনিট সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি লাখ লাখ নেতাকর্মীর আগমন ঘটবে।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বরিশাল-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যাবে তারেক রহমানের জনসভার মাঠ। আমরা জায়গা দিতে পারব কিনা সেটা নিয়ে চিন্তিত।

বরিশাল সুজনের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল আলম বলেন, জনসভায় তারেক রহমানের বার্তার মধ্য দিয়ে নিশ্চিত হতে পারে বরিশালের ২১টি আসনে নির্বাচনে বিজয়। আর সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণের পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদার করার কথা জানায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার সুশান্ত সরকার।

তিনি বলেন, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে গোয়েন্দা পুলিসসহ সাদা পোশাকে তদন্ত চলমান আছে। এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো নিরাপত্তা ঘাটতি নেই।

এর আগে ২০০৩ সালের ২৩ এপ্রিল সবশেষ বরিশালে এসেছিলেন তারেক রহমান। সভা করেছিলেন বরিশাল জিলা স্কুল মাঠে।