দুপুর ২টা পর্যন্ত ৪৮৬টি বিশৃঙ্খলা, জালভোট ৫৯টি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সারা দেশে ৪৮৬টি কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা এবং ৫৯টি জালভোট দেওয়া ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টা পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জরুরি সমন্বয় সেল থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
সমন্বয় সেলের তথ্যমতে, দুপুর ২টা পর্যন্ত দেশের সব কেন্দ্রের মধ্যে পোলিং এজেন্টদেরকে বের করে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে ১৪টি স্থানে। সারা দেশে বিভিন্ন প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে ১৩৫ জায়গায়। দেশের সব কেন্দ্রের মধ্যে ৪৮৬টি ভোট কেন্দ্রে বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটেছে।
এ ছাড়া সারা দেশে তিনটি জায়গায় ব্যালট বাক্স ছিনতাই, ছয়জন প্রার্থীকে মারধর, ৫৯টি জালভোট, ভোট দিতে বাধা ১৮টি, অগ্নিসংযোগ চারটি স্থানে এবং নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির অবহেলার ঘটনা ঘটেছে ৩৩টি।
এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ৩৬১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ২০০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন। এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা।
৩০০ সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৯টিতে একযোগে ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রার্থীর মৃত্যুতে স্থগিত হয়েছে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন।
নির্বাচনে সব মিলিয়ে ২ হাজারের মতো প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাদের মধ্যে আড়াই শতাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছে, বাকিরা ৫১টি দলের প্রার্থী।
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। দলটির প্রতীক ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৯১ জন প্রার্থী। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন প্রার্থী হাতপাখা প্রতীক নিয়ে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২২৯ জন প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন ৩২ জন প্রার্থী।
রাজনৈতিক দলের পাশাপাশি এবারের ভোটে প্রতীকও থাকছে সবচেয়ে বেশি। ইসির তথ্য অনুযায়ী, ধানের শীষ, দাঁড়িপাল্লা, শাপলা কলিসহ ১১৯টি নির্বাচনি প্রতীকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।