বাগেরহাটে তিনটিতে জামায়াত, একটি বিএনপির

বাগেরহাট জেলার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে জামায়াতে ইসলামী এবং একটিতে বিএনপি প্রার্থী বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ফল ঘোষণা করেন।
বাগেরহাট-১ (চিতলমারী, ফকিরহাট ও মোল্লাহাট)
এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৬ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কপিল কৃষ্ণ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ৫৯০ ভোট।
তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ১৪৭টি ভোটকেন্দ্র ছিল। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।
বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া)
এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৭০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৬৬ হাজার ২৭৪ ভোট। বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৫০ হাজার ৯৬। সদর ও কচুয়া উপজেলা প্রশাসন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
বাগেরহাট-৩ (মোংলা-রামপাল)
এই আসনে বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদুল ইসলাম ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ৩ হাজার ৭১১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৭০৫ ভোট। মোংলা ও রামপাল উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফলাফল নিশ্চিত করেছেন।
বাগেরহাট-৪ (মোরেলগঞ্জ-শরণখোলা)
এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী আব্দুল আলিম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সোমনাথ দে ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৩২৬ ভোট। এ আসনে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ১৭ হাজার ৭৪১। মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা প্রশাসন ফলাফল নিশ্চিত করেছে।
জেলার চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে জামায়াত এবং একটিতে বিএনপির প্রার্থী জয় পাওয়ায় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।