logo
Advertisement

টয়লেটের ফ্লাশে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে অতিসূক্ষ্ম ক্ষতিকর কণা

এশিয়া পোস্ট নিউজ
টয়লেটের ফ্লাশে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে অতিসূক্ষ্ম ক্ষতিকর কণা

টয়লেটে ফ্ল্যাশ করা আমাদের দৈনন্দিন জীবনের খুব সাধারণ একটি কাজ। কিন্তু গবেষণায় উঠে এসেছে, এই সাধারণ কাজের মধ্যেই লুকিয়ে থাকতে পারে স্বাস্থ্যঝুঁকি। ফ্ল্যাশ চাপলেই সব ময়লা শুধু ড্রেন দিয়ে নিচে চলে যায়, এমনটা নয়। এর সঙ্গে সঙ্গে অতিসূক্ষ্ম কিছু ক্ষতিকর কণা বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement

গবেষকদের মতে, বিশেষ করে পাবলিক টয়লেটে ফ্ল্যাশ করার সময় শক্তিশালী ঊর্ধ্বমুখী বাতাস তৈরি হয়। এই বাতাসের সঙ্গে জীবাণু, ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসভরা কণাগুলো ছড়িয়ে পড়ে বাথরুমের চারপাশে এবং সেখানে থাকা জিনিসপত্রের ওপর। এমনকি এগুলো পাশের ঘরেও পৌঁছাতে পারে।

গবেষক মাসিমো জানান, ফ্ল্যাশ করার পর এসব ক্ষতিকর কণা কমোডের চারপাশে প্রায় পাঁচ ফুট পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের চিকিৎসক ড. জেন কডলও এ বিষয়ে সতর্ক করেছেন। তার মতে, ফ্ল্যাশ করার সময় টয়লেটের ঢাকনা খোলা রাখা একটি বড় ভুল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফ্ল্যাশ করার আগে অবশ্যই টয়লেটের লিড বা ঢাকনা বন্ধ করা উচিত। এতে ক্ষতিকর কণাগুলো বাতাসে ছড়ানোর ঝুঁকি অনেকটাই কমে। নিজের বাড়ির বাথরুম হলেও এই অভ্যাস রাখা জরুরি, কারণ সেখানে একাধিক মানুষ ব্যবহার করে।

ড. কডল জানান, একা থাকলেও কেউ নিজের ঘরে জীবাণুর ছড়াছড়ি চাইবে না। তাই ঢাকনা বন্ধ রেখেই ফ্ল্যাশ করা সবচেয়ে নিরাপদ।

তবে পাবলিক টয়লেটে অনেক সময় ঢাকনা থাকে না। সে ক্ষেত্রে পরামর্শ হলো- ফ্ল্যাশ করার পর যত দ্রুত সম্ভব বাথরুম থেকে বেরিয়ে যাওয়া। সামাজিক মাধ্যমে কেউ কেউ আরও কিছু সতর্কতার কথা বলেছেন। যেমন, টয়লেটের কাছে টুথব্রাশ না রাখা বা ফ্ল্যাশের আগে টয়লেট সিটে টয়লেট পেপার বিছিয়ে নেওয়া।

সব মিলিয়ে, একটু সচেতন হলেই টয়লেট ব্যবহারের সময় বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো সম্ভব। ছোট একটি অভ্যাস; ঢাকনা বন্ধ করে ফ্ল্যাশ করা আপনাকে রাখতে পারে অনেকটাই নিরাপদ।

সূত্র : এনডিটিভি