logo

চট্টগ্রামে এমপি পদে ১০ নতুন মুখ

চট্টগ্রামে এমপি পদে ১০ নতুন মুখ

চট্টগ্রামে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেয়েছে বিএনপি। জেলার ১৬ আসনের মধ্যে ১৪টিতে বিএনপি দলীয় প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। এই জয়ী প্রার্থীদের মধ্যে ৯ জন প্রথমবারের মতো সংসদে নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া জামায়াত থেকে নির্বাচিত দুই প্রার্থীর মধ্যে একজন প্রথমবার সংসদ সদস্য হয়েছেন। সব মিলিয়ে চট্টগ্রামের ১৬ সংসদ সদস্যের মধ্যে ১০ জন নতুন মুখ।

চট্টগ্রাম বড় জয় পেয়েছে বিএনপি। চট্টগ্রামে জেলার ১৬ আসনের মধ্যে ১৪ আসনেই বিএনপির দলীয় প্রার্থী জয়ী। বিএনপির জয়ী প্রার্থীদের ৯ জনই নতুন মুখ। এর বাইরে জামায়াত থেকে নির্বাচিত দুজনের একজন প্রথমবার সংসদ সদস্য হলেন। সব মিলিয়ে ত্রয়োদশ সংসদে নির্বাচিত চট্টগ্রামের ১৬ সংসদ সদস্যের ১০ জনই নতুন মুখ।

প্রথমবারের মতো জয়ী হওয়া বিএনপির প্রার্থীরা হলেন-

চট্টগ্রাম ১ আসনে নুরুল আমিন

চট্টগ্রাম ২ আসনে সরোয়ার আলমগীর

চট্টগ্রাম ৪ আসনে আসলাম চৌধুরী

চট্টগ্রাম ৫ আসনে ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন

চট্টগ্রাম ৮ আসনে এরশাদ উল্লাহ

চট্টগ্রাম ৯ আসনে হুম্মাম কাদের

চট্টগ্রাম ১০ আসনে সাঈদ আল নোমান

চট্টগ্রাম ১২ আসনে মোহাম্মদ এনামুল হক

চট্টগ্রাম ১৪ আসনে জসীম উদ্দীন আহমেদ

চট্টগ্রাম ১৬ আসন থেকে নির্বাচিত জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামও প্রথমবারের মতো সংসদে প্রবেশ করছেন।

নির্বাচনে জয়ী এমপি প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট ও প্রতিদ্বন্দ্বির প্রাপ্ত ভোট

নুরুল আমিন  ১ লাখ ২৮ হাজার ৭৯৯ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মোহাম্মদ ছাইফুর রহমান পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৫৩৮ ভোট।

সরোয়ার আলমগীর ১ লাখ ৩৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। দাঁড়িপাল্লা (নুরুল আমিন) পেয়েছে ৬২ হাজার ১৬০ ভোট।

ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৪ ভোট পেয়ে জয়ী। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির পেয়েছেন ৪৬ হাজার ৫৮৯ ভোট। এরশাদ উল্লাহ ১ লাখ ৫২ হাজার ৯৬৯ ভোট পেয়ে জয়ী।  প্রতিদ্বন্দ্বী আবু নাছের (দাঁড়িপাল্লা)পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৫৬৪ ভোট।

হুম্মাম কাদের  ১ লাখ ১ হাজার ৪৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এ টি এম রেজাউল করিম (দাঁড়িপাল্লা) ৪১ হাজার ৭১৯ ভোট।

আবু সুফিয়ান ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি মোট ১ লাখ ৯ হাজার ৩৮৮ ভোট পেয়েছেন।  নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ কে এম ফজলুল হক (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৮০৭ ভোট।

সাঈদ আল নোমান পেয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৯৭৮ ভোট পেয়ে জয়ী।প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৯১৯ ভোট।

এনামুল হক ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী সৈয়দ এয়াকুব মোহাম্মদ পেয়ারু (মোমবাতি) ২৮ হাজার ৯৯৯ ভোট। 

জসীম উদ্দীন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বি এলডিপির প্রার্থী ওমর ফারুক (ছাতা) পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।

জহিরুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা)৯৩ হাজার ১৬৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে পেয়েছেন ৮৩ হাজার ১০৫ ভোট।