সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ঢাবি অধ্যাপক জামাল উদ্দিন ফের গ্রেপ্তার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দিনকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, পল্টন মডেল থানায় ২০২৫ সালের ১৯ মে দায়ের করা একটি মামলায় অধ্যাপক জামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করে পুলিশ। ওই মামলার এজাহার ও পুলিশের আবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালের ১৮ মে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সদস্য, অর্থদাতা, পরামর্শদাতা ও নির্দেশদাতারা রাজধানীর গুলিস্তান, বায়তুল মোকাররম ও এর আশপাশের এলাকায় নাশকতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে সমবেত হন।
পুলিশের আবেদনে আরও বলা হয়, ওই সময় বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটের বিপরীত পাশে হোটেল ইম্পেরিয়ালের সামনে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানকালে কয়েকজনকে আটক করা হয়। এ সময় অজ্ঞাতনামা প্রায় ১৪০ থেকে ১৫০ জন বিভিন্ন দিকে পালিয়ে যান বলে মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, মামলাটির তদন্তে অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। তিনি নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্যপদ গ্রহণ, সংগঠনটির আদর্শ ও কর্মকাণ্ড সমর্থন এবং অপরাধের ষড়যন্ত্র ও প্রচেষ্টার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলেও পুলিশের আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকার বিভিন্ন সরকারবিরোধী মিছিল-মিটিংয়ে অধ্যাপক জামাল উদ্দিনের নেতৃত্ব দেয়ার তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পাওয়া গেছে বলেও দাবি করেছে পুলিশ।
এর আগে একই আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে গত ১১ মার্চ থেকে কারাগারে রয়েছেন অধ্যাপক জামাল উদ্দিন। এবার পল্টন থানার মামলা নম্বর ৩৮-এ তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর জন্য আদালতে আবেদন করে পুলিশ।
পুলিশের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে আদালত অধ্যাপক ড. আ ক ম জামাল উদ্দিনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
