ধানমন্ডি ৩২-এ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে গ্রেপ্তার যুবলীগকর্মী কারাগারে

কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের ‘সক্রিয় কর্মী’ অর্ণব দাস (৩২) কে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। তিনি ১৫ আগস্ট শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে আটক হন।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন।
এর আগে শনিবার সকাল ১০টার দিকে ধানমন্ডি ৩২ নম্বর এলাকা থেকে অর্ণবকে আটক করে ধানমন্ডি থানায় নেওয়া হয়। পুলিশ দাবি করেছে, গ্রেপ্তার যুবক কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন যুবলীগের একজন সক্রিয় কর্মী।
এদিন আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ধানমন্ডি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম।
আদালতে পেশ করা আবেদনে বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তার দেওয়া তথ্য এবং নাম-ঠিকানা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আসামি জামিনে মুক্তি পেলে আত্মগোপনে চলে যেতে পারেন এবং পুনরায় সন্ত্রাসবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়তে পারেন। তাই মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। এছাড়া তদন্তের স্বার্থে পরবর্তীতে আসামিকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী লিটন মিয়া ও ডি কে গায়েন টিটোসহ কয়েকজন আইনজীবী তার জামিন চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। তবে শুনানিকালে আসামিকে এজলাসে তোলা হয়নি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, আসামিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সদস্য। তারা পরস্পর যোগসাজশে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র করছিলেন এবং মিছিলে সমবেত হয়ে দেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করার পাশাপাশি জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছিলেন।
ওই ঘটনায় ধানমন্ডি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাবন উদ্দিন বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন।



