logo

শেখ হাসিনাসহ রেহানার তিন সন্তানের মামলার রায় আজ

শেখ হাসিনাসহ রেহানার তিন সন্তানের মামলার রায় আজ

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার বোন শেখ রেহানার তিন সন্তানের (টিউলিপ, আজমিনা ও রাদওয়ান) বিরুদ্ধে রাজধানীর পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির পৃথক দুই মামলার রায় জানা যাবে আজ।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার বিশেষ জজ-৪ আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হবে।

গত ১৩ ও ১৮ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪–এর বিচারক রবিউল আলম পৃথক এই দুই মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেন।

ক্ষমতার অপব্যবহার ও অনিয়মের মাধ্যমে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি আজমিনা সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। মামলায় শেখ হাসিনা, টিউলিপসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে গত বছরের ১০ মার্চ আরও দুই আসামিসহ মোট ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ৩১ জুলাই থেকে বিচার শুরু হয়। মামলায় মোট ৩১ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে শহরে বাড়ি বা ফ্ল্যাট বা আবাসন সুবিধা থাকার পরেও তা গোপন করেছে। একইসঙ্গে শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রকল্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রভাবিত করেছেন। মামলার আসামিরা পূর্বাচলের নতুন শহর প্রকল্পের ২৭ নম্বর সেক্টরের ২০৩ নম্বর রাস্তার ১০ কাঠা করে প্লট তাদের নামে বরাদ্দ দেন। 

মামলার বাকি আসামিরা হলেন জাতীয় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরকার, সিনিয়র সহকারী সচিব পুরবী গোলদার, অতিরিক্ত সচিব অলিউল্লাহ, সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন, রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান মিঞা, সাবেক সদস্য মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, তন্ময় দাস, মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, মেজর (ইঞ্জি.) সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (অব.), সাবেক পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মাজহারুল ইসলাম, পরিচালক কামরুল ইসলাম, উপপরিচালক নায়েব আলী শরীফ, পরবর্তী সময়ে যুক্ত হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন এবং সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ। তাদের মধ্যে কেবল খুরশীদ আলম গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।

এ ছাড়া পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দ নেওয়ার একই অভিযোগে গত বছরের ১৩ জানুয়ারি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিকের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। 

এই  মামলায়ও শেখ হাসিনা, টিউলিপ রিজওয়ানাসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়। তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ মার্চ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ দাখিল করা হয়। ৩১ জুলাই বিচার শুরু হয়। মামলায় মোট ২৮ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

মামলা দুটিতে অধিকাংশই একই আসামি। 

এর আগে, ঢাকার পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির পৃথক চার মামলায় শেখ হাসিনাকে ২৬ বছরের কারাদণ্ড এবং এক মামলায় শেখ রেহানাকে ৭ ও টিউলিপকে ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।