logo
Advertisement

ঘুমের সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া কেন বিপদের সংকেত হতে পারে

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
ঘুমের সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া কেন বিপদের সংকেত হতে পারে
ছবি: টিভি ৯

ঘুমের মধ্যে মুখ হাঁ করে শ্বাস নেওয়া অনেকের কাছেই স্বাভাবিক একটি বিষয় বলে মনে হয়। বিশেষ করে নাক বন্ধ থাকলে বা সর্দি-অ্যালার্জি হলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়াই যেন সহজ সমাধান। কিন্তু নিয়মিতভাবে, বিশেষ করে ঘুমের সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস থাকলে বিষয়টি একটু গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার।

Advertisement

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া নিজে সবসময় কোনো গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। তবে এটি অনেক সময় নাক দিয়ে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে না পারার ইঙ্গিত হতে পারে। নাক বন্ধ থাকা, অ্যালার্জি, নাকের হাড় বাঁকা, নাকের ভেতরের টিস্যু ফুলে যাওয়া, নাকের পলিপ, টনসিল বা অ্যাডিনয়েড বড় হয়ে যাওয়া এবং স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যায় মানুষ মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে পারেন।

তাই রাতে বারবার মুখ শুকিয়ে যাওয়া, নাক ডাকা বা ঘুমের মধ্যে হাঁ করে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস থাকলে শুধু অভ্যাস ভেবে এড়িয়ে না গিয়ে এর কারণ খুঁজে দেখা ভালো।

নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়া কেন স্বাভাবিক?

আমাদের নাক শুধু বাতাস শরীরে ঢোকানোর পথ নয়। নাকের ভেতরের গঠন বাতাসকে ছেঁকে নেওয়া, আর্দ্র করা এবং শরীরের জন্য উপযোগী করে ফুসফুসে পাঠাতে সাহায্য করে।

নাকের ভেতরের সূক্ষ্ম লোম ও মিউকাস ধুলো, পরাগকণা এবং বিভিন্ন ক্ষুদ্র কণাকে আটকে রাখতে সাহায্য করে। নাকের ভেতরের টিস্যু বাতাসকে আর্দ্র ও উষ্ণ করতেও ভূমিকা রাখে।

এই কারণে স্বাভাবিক অবস্থায় নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়াই শরীরের জন্য সবচেয়ে স্বাভাবিক পদ্ধতি।

মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে কী সমস্যা হতে পারে?

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলোর একটি হলো মুখ শুকিয়ে যাওয়া।

ঘুমের সময় দীর্ঘক্ষণ মুখ খোলা থাকলে লালা দ্রুত শুকিয়ে যেতে পারে। লালা মুখের ভেতর আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি দাঁত ও মাড়িকে সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ফলে নিয়মিত মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস থাকলে মুখের দুর্গন্ধ, দাঁতে ক্যাভিটি ও মাড়ির সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

সকালে ঘুম থেকে উঠে যদি মুখ খুব শুকনো লাগে, গলা খসখসে হয় বা মুখে দুর্গন্ধ থাকে, তাহলে রাতে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া এর একটি কারণ হতে পারে।

নাক ডাকার সঙ্গে সম্পর্ক আছে?

হ্যাঁ, থাকতে পারে। মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া এবং নাক ডাকার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। তবে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়াই যে সবসময় নাক ডাকার মূল কারণ, তা নয়।

নাক বন্ধ থাকা বা ওপরের শ্বাসনালির কোনো বাধার কারণে কেউ নাক দিয়ে ঠিকমতো শ্বাস নিতে না পারলে ঘুমের সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া শুরু করতে পারেন। একই সঙ্গে এই ধরনের শ্বাসনালির সমস্যার কারণে নাক ডাকার প্রবণতাও বাড়তে পারে।

তাই নিয়মিত নাক ডাকার সঙ্গে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া থাকলে সমস্যাটির মূল কারণ খুঁজে দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া কি স্লিপ অ্যাপনিয়ার লক্ষণ?

কখনো কখনো হতে পারে।

Obstructive sleep apnea বা OSA হলো এমন একটি ঘুমের সমস্যা, যেখানে ঘুমের সময় ওপরের শ্বাসনালি বারবার আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এতে কয়েক সেকেন্ডের জন্য শ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে এবং ঘুম বারবার ভেঙে যেতে পারে।

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া স্লিপ অ্যাপনিয়ার একটি সম্ভাব্য লক্ষণ বা এর সঙ্গে যুক্ত বিষয় হতে পারে। তবে মুখ দিয়ে শ্বাস নিলেই স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে, এমন নয়।

স্লিপ অ্যাপনিয়ার ক্ষেত্রে সাধারণত জোরে নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া বা হাঁসফাঁস করা, সকালে মাথাব্যথা এবং দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাবের মতো লক্ষণ দেখা যেতে পারে।

সকালে ঘুম থেকে উঠে ক্লান্ত লাগে?

রাতে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া যদি কোনো ঘুমের সমস্যার সঙ্গে যুক্ত হয়, তাহলে ঘুমের মান খারাপ হতে পারে। বিশেষ করে স্লিপ অ্যাপনিয়া থাকলে ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাসে বাধা তৈরি হওয়ায় ঘুম স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হয় না।

এর ফলে দিনের বেলা ক্লান্তি, ঘুমঘুম ভাব বা মনোযোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

তবে সকালে ক্লান্ত লাগলেই মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়াকে কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। কম ঘুম, মানসিক চাপ, রক্তস্বল্পতা, থাইরয়েডের সমস্যা এবং আরও অনেক কারণেও দিনের বেলা ক্লান্তি থাকতে পারে।

দাঁত ও মাড়ির ওপর কী প্রভাব পড়ে?

মুখের ভেতর লালা দাঁত ও মাড়িকে সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দীর্ঘসময় মুখ শুকিয়ে থাকলে এই সুরক্ষা কমে যেতে পারে।

নিয়মিত মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, দুর্গন্ধ, দাঁতে ক্যাভিটি এবং মাড়ির সমস্যার সম্পর্ক পাওয়া যায়।

তাই প্রতিদিন সকালে মুখ শুকনো ও দুর্গন্ধযুক্ত নিয়ে ঘুম থেকে উঠলে শুধু দাঁত পরিষ্কার করার দিকে নজর না দিয়ে রাতে কীভাবে শ্বাস নিচ্ছেন, সেটিও খেয়াল করা ভালো।

গলা শুকিয়ে যায় কেন?

নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সময় বাতাস নাকের ভেতর দিয়ে যাওয়ার কারণে আর্দ্র ও উষ্ণ হয়। কিন্তু মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সময় এই প্রক্রিয়াটি একইভাবে হয় না।

ফলে রাতে দীর্ঘসময় মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে সকালে গলা শুকনো, খসখসে বা অস্বস্তিকর লাগতে পারে।

বিশেষ করে ঘরের বাতাস খুব শুষ্ক হলে এই সমস্যা আরও বেশি অনুভূত হতে পারে।

শিশুদের ক্ষেত্রে বিষয়টি কেন বেশি গুরুত্বপূর্ণ?

শিশু নিয়মিত মুখ দিয়ে শ্বাস নিলে বিষয়টি অবহেলা না করাই ভালো।

শিশুদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সঙ্গে নাক বন্ধ থাকা, বড় টনসিল বা অ্যাডিনয়েড, অ্যালার্জি এবং ঘুমের শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যার সম্পর্ক থাকতে পারে।

ঘুমের সমস্যা দীর্ঘদিন চলতে থাকলে শিশুর আচরণ, মনোযোগ, শেখার ক্ষমতা এবং দৈনন্দিন কার্যক্রমেও প্রভাব পড়তে পারে।

শিশু নিয়মিত নাক ডাকে, ঘুমের মধ্যে মুখ হাঁ করে থাকে, শ্বাস নিতে কষ্ট হয় বা ঘুমের মধ্যে বারবার নড়াচড়া করে, তাহলে শিশু বিশেষজ্ঞ বা নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার প্রধান কারণ কী?

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া অনেক সময় নিজে কোনো সমস্যা নয়, বরং অন্য একটি সমস্যার ফল।

সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে-

  • সর্দি বা নাক বন্ধ থাকা
  • অ্যালার্জি
  • দীর্ঘস্থায়ী সাইনাসের সমস্যা
  • নাকের হাড় বাঁকা বা deviated septum
  • নাকের ভেতরের টিস্যু ফুলে যাওয়া
  • নাকে পলিপ
  • টনসিল বা অ্যাডিনয়েড বড় হয়ে যাওয়া
  • ঘুমের সময় শ্বাসনালির সমস্যা
  • স্লিপ অ্যাপনিয়া

এসব কারণে নাক দিয়ে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল না করলে শরীর স্বাভাবিকভাবেই বিকল্প পথ হিসেবে মুখ ব্যবহার করতে পারে।

নাক বন্ধ থাকলে কী করবেন?

নাক বন্ধ হওয়ার কারণ বুঝে চিকিৎসা করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সর্দি বা অ্যালার্জির কারণে সাময়িকভাবে নাক বন্ধ হলে সমস্যা কমে গেলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়াও কমে যেতে পারে। কিন্তু নাক প্রায়ই বন্ধ থাকে বা দীর্ঘদিন নাক দিয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, তাহলে কারণটি চিকিৎসকের মাধ্যমে খুঁজে দেখা দরকার।

নিজের ইচ্ছায় দীর্ঘদিন নাক খোলার ওষুধ ব্যবহার করাও ঠিক নয়।

ঘুমের সময় মুখে টেপ লাগাবেন?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে mouth taping বা ঘুমের সময় মুখে টেপ লাগানোর প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর উদ্দেশ্য হলো মুখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে বাধ্য করা।

কিন্তু এটি সবার জন্য নিরাপদ নয়। বিশেষ করে নাক বন্ধ থাকা, নাক ডাকা বা স্লিপ অ্যাপনিয়া থাকলে মুখে টেপ লাগিয়ে ঘুমানো ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এতে শ্বাস নেওয়ার সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

তাই মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার সমস্যার সমাধান হিসেবে নিজের ইচ্ছায় রাতে মুখে টেপ লাগানো উচিত নয়।


মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া কি রক্তে অক্সিজেন কমিয়ে দেয়?

এখানেও একটু সতর্ক থাকা দরকার।

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া মানেই শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি তৈরি হবে, এমন সরল সিদ্ধান্ত ঠিক নয়। শরীর প্রয়োজন অনুযায়ী মুখ দিয়েও বাতাস গ্রহণ করতে পারে।

সমস্যা তৈরি হতে পারে যখন মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া কোনো অন্তর্নিহিত শ্বাসনালির সমস্যা বা স্লিপ অ্যাপনিয়ার সঙ্গে যুক্ত থাকে। তখন ঘুমের মধ্যে বারবার শ্বাসে বাধা তৈরি হয়ে রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমতে পারে।

তাই শুধু মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার ওপর ভিত্তি করে রক্তে অক্সিজেন কমে গেছে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

হার্টের ওপর কি চাপ পড়ে?

সরাসরি মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়াকে হার্টের রোগের কারণ বলা ঠিক নয়।

তবে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া যদি স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো ঘুমের শ্বাসজনিত সমস্যার অংশ হয়, তাহলে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। চিকিৎসা না করা obstructive sleep apnea উচ্চ রক্তচাপসহ হৃদ্‌যন্ত্র ও রক্তনালির বিভিন্ন সমস্যার ঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত।

অর্থাৎ মূল সমস্যা অনেক সময় মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়া নয়, বরং কেন রাতে স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নেওয়া যাচ্ছে না, সেটি।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

নিচের যেকোনো সমস্যা নিয়মিত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো-

  • প্রতিদিন রাতে মুখ হাঁ করে ঘুমানো
  • জোরে নাক ডাকা
  • ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা
  • ঘুমের মধ্যে হাঁসফাঁস বা দম বন্ধ লাগা
  • সকালে প্রচণ্ড মুখ শুকিয়ে যাওয়া
  • সকালে মাথাব্যথা
  • পর্যাপ্ত ঘুমের পরও দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুম পাওয়া
  • নাক দিয়ে দীর্ঘদিন শ্বাস নিতে সমস্যা
  • শিশুর ঘুমের মধ্যে মুখ খোলা থাকা ও নাক ডাকা

প্রয়োজনে চিকিৎসক নাক, গলা ও শ্বাসনালির পরীক্ষা করতে পারেন। স্লিপ অ্যাপনিয়ার সন্দেহ থাকলে ঘুমের পরীক্ষা বা sleep study-ও প্রয়োজন হতে পারে।

নাক দিয়ে শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস কীভাবে বজায় রাখবেন?

প্রথমে দেখতে হবে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে সমস্যা হচ্ছে কি না।

নাক বন্ধ থাকলে তার কারণের চিকিৎসা করতে হবে। অ্যালার্জি থাকলে সেটি নিয়ন্ত্রণ করা, ধূমপান ও ধোঁয়া এড়িয়ে চলা এবং ঘুমের পরিবেশ আরামদায়ক রাখা উপকারী হতে পারে।

নিয়মিত নাক ডাকা বা ঘুমের মধ্যে শ্বাসকষ্ট থাকলে শুধু অভ্যাস পরিবর্তনের চেষ্টা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ঘুমের মধ্যে মুখ হাঁ করে শ্বাস নেওয়াকে সবসময় ভয় পাওয়ার কারণ নেই। সাময়িক নাক বন্ধ হওয়া, সর্দি বা অ্যালার্জির কারণে এমন হতে পারে। কিন্তু এটি যদি নিয়মিত হয়, তাহলে কেন হচ্ছে সেটি খুঁজে দেখা দরকার।

মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার ফলে মুখ শুকিয়ে যাওয়া, দুর্গন্ধ ও দাঁত-মাড়ির সমস্যার ঝুঁকি বাড়তে পারে। আবার এটি নাকের বাধা বা স্লিপ অ্যাপনিয়ার মতো সমস্যার সঙ্গেও যুক্ত থাকতে পারে।

বিশেষ করে জোরে নাক ডাকা, ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়া, হাঁসফাঁস করা বা দিনের বেলা অতিরিক্ত ঘুমঘুম ভাব থাকলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। মুখে টেপ লাগিয়ে সমস্যাটি চাপা দেওয়ার বদলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার আসল কারণ খুঁজে চিকিৎসা করাই নিরাপদ।

সূত্র: টিভি ৯