কুষ্টিয়াতে চাঁদাবাজি-দখলবাজি রাখব না: আমির হামজা

কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াতে ইসলামী থেকে বিজয়ী মুফতি আমির হামজা বলেছেন, কুষ্টিয়াতে জিরো টলারেন্স দিয়েছি বিশেষ করে চাঁদাবাজির ওপরে। চাঁদাবাজি-দখলবাজি কুষ্টিয়াতে ইনশাআল্লাহ আমরা রাখব না, এতে যদি ঝুঁকি নিতে হয় তাও নেব। আমরা বাংলাদেশে এই দুইটা জিনিস রাখতে চাই না।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে বিজয়ী হওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
মুফতি আমির হামজা বলেন, কোনো অবৈধ অস্ত্র বাইরে থাকবে না, যত অস্ত্র আছে সরকার ব্যবহার করবে প্রশাসন যেগুলো ব্যবহার করে। ওনাদের বাহিনী যারা আছে। বৈধ অস্ত্র আলাদা ব্যাপার। অবৈধ অস্ত্র বাইরে থাকতে পারবে না যেগুলো মানুষের জীবনের জন্য হুমকি।
তিনি আরও বলেন, সর্ব প্রথম আমার কাজ হবে কুষ্টিয়াতে কেউ যেন বেকার না থাকে। কুষ্টিয়ার জন্য বেকারত্ব একটা বড় অভিশাপ। আমরা কেউ বেকার থাকতে চাই না, যে কোনো কাজ যার যে যোগ্যতা আছে তার সে কাজ আমরা তুলে দিতে চাই।
তিনি তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী সবাই প্রতিযোগিতা করেছিলাম। আমরা ভাই-বোন মন খারাপ করার কিছু নেই। আমিও যদি বিজয়ী না হতাম, আপনাদের শুভেচ্ছা জানাতাম। আশা করছি, সবাইকে নিয়ে কুষ্টিয়ার যত উন্নয়নমূলক কাজ আছে আগে আমাদের বেকার সমস্যা দূরীকরণ দিয়ে শুরু করব ইনশাআল্লাহ।
এ সময় তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ৫৩ হাজার ৭২২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছি। দাঁড়িপাল্লার প্রতীক কুষ্টিয়া সদরেও বিজয়ী হয়েছে। সকল প্রশংসা আমি আল্লাহকে দিচ্ছি এবং কুষ্টিয়া-৩ আসনের জনগণকে।
কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে জামায়াত প্রার্থী মুফতি আমির হামজা ১ লাখ ৮০ হাজার ৬৯০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী প্রকৌশলী জাকির হোসেন সরকার পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ৯০৯ ভোট। এই আসনে জামায়াত বিএনপিসহ ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এই আসনে ১৩টি ইউনিয়ন একটি পৌরসভা রয়েছে। ভোটার সংখ্যা মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার ৮৪২ জন।