রাজশাহীতে জামায়াতের অফিস ভাঙচুর, কর্মীদের মারধরের অভিযোগ

রাজশাহী-৩ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদের নির্বাচনি কার্যালয় ভাঙচুর ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ৪ কর্মী আহত হয়েছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডে অবস্থিত নির্বাচনি ক্যাম্পে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জামায়াত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিএনপির সেলিম, রায়হান, সাব্বির, জাবেদ, সেলিম রেজা, আনার তাদের দলবল নিয়ে জামায়াতের নির্বাচনি কার্যালয়ের পোস্টার ব্যানার ছিঁড়ে নিয়ে যায়। আমার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। পাশেই পুলিশ থাকলেও ব্যবস্থা নেয়নি তারা। বেশ কয়েকদিন ধরেই বিএনপির প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা জামায়াতে ইসলামের নির্বাচনি কার্যালয়ের ব্যানার-ফেস্টুন ছিঁড়ছে এবং কার্যালয় ভাঙচুর করে চলেছে। এ ঘটনায় আমার চার কর্মী আহত হয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, আমি বারবার প্রশাসনকে বলেছি বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা আমার লোকদের হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। প্রশাসন যদি কিছু না করে তাহলে বিক্ষোভ মিছিল হবে। এর দায়দায়িত্ব প্রশাসনকে নিতে হবে। এটা কীসের প্রশাসন। তারা এসেছেন কী জন্য। তাদের এখান থেকে চলে যাওয়া দরকার। তারা এখানে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আছে। এভাবে চলতে থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হবে না।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী-৩ আসনের বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন বলেন, এমন কোনো খবর পাইনি, আমি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে চাই না।
এ বিষয়ে মোহনপুর থানার ওসি এস এম মইনুদ্দিন এশিয়া পোস্টকে বলেন, পুলিশের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা মিথ্যা। সেখানে দুপক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়েছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত দুপক্ষের কেউই অভিযোগ করেনি।