logo

রাজশাহীতে বিএনপি ভোট পেয়েছে ৩৮ শতাংশ, জামায়াত ৩০ শতাংশ

রাজশাহীতে বিএনপি ভোট পেয়েছে ৩৮ শতাংশ, জামায়াত ৩০ শতাংশ

রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২টিতে জামায়াতে ইসলামী এবং বাকি ৪টিতে বিএনপি বিজয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন স্বতন্ত্রসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ৩২ জন প্রার্থী। তবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর ১২ জনসহ একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী বাদে বাকি ১৯ জন প্রার্থী ন্যূনতম ভোট (১২ শতাংশ) না পাওয়ায় তাদের জামানতের অর্থ বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

রাজশাহীর ৬টি আসনে মোট ভোটার ২২ লাখ ৯২ হাজার ১১৩ জন। ভোট দিয়েছেন ১৭ লাখ ৩৯ হাজার ৪২৬ জন। শতকরা হিসেবে যা ৭১.৬৮ শতাংশ। ২৮.৩২ শতাংশ মানুষ ভোট দিতে যায়নি। এদিকে বিএনপির প্রার্থীরা ভোট পেয়েছে ৮ লাখ ৮৬ হাজার ৩২৪। শতকরা হিসেবে যা ৩৮.৬৭ শতাংশ। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা পেয়েছে ৬ লাখ ৯১ হাজার ৭১৯টি ভোট। শতকরা হিসেবে যা ৩০.১৮ শতাংশ।

রাজশাহীর-১ (তানোর-গোদাগাড়ী)

এই আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ৫ জন প্রার্থী। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী শরীফ উদ্দীন পেয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুবিবুর রহমান ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ব্যবধান ছিল ১ হাজার ৮৮৪ ভোট। বাকি ৩ জন প্রার্থী ন্যূনতম ভোটটাও পাননি। ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭৮৯ ভোটারের এই আসনটিতে প্রাপ্ত ভোট অনুসারে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন ৩৬ এবং বিএনপির সমর্থনও ৩৬ শতাংশ। ভোট পড়েছে ৭০.০৬ শতাংশ।

রাজশাহী-২ (সিটি করপোরেশন এলাকা)

এই আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ৬ জন প্রার্থী। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ব্যবধান ছিল ২৮ হাজার ১৭৬ ভোট। বাকি ৪ জন প্রার্থী ন্যূনতম ভোটটাও পাননি। ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫৬৪ ভোটারের এই আসনটিতে প্রাপ্ত ভোট অনুসারে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থীন ২৭ শতাংশ এবং বিএনপির সমর্থন ৩৪ শতাংশ। ভোট পড়েছে ৬৩.৮৪ শতাংশ।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর)

এই আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন মোট ৬ জন প্রার্থী। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট। বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ব্যবধান ছিল ৩৮ হাজার ৩৯১ ভোট। বাকি ৪ জন প্রার্থী ন্যূনতম ভোটটাও পাননি। ৪ লাখ ২৩ হাজার ৭৩৮ ভোটারের এই আসনটিতে প্রাপ্ত ভোট অনুসারে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থীন ৩২ শতাংশ এবং বিএনপির সমর্থন ৪১ শতাংশ। ভোট পড়েছে ৭৭.২৭ শতাংশ।

রাজশাহীর-৪ (বাগমারা)

এই আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন মোট ৪ জন প্রার্থী। আসনটিতে বিএনপির প্রার্থী ডি এম জিয়াউর রহমান পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ ভোট। জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল বারী সরদার ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ব্যবধান ছিল ৫ হাজার ৭৬৫ ভোট। বাকি ২ জন প্রার্থী ন্যুনতম ভোটটাও পাননি। ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ ভোটারের এই আসনটিতে প্রাপ্ত ভোট অনুসারে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থন ৩৬ ও বিএনপির সমর্থন ৩৪ শতাংশ। ভোট পড়েছে ৭২.২৭ শতাংশ।

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর)

এই আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন মোট ৭ জন প্রার্থী। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মনজুর রহমান পেয়েছেন ৭৩হাজার ৪৪৫ ভোট। বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। আসনটিতে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৪৩২ ভোট। ব্যবধান ছিল ৭৯ হাজার ৯৮০ ভোট। বাকি ৪ জন প্রার্থী ন্যুনতম ভোটটাও পাননি। ৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৭৩ ভোটারের এই আসনটিতে প্রাপ্ত ভোট অনুসারে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থীন ২০ শতাংশ এবং বিএনপির সমর্থন ৪৩ শতাংশ। ভোট পড়েছে ৬৮.৯৩ শতাংশ।

রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা)

এই আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন মোট ৪ জন প্রার্থী। আসনটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫ ভোট। বিএনপির প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। ব্যবধান ছিল ৫৫ হাজার ৭০৭ ভোট। বাকি ২ জন প্রার্থী ন্যুনতম ভোটটাও পাননি। ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৯ ভোটারের এই আসনটিতে প্রাপ্ত ভোট অনুসারে জামায়াতে ইসলামীর সমর্থীন ২৬ শতাংশ এবং বিএনপির সমর্থন ৪১ শতাংশ। ভোট পড়েছে ৭০.৯৬ শতাংশ।