মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ কেন্দ্রে শাপলা কলির এজেন্ট ঢুকতে বাধা, সেনা হস্তক্ষেপে সমাধান

রাজধানীর মির্জা আব্বাস মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে শাপলা কলি প্রতীকের এক পোলিং এজেন্টকে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিএনপি প্রার্থী মির্জা আব্বাসের সমর্থকদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোটগ্রহণ শুরুর আগে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সকাল সোয়া ৭টার দিকে ওই কেন্দ্রের ২ নম্বর ভোটকক্ষে শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর পোলিং এজেন্ট গোলাম মোস্তফা প্রবেশ করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন।
গোলাম মোস্তফার অভিযোগ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সঙ্গে থাকার পরও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থকেরা তাকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছিলেন না। সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের পরও তাকে কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষা করতে দেখা যায়।
এ সময় কেন্দ্রের সামনে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত থাকলেও শুরুতে তারা কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী এজেন্ট।
গোলাম মোস্তফা সাংবাদিকদের বলেন, ভোট শুরুর সময় হয়ে গেলেও আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পুলিশ থেকেও প্রথমে কোনো সহায়তা পাচ্ছিলাম না।
এ বিষয়ে কেন্দ্রের দায়িত্বরত পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিন জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হয়।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল কেন্দ্রে পৌঁছে পরিস্থিতির নিয়ন্ত্রণ নেয়। তারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে শাপলা কলি প্রতীকের পোলিং এজেন্টকে কেন্দ্রে প্রবেশের ব্যবস্থা করে দেন। সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে গোলাম মোস্তফা ভোটকক্ষে প্রবেশ করেন।
প্রিসাইডিং কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, শুরুতে ভুল-বোঝাবুঝি থেকে কিছুটা সমস্যা হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক রয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ চলছে।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা-৮ আসনে ২ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭১ ভোটার রয়েছে। ১০৮ কেন্দ্রে ভোট দেবেন তারা। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৫ জন ও নারী ১ লাখ ২২ হাজার ৬৭৫ জন।