logo

জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে আখতারুজ্জামান

জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে আখতারুজ্জামান
মেজর (অব.) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানকে আদালতে নেওয়ার সময়। ছবি: এশিয়া পোস্ট

কারাগারে পাঠানো হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও নিরাপত্তা সদস্যকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে করা মামলায় একদিনের রিমান্ড শেষে তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছে আদালত।

রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলমের আদালতে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

শাহজালাল বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা এবং দায়িত্বরত নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা মামলায় গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে আদালতে হাজির করে তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করেন। এরপর শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আলবিরুনী মীর তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সেই রিমান্ড শেষে রোববার তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৩৪ জন প্রতিনিধি সপরিবারে মদিনা থেকে ঢাকায় আসেন। তাদের বহনকারী ফ্লাইটটি ওইদিন সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে সকাল ৯টা ৮ মিনিটের দিকে ফ্লাইটটি পার্কিং করে। এরপর যাত্রীরা বিমানবন্দরের ২১ নম্বর গেট দিয়ে টার্মিনালে প্রবেশ করেন এবং ইমিগ্রেশন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ইমিগ্রেশন শেষে তারা লাগেজ সংগ্রহের জন্য ৮ নম্বর লাগেজ বেল্ট এলাকায় যান।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই সময় বিমানবন্দরে আগমনী যাত্রীর অতিরিক্ত চাপ থাকায় ট্রলি সংগ্রহের ক্ষেত্রে সাময়িক সংকট দেখা দেয়। ট্রলি সংগ্রহের জন্য দীর্ঘ লাইন তৈরি হলে কয়েকজন প্রটোকল সহকারী লাইনের নিয়ম ভঙ্গ করে ট্রলি সংগ্রহের চেষ্টা করেন। অন্যদিকে লাগেজ আসতে বিলম্ব হওয়া এবং জমজমের পানি না আসাকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন যাত্রী উত্তেজিত হয়ে ওঠেন এবং অশোভন আচরণ করতে থাকেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওই ঘটনায় বিমানবন্দরের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার আলম সজিব বাদী হয়ে বিমানবন্দর থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।