১৯ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে আলোচিত যত ঘটনা

সময় প্রবহমান। আর এই সময়ে ঘটে চলে নানা ঘটনা। কালের ধারায় এসব ঘটনা একসময় অতীত ঘটনা বা ইতিহাসে পরিণত হয়। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম এসব ইতিহাস চিন্তাচেতনা ও প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে।
ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, পৃথিবীকে আলোকিত করেছেন অনেক জ্ঞানী-গুণী। বিশ্বজুড়ে ঘটেছে গুরুত্বপূর্ণ অনেক ঘটনা। তবে সব ঘটনার ইতিহাসে ঠাঁই হয় না।
আজ ১৮ অক্টোবর। একনজরে দেখে নেওয়া যাক ইতিহাসের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা।
ঘটনাবলি
২০২ খ্রিষ্টপূর্ব – দ্বিতীয় পিউনিক যুদ্ধ: জামার যুদ্ধে রোমান বাহিনীর সেনাপতি সিপিও আফ্রিকানাস কার্থেজের সেনাপতি হ্যানিবল বার্কাকে পরাজিত করে।
৪৩৯ – ভ্যান্ডালদের রাজা গাইসেরিকের নেতৃত্বে ভ্যান্ডালরা উত্তর আফ্রিকার কার্থেজ দখল করে।
১৩৮৬ – জার্মানির সর্বাপেক্ষা প্রাচীন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৩৮৬ – ওসমানীয় বাহিনী বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়া দখল করে।
১৪৫৩ – শতবর্ষের যুদ্ধ: কাস্তিয়নের যুদ্ধের তিন মাস পর ইংল্যান্ড ফ্রান্সের দক্ষিণে তার শেষ ভূখণ্ড হারায়।
১৪৬৬ – পোল্যান্ড ও টিউটনিক অর্ডারের মধ্যে ত্রয়োদশ বছরের যুদ্ধ দ্বিতীয় থর্ন চুক্তির মাধ্যমে শেষ হয়।
১৪৬৯ – আরাগনের দ্বিতীয় ফার্ডিনান্ড কাস্তিলের প্রথম ইসাবেলাকে বিয়ে করেন, যা আরাগন ও কাস্তিলকে একত্রিত করে স্পেন গঠনের পথ তৈরি করে।
১৫১২ – মার্টিন লুথার ধর্মতত্ত্বে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।
১৫৭৯ – স্কটল্যান্ডের রাজা ষষ্ঠ জেমসকে অ্যাডিনবরায় এক উৎসবের মাধ্যমে প্রাপ্তবয়স্ক শাসক হিসেবে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
১৬৪৯ – আয়ারল্যান্ডের নিউ রস শহর অলিভার ক্রমওয়েলের কাছে আত্মসমর্পণ করে।
১৬৬২ – ইংরেজ বুকানিয়ার বাহিনী রয়েল নেভির কমোডর ক্রিস্টোফার মিংসের নেতৃত্বে কিউবার সান্তিয়াগো দে কিউবা আক্রমণ করে লুট করে।
১৭৮১ – যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ সেনাপ্রধান লর্ড কর্নওয়ালিস মার্কিন সেনাপ্রধান জর্জ ওয়াশিংটনের কাছে আত্মসমর্পণ করার মাধ্যমে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের অবসান ঘটে।
১৭৯১ – সুইডেন ও রাশিয়ার মধ্যে ড্রটনিংহোম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৮০৫ – তৃতীয় জোটের যুদ্ধ: অস্ট্রীয় জেনারেল ম্যাক উলমের যুদ্ধে নেপোলিয়নের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
১৮১২ – প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার কারণে নেপোলিয়ন মস্কো ত্যাগে বাধ্য হন।
১৮১৩ – ষষ্ঠ জোটের যুদ্ধ: লাইপজিগের যুদ্ধের পর নেপোলিয়ন জার্মানি থেকে পিছু হটতে বাধ্য হন।
১৮৬৪ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: সিডার ক্রিকের যুদ্ধ শেষ হয়, যা ওয়াশিংটন ডিসির প্রতি শেষ কনফেডারেট হুমকির অবসান ঘটায়।
১৮৬৪ – আমেরিকান গৃহযুদ্ধ: কানাডায় অবস্থানরত কনফেডারেট এজেন্টরা ভার্মন্টের সেন্ট আলবানসে তিনটি ব্যাংক লুট করে।
১৮৮৮ – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তিনিকেতন প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯০০ – ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কৃষ্ণবস্তু বিকিরণের প্ল্যাঙ্কের সূত্র আবিষ্কার করেন।
১৯১২ – ইতালি-তুরস্ক যুদ্ধ: ইতালি উসমানীয় সাম্রাজ্যের কাছ থেকে বর্তমান লিবিয়া দখল করে।
১৯১৪ – প্রথম বিশ্বযুদ্ধ: ইপ্রেসের প্রথম যুদ্ধ শুরু হয়।
১৯২১ – অভ্যুত্থানে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী ও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হন।
১৯২২ – ব্রিটিশ কনজারভেটিভ সংসদ সদস্যরা লিবারেল পার্টির সঙ্গে জোট সরকার ভেঙে দেওয়ার পক্ষে ভোট দেন।
১৯২৩ – কামাল পাশার নেতৃত্বে আধুনিক ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র তুর্কি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৩৫ – ইথিওপিয়া আক্রমণের কারণে জাতিসংঘের পূর্বসূরি লিগ অব নেশনস ইতালির ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
১৯৪২ – চলচ্চিত্রবিষয়ক প্রথম মাসিক পত্রিকা ‘চিত্রপঞ্জি’ প্রকাশিত হয়।
১৯৪৩ – রাটগার্স বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যক্ষ্মার প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক স্ট্রেপ্টোমাইসিন আবিষ্কার করেন।
১৯৪৪ – হুয়ান ফেদেরিকো পোনসে ভাইদেসের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান শুরু হয়, যা দশ বছরব্যাপী গুয়াতেমালা বিপ্লবের সূচনা করে।
১৯৫০ – চীন চামডোর যুদ্ধে তিব্বতি সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে।
১৯৫০ – জাতিসংঘ বাহিনী উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ং ইয়ং দখল করে।
১৯৫০ – ইরান পয়েন্ট ফোর কর্মসূচির অধীনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কারিগরি সহায়তা গ্রহণকারী প্রথম দেশ হয়।
১৯৫১ – ব্রিটেন সুয়েজ খাল অঞ্চল অধিকার করে।
১৯৫৩ – রে ব্র্যাডবুরির উপন্যাস ফারেনহাইট ৪৫১ প্রকাশিত হয়।
১৯৫৪ – একদল অস্ট্রেলীয় অভিযাত্রী কর্তৃক পৃথিবীর ষষ্ঠ উচ্চতম পর্বত চো ওইয়ু বিজয়।
১৯৫৬ – সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জাপান একটি যৌথ ঘোষণায় স্বাক্ষর করে, যা আনুষ্ঠানিকভাবে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটায়।
১৯৬০ – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবার বিরুদ্ধে প্রায় সম্পূর্ণ বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
১৯৬৫ – চীন-নেপাল আনুষ্ঠানিক প্রত্যক্ষ ডাক-ব্যবস্থা চালু হয়।
১৯৭২ – বাংলাদেশ ইউনেস্কোর সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৭৪ – নিউয়ে নিউজিল্যান্ডের একটি স্বশাসিত উপনিবেশে পরিণত হয়।
১৯৭৬ – ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আলি হাসান সালামাহ ইহুদীবাদী ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে লেবাননে শাহাদাত বরণ করেন।
১৯৭৭ – দক্ষিণ আফ্রিকার ১৮টি বর্ণবাদ বিরোধী সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা।
১৯৮৩ – বামপন্থী সামরিক অভ্যুত্থানে গ্রেনেডার প্রধানমন্ত্রী মরিস বিশপ নিহত।
১৯৮৮ – ব্রিটিশ সরকার শিন ফেইন এবং এগারোটি আইরিশ প্রজাতন্ত্রী ও আলস্টার অনুগত আধাসামরিক
১৯৯১ – বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের অবসান হয়।
১৯৯৩ – পিপলস পার্টির নেত্রী বেনজীর ভুট্টো দ্বিতীয় বারের মতো পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়।
১৯৯৬ – বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সোনারগাঁয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘরের উদ্বোধন হয়।
২০০৩ – ভ্যাটিকান সিটিতে পোপ দ্বিতীয় জন পল মাদার তেরেসাকে বিটিফিকেশন (ক্যাথলিক চার্চ দ্বারা ‘আশীর্বাদিত’) দ্বারা ‘স্বর্গীয় মহিমা’ প্রদান করা হয়।
২০০৫ – সাদ্দাম হোসেন বাগদাদে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে বিচারের মুখোমুখি হন।
২০১২ – লেবাননের বৈরুতে বোমা বিস্ফোরণে ৮ জন নিহত ও ১১০ জন আহত হন।
২০২৫ – প্যারিসের লুভর জাদুঘরে ডাকাতির সময় ফরাসি রাজমুকুটের রত্নের কিছু অংশ চুরি হয়।
জন্ম
১৬০৫ - টমাস ব্রাউন, ইংরেজ চিকিৎসক এবং লেখক।
১৭৮৪ - লেই হান্ট, লেখক, সাংবাদিক।
১৮৯৬ - চারুচন্দ্র ভাণ্ডারী, প্রবীণ গান্ধীবাদী ও সর্বোদয় নেতা।
১৮৯৭ - সেলিমুজ্জামান সিদ্দিকী, পাকিস্তানি শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী।
১৮৯৯ - মিগুয়েল অ্যাঞ্জেল আস্তুরিয়াস, গুয়াতেমালার নোবেলজয়ী কথাশিল্পী।
১৯০৩ - রাইচাঁদ বড়াল, প্রখ্যাত ভারতীয় বাঙালি সুরশিল্পী, সঙ্গীত পরিচালক।
১৯২৪ - নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, ভারতীয় বাঙালি কবি।
১৯২৮ - মিজানুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
১৯৬১ - সানি দেওল, ভারতীয় অভিনেতা ও প্রযোজক।
১৯৮৩ - রেবেকা ফার্গুসন, সুয়েডীয় অভিনেত্রী।
মৃত্যু
১৬৮২ - টমাস ব্রাউন, ইংরেজ চিকিৎসক এবং লেখক।
১৯২২ - চন্দ্রশেখর মুখোপাধ্যায়,যশস্বী বাঙালি লেখক।
১৯৩৬ - মহান চীনা সাহিত্যিক লু স্যুন।
১৯৩৭ - আর্নেস্ট রাদারফোর্ড, নিউজিল্যান্ডীয় নিউক্লীয় পদার্থবিজ্ঞানী।
১৯৭২ - কিথ জনসন, বিখ্যাত অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট প্রশাসক।
১৯৭৪ - ফররুখ আহমদ, বাঙালি কবি।
১৯৮৭ - মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন, লোকগীতি সংগ্রাহক ও সম্পাদক।
১৯৯৫ - জহুরুল ইসলাম, শিল্পপতি ও ইসলাম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা।
২০০৪ - কেনেথ আইভার্সন, টুরিং পুরস্কার বিজয়ী কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
২০১৪ - এ. এফ. সালাহ্উদ্দীন আহমদ, বাংলাদেশের ইতিহাসবিদ ও জাতীয় অধ্যাপক।
২০১৮ - প্রিন্সিপাল হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশি দেওবন্দি ইসলামি পণ্ডিত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির।
