উত্তরাধিকার বিষয়ে পবিত্র কোরআনে যা বলা হয়েছে

মানুষের হেদায়াতের জন্য আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক নবী-রাসুলকে কিতাব দিয়েছেন। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে দিয়েছেন পবিত্র কোরআন। কোরআন মানবজাতির জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ সংবিধান। এটি এমন কিতাব—যারা ভাষা, ভাব, অলংকার, উপমা, ছন্দ, মূর্ছণা, ভাবের গভীরতা, অভিনব গ্রন্থনা, বাক্যের অনুপম বিন্যাস—সবকিছু মিলিয়ে এর তুলনা হয় না।
কোরআনে আছে সব বিষয়ের সমাধান। বিশেষ করে উত্তরাধিকার আইন নিয়ে কোরআনে বিস্তারিতভাবে সবকিছু বলা হয়েছে। ফারায়েজ সম্পর্কে কোরআনের বিধানসহ নানা বিষয় নিয়ে ‘ফারায়েজ আইন’ শীর্ষক একটি বই লিখেছেন গাজী শামসুর রহমান। বইটির দ্বিতীয় অধ্যায়ের ৭ থেকে ৬ নম্বর পৃষ্ঠায় ‘ফারায়েজ সম্পর্কে আল-কোরআন ও আল-হাদিস’ নিয়ে আলোচনা করেছেন তিনি।
প্রথম প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ফারায়েজ বা উত্তরাধিকার আইনের প্রথম এবং প্রধান উৎস কোরআন। ইহলৌকিক যেসব বিষয়ে কোরআনের আয়াত ব্যাপক, উত্তরাধিকার তার মধ্যে অন্যতম। কোরআনের সুরা নিসার সপ্তম, একাদশ, দ্বাদশ এবং একশ ছিয়াত্তরতম আয়াতে প্রত্যক্ষভাবে উত্তরাধিকার আইন বিধৃত। এ আয়াতগুলো ওহুদ যুদ্ধের পর নাজিল হয়। এ লড়াইয়ে সত্তরজন মুসলিম শহীদ হন; এ দুর্ঘটনার কারণে শহীদদের মিরাস বা উত্তরাধিকার কীভাবে বণ্টন করা হবে, এ প্রশ্ন বহু পরিবারের সামনে প্রকট হয়। এই আয়াতগুলোতে এ সমস্যার সমাধান দেখা যায়।
উত্তরাধিকার সম্পর্কে কোরআন
পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘বাবা-মা এবং আত্মীয়-স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষের অংশ আছে এবং বাবা-মা ও আত্মীয়-স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীরও অংশ আছে, তা অল্পই হোক অথবা বেশিই হোক, এক নির্ধারিত অংশ।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ৭)

নারীর উত্তরাধিকারের স্বীকৃতি
উল্লিখিত আয়াতে যে বক্তব্য উপস্থাপিত হয়েছে তা তৎকালীন প্রচলিত একটি নিষ্ঠুর কুপ্রথার কঠিন প্রতিবাদ। সেই কুপ্রথাটি শুধু আরবে নয়, প্রায় সারা দুনিয়ায় সুপ্রচলিত ছিল। এ কুপ্রথাটি হচ্ছে নারীদের উত্তরাধিকারের অস্বীকৃতি। এ আয়াতে নারীদের উত্তরাধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
উক্ত আয়াতের আরেকটি বক্তব্য কম বৈপ্লবিক নয়। এতে বাবা-মা ও নিকটাত্মীয়ের উত্তরাধিকার ঘোষিত হয়েছে। এ আয়াতে দুই প্রকার সম্পর্কের উল্লেখ দেখা যায়। প্রথম সম্পর্ক ব্যক্ত হয়েছে ‘ওয়ালিদান’ শব্দ দ্বারা। এ সম্পর্ক হচ্ছে বাবা-মা ও সন্তানদের মধ্যে। দ্বিতীয় সম্পর্ক ব্যক্ত করা হয়েছে ‘আকরাবুন’ শব্দের দ্বারা।
এ শব্দ দ্বারা নিকটতম আত্মীয় বোঝায়। এ আয়াত ইঙ্গিত করে, নিকট ও দূরের বিভিন্ন সম্পর্ক একত্রিত হলে নিকটাত্মীয়কে দূরের আত্মীয়ের ওপর অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং নিকট-আত্মীয় বিদ্যমান থাকলে দূরবর্তী আত্মীয় বঞ্চিত হবে।
এ আয়াতে আরেকটি মীমাংসা স্পষ্ট। আয়াতের শেষদিকে বলা হয়েছে ‘নাসিবা’ অর্থাৎ যে অংশ কোরআন নির্দিষ্ট করেছে, তা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত। আয়াতটির আরেকটি বৈশিষ্ট্য লক্ষ্যণীয়। এখানে পুরুষের জন্য এবং নারীর জন্য একই অবস্থা পৃথক শব্দাবলিতে বর্ণিত হয়েছে। নারী এবং পুরুষের হক যে স্বতন্ত্র, এ বর্ণনাভঙ্গিতে তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

আয়াতটি নাজিলের প্রেক্ষাপট
আউস ইবনে সাবেত স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক অপ্রাপ্তবয়ষ্ক ছেলে রেখে মারা যান। প্রচলিত আইন অনুযায়ী স্ত্রী এবং মেয়ে নারী হওয়ার কারণে সম্পত্তি পেল না, ছেলেও পেল না অপ্রাপ্তবয়ষ্ক হওয়ার কারণে। আউসের স্ত্রী রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে অভিযোগ করলেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে এই আয়াত অবতীর্ণ হয়—‘আল্লাহ তোমাদের সন্তান সম্পর্কে নির্দেশ দিচ্ছেন, এক ছেলের অংশ দুই মেয়ের অংশের সমান, কিন্তু দুইয়ের অধিক থাকলে তাদের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ। মাত্র এক মেয়ে থাকলে তার জন্য অর্ধাংশ, তার সন্তান থাকলে তার বাবা-মা প্রত্যেকের জন্য পরিত্যক্ত সম্পত্তির এক-ষষ্ঠাংশ, সে নিঃসন্তান হলে এবং শুধু বাবা-মা উত্তারাধিকারী হলে তার মায়ের জন্য এক-তৃতীয়াংশ, তার ভাইবোন থাকলে মায়ের জন্য এক-ষষ্ঠাংশ, এসবই সে যা ওসিয়ত করে তা দেওয়ার পর ও ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের বাবা ও সন্তানদের মধ্যে উপকারে কে তোমাদের নিকটতর, তা তোমরা অবগত নও। এটি আল্লাহর বিধান; আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১১)
এ আয়াত থেকে ইসলামি আইনের উত্তরাধিকার ব্যবস্থা সম্পর্কীয় বিধির শুরু। এ সুরার সপ্তম আয়াতে যা পূর্বে উদ্ধৃত এবং আলোচিত হয়েছে, যে বর্ণনা বিধৃত তা শুধু মূলসূত্রে নিবদ্ধ। সেখানে বলা হয়েছে, নিকটবর্তীতার ক্রমানুসারে উত্তরাধিকার শর্ত বর্তিত হয়। মৃত ব্যক্তির সন্তান ও বাবা-মা সর্বাধিক নিকটবর্তী, তাদের কথাই এই আয়াতে বলা হয়েছে।

প্রথম বলা হয়েছে, ‘আল্লাহ তোমাদের ওসিয়ত করেন তোমাদের সন্তান সম্পর্কে, একজন পুরুষের অংশ দুজন নারীর অংশের সমান।’
এ আয়াত ছেলে-মেয়ে যেখানে মেয়ে আগে কখনো ওয়ারিস ছিল না, উভয়কে ওয়ারিস করেছে এবং প্রত্যেকের অংশ নির্ধারিত করে দিয়েছে। মৃত ব্যক্তির পুত্র ও কন্যা থাকলে ওয়ারিসরূপে প্রত্যেক পুত্র প্রত্যেক কন্যার দ্বিগুণ হকদার। তারপরে বলা হয়েছে, মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী যদি দুজনের অধিক কন্যা হয়, তবে তারা ত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাবে।
‘ফাওকা ইসনাতাইন’ শব্দ দুটি দিয়ে দুয়ের অধিক নারী বুঝায়। প্রায় ফকিহ এই অভিমত প্রকাশ করেছেন যে, দুই কন্যার বেলায় অনুরূপ বিধান কার্যকরী। কোনো ব্যক্তি যদি একটি পুত্র সন্তানও মৃত্যুকালে রেখে না যায় এবং তার সন্তানদের মধ্যে শুধু মেয়েরাই থাকে, তবে মেয়েদের সংখ্যা দুই হোক কি তার অধিক, সব অবস্থায় ত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ তাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে।
এরপর বলা হয়েছে যে, একজন কন্যা হলে সে মৃত পিতার পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে। মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকলে পিতা-মাতা প্রত্যেকে ষষ্ঠাংশ পাবে, আর নিঃসন্তান হলে মা পাবে তিন ভাগের একভাগ। আর ভাই-বোন থাকলে মায়ের অংশ হয়ে যাবে ছয় ভাগের এক ভাগ।

এ আয়াত থেকে আমরা কন্যা ও পিতা-মাতার নির্ধারিত অংশ বুঝতে পারি। মৃত ব্যক্তি যদি শুধুমাত্র একটি কন্যা রেখে যায়, তবে সে ত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে, আর একাধিক রেখে গেলে দুই-তৃতীয়াংশ পাবে।
মৃত ব্যক্তির পিতা-মাতার উত্তরাধিকারের বিষয়ে তিনটি অবস্থা বর্তমান। প্রথম অবস্থা এই যে, পিতা-মাতা উভয়ই জীবিত এবং সন্তানাদিও আছে। এ অবস্থায় পিতা-মাতা প্রত্যেকেই ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে। অবশিষ্ট অংশ অন্যান্য ওয়ারিস—সন্তান ও স্ত্রী অথবা স্বামী পাবে। কোনো কোনো অবস্থায় কিছু অবশিষ্টাংশ পিতা পায়। দ্বিতীয় অবস্থা এই যে, মৃত ব্যক্তির সন্তান ও ভাইবোন এবং স্বামী বা স্ত্রী কিছুই নেই, শুধু পিতা-মাতা আছে, এমতাবস্থায় ত্যক্ত সম্পত্তির তিন ভাগের একভাগ মাতা এবং অবশিষ্ট তিন ভাগের দুই ভাগ পিতা পাবে। স্বামী অথবা স্ত্রী বর্তমান থাকলে প্রথমে তারাই তাদের প্রাপ্য অংশ নেবে; তারপর অন্যেরা পাবে। তৃতীয় অবস্থা এই যে, মৃত ব্যক্তির সন্তানাদি নেই; কিন্তু ভাই-বোন আছে। এ অবস্থায় মাতা ছয় ভাগের একভাগ পাবে। অন্য কোন ওয়ারিস না থাকলে পিতা সমস্ত সম্পত্তি পাবে।
হাদিসে আছে, জাবির (রা.) বলেন, ‘সাদ বিন রাবির দুই মেয়ে তার স্ত্রী রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসুল, এরা সাদ বিন রাবির মেয়ে। উহুদের যুদ্ধে তাদের বাবা আপনারই সঙ্গে থেকে কাফেরদের সঙ্গে যুদ্ধ করে শহীদ হয়েছেন এবং তাদের জেঠা তাদের সম্পত্তি অধিকার করে নিয়েছে। সে তাদের জন্য কোনো সম্পদই রাখেনি। আর তাদের সম্পত্তি না থাকলে তাদের বিয়েও দেওয়া যাবে না। মহানবী (সা.) বললেন, আল্লাহ এ সম্পর্কে আদেশ দেবেন। তখনই সুরা সিনার ১১ নম্বর আয়াত নাজিল হয়। মহানবী তাদের জেঠাকে ডেকে পাঠিয়ে বললেন, সাদের দুই মেয়েকে দুই তৃতীয়াংশ এবং তাদের মাকে এক অষ্টমাংশ দাও। এরপর যা বাকি থাকে, তা তোমার।’ (মুসনাদে আহমাদ)

পবিত্র কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘তোমাদের স্ত্রীদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির অর্ধেক তোমাদের জন্য যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে আর যদি সন্তান থাকে, তবে তোমাদের জন্য তাদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির এক চতুর্থাংশ, তাদের কৃত ওয়াসিয়ত কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তারা তোমাদের রেখে যাওয়া সম্পত্তির সিকি অংশ পাবে যদি তোমাদের কোনো সন্তান না থাকে, আর তোমাদের সন্তান থাকলে তাদের জন্য তোমাদের সম্পত্তির আট ভাগের একভাগ—তোমাদের কৃত ওসিয়ত কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। যদি পিতা-মাতাহীন ও সন্তানহীন কোনো পুরুষ বা নারীর শুধু বৈপিত্রেয় একটি ভাই বা একটি ভগ্নি থাকে, তবে প্রত্যেকের জন্য ছয় ভাগের এক ভাগ। যদি তারা তার চেয়ে অধিক হয়, তবে সবাই তৃতীয়াংশে শরিক হবে কৃত ওসিয়ত কিংবা ঋণ পরিশোধের পরে, যদি কারও জন্য ক্ষতিকর না হয়, এ হলো আল্লাহর বিধান, আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১২)
এ আয়াতে স্বামী ও স্ত্রীর অংশ বর্ণনা করা হয়েছে। মৃত স্ত্রীর যদি কোনো সন্তান না থাকে তবে স্বামী তার সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে। আর মৃতার যদি সন্তান থাকে, এক বা একাধিক, পুত্র কি কন্যা, এ স্বামীর ঔরসজাত কিংবা পূর্ববর্তী স্বামীর ঔরসজাত, তবে স্বামী এক-চতুর্থাংশ পাবে। স্বামীর অংশ বণ্টনের এটাই হচ্ছে নিয়ম। যদি স্বামী মারা না থাকে, তবে স্ত্রী পাবে এক-চতুর্থাংশ কী আর যদি ময় স্বামীর সন্তান থাকে, এ স্ত্রীর গর্ভজাত কিংবা অন্য স্ত্রীর, সেক্ষেত্রে স্ত্রী পাবে এক-অষ্টমাংশ। স্ত্রী একাধিক হলেও স্ত্রীর অংশ সকলের মধ্যে সমহারে বণ্টন করা হবে।

এরপর এ আয়াতে ভাই-বোনের অংশ বর্ণনা করা হয়েছে। ইজমার মাধ্যমে সাব্যস্ত হয়েছে যে, এখানে বৈপিত্রেয় ভাই-বোনের কথা বলা হয়েছে। যদি কোনো ‘কালালা’ এক ভাই এবং এক বোনকে রেখে মারা যায়, তবে উভয়ের মধ্যে প্রত্যেকে ছয় ভাগের এক ভাগ পাবে। আর যদি অধিক থাকে, তবে তারা এক-তৃতীয়াংশের হকদার হবে।
যে মৃত ব্যক্তির পিতা বা সন্তান কিছুই না থাকে, তাকে ‘কালালা’ বলা হয়। আল্লাহ বলেন, ‘লোকেরা তোমার কাছে ফাতাওয়া জিজ্ঞেস করছে; বলো, আল্লাহ তোমাদেরকে পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে ফাতাওয়া দিচ্ছেন, কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার যদি সন্তান না থাকে আর তার একটি বোন থাকে, তবে রেখে যাওয়া সম্পত্তির অর্ধেক সে পাবে, আর সে (মৃত নারী) যদি সন্তানহীনা হয় তবে তার ভাই তার উত্তরাধিকারী হবে, আর দুই বোন থাকলে তারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তির দুই তৃতীয়াংশ পাবে, আর যদি ভাই ও বোন দুই-ই থাকে, তবে পুরুষ পাবে দুজন নারীর সমান। আল্লাহ সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন যাতে তোমরা বিভ্রান্তিতে পতিত না হও। আল্লাহ যাবতীয় বিষয়ে পূর্ণরূপে অবহিত।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ১৭৬)

এ আয়াতে বলা হয়েছে, এমন ব্যক্তি যদি মারা যায়, যার বাবা-মা ও সন্তানাদি নেই, আছে শুধু একজন সহোদর ও বৈমাত্রেয়রা, তবে উক্ত বোন তার পরিত্যক্ত সমুদয় সম্পদের অর্ধাংশ পাবে। অনুরূপভাবে ওই ব্যক্তি তার সন্তানহীনা এবং পিতৃমাতৃহীনা বোনের সমুদয় সম্পত্তির ওয়ারিস হবে। আর ওই ব্যক্তি যদি দুই বা ততোধিক বোন রেখে মারা যান, তবে তারা তার সমুদয় পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাবে।
লেখকের পরিচয়
গাজী শামছুর রহমান (১৯২১-১৯৯৮) বাংলাদেশি আইনবিদ ও আইন সংস্কারক, বিচারক, ভাষাবিদ এবং টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব। তিনি বাংলায় আইনবিষয়ক গ্রন্থ রচনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তার রচিত বইয়ের সংখ্যা শতাধিক। তিনি ১৯৮৫ সালে একুশে পদক পান। তিনি জেলা জজ ছিলেন। সরকারের যুগ্ম সচিব হিসেবে তিনি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট ও বাংলা একাডেমির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন কিছুদিন।


