logo
Advertisement

খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় শ্রমিকলীগ নেতা কাশেম ৫ দিনের রিমান্ডে

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলার মামলায় শ্রমিকলীগ নেতা কাশেম ৫ দিনের রিমান্ডে
গ্রেপ্তার তেজগাঁও থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. আবুল কাশেম পাটোয়ারী। ছবি: এশিয়া পোস্ট

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গাড়িবহর আক্রমণ ও হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার তেজগাঁও থানা শ্রমিক লীগের সভাপতি মো. আবুল কাশেম পাটোয়ারী ওরফে ‘হাতকাটা কাশেম’-কে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন।

এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও থানার পুলিশ পরিদর্শক আবদুল হান্নান গত ২০ আগস্ট সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। আদালত আজ আসামির উপস্থিতিতে রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেছিলেন।

এর আগে একই মামলায় গত ১৮ আগস্ট তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১৭ আগস্ট সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ দিন আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসাইন সুমন রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষ এর বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের এই আদেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০১৫ সালের ২০ এপ্রিল ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে গিয়ে কারওয়ান বাজারের বাপেক্স ভবন, পল্লী ভবন, পরিবার পরিকল্পনা অফিস ও কাব্যকস সুপার মার্কেটের সামনে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরে হামলা চালানো হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই সময় আওয়ামী লীগ ও এর বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বেআইনিভাবে একত্রিত হয়ে এই হামলা চালান। এতে খালেদা জিয়ার গাড়িবহরের একাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলায় সিএসএফের নিরাপত্তাকর্মীসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী গুরুতর আহত হন।

পুলিশ জানায়, তদন্তের একপর্যায়ে বিশ্বস্ত সূত্রের মাধ্যমে কারওয়ান বাজার এলাকা থেকে আবুল কাশেম পাটোয়ারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মামলার ঘটনায় তার সরাসরি জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। মামলার অপর আসামিদের গ্রেপ্তার, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং তদন্তের স্বার্থে আবুল কাশেমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছিল।