logo

সম্পর্কে বয়সের ফারাক কত হলে বিচ্ছেদের ঝুঁকি কমে

সম্পর্কে বয়সের ফারাক কত হলে বিচ্ছেদের ঝুঁকি কমে
ছবি : সংগৃহীত

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কেবল ভালোবাসা বা আকর্ষণের ওপর নির্ভর করে না; বরং মানসিক বোঝাপড়া, জীবনধারা এবং পারস্পরিক প্রত্যাশার সামঞ্জস্যও এখানে বড় ভূমিকা রাখে। বয়সের ফারাকও অনেক সময় এই ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিভিন্ন গবেষণায় উঠে এসেছে।

একটি গবেষণায় দেখা যায়, সমবয়সী দম্পতিদের মধ্যে সম্পর্ক তুলনামূলকভাবে বেশি স্থায়ী হওয়ার প্রবণতা থাকে। কারণ একই বয়সে সাধারণত জীবনদৃষ্টি, ক্যারিয়ার লক্ষ্য এবং সামাজিক অভিজ্ঞতা কাছাকাছি থাকে, যা বোঝাপড়াকে সহজ করে।

অন্যদিকে বয়সের ব্যবধান বাড়লে কিছু ক্ষেত্রে বিচ্ছেদের ঝুঁকিও বাড়তে দেখা গেছে। গবেষণার তথ্যে উল্লেখ করা হয়, যেসব দম্পতির বয়সের ফারাক ১ বছরের মতো, সেখানে বিচ্ছেদের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। বয়সের ব্যবধান ৫ থেকে ৭ বছর হলে এই ঝুঁকি কিছুটা বাড়তে পারে। ১০ বছরের ফারাকের ক্ষেত্রে তা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যায়। আর অনেক বেশি বয়সের পার্থক্য, যেমন ২০ বছর বা তার বেশি হলে সম্পর্ক টিকে থাকার সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে কম বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে গবেষণাগুলো একই সঙ্গে এটাও স্পষ্ট করে যে, বয়স একমাত্র নির্ধারক বিষয় নয়। সম্পর্কের স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে ব্যক্তিত্ব, যোগাযোগের ধরন, মানসিক মিল, পারিবারিক পরিস্থিতি এবং একে অপরকে বোঝার ক্ষমতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বয়সের ফারাক থাকলেও যদি দুজনের মধ্যে শক্তিশালী বোঝাপড়া ও সম্মান থাকে, তাহলে সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হয়। আবার সমবয়সী হয়েও অনেক সম্পর্ক টেকে না, যদি মানসিক বা মূল্যবোধের অমিল থাকে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, বয়সের ফারাক সম্পর্কের একটি দিক মাত্র, কিন্তু সম্পর্ক টিকে থাকার মূল ভিত্তি হলো পারস্পরিক বোঝাপড়া ও মানসিক সংযোগ।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস