logo

গাজায় ফিলিস্তিনি নিখোঁজের সংখ্যা কত, জানাল বিচার মন্ত্রণালয়

টিআরটি ওয়ার্ল্ড
টিআরটি ওয়ার্ল্ড
গাজায় ফিলিস্তিনি নিখোঁজের সংখ্যা কত, জানাল বিচার মন্ত্রণালয়
ইসরায়েলি হামলায় গাজার ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজদের সন্ধান করছেন ফিলিস্তিনিরা। ছবি: পিবিএস নিউজ

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি হামলায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৩ হাজার ৪৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘাতে হতাহতের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি। এ পর্যন্ত ১১ হাজার ২০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।

Advertisement

ফিলিস্তিনি বিচার মন্ত্রণালয়ের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিখোঁজের এই বিরাট তালিকার মধ্যে বোমাবর্ষণে ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনের নিচে চাপা পড়ে থাকা ব্যক্তি, এলাকাভিত্তিক সামরিক হামলা ও জোরপূর্বক স্থানান্তরের সময় হারিয়ে যাওয়া মানুষ এবং ইসরায়েলি হেফাজতে নেওয়ার পর ‘বলপূর্বক গুমের’ শিকার হওয়া হাজার হাজার ফিলিস্তিনি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

গত ৩০ আগস্ট ফিলিস্তিনি বন্দিদের অধিকার রক্ষাসংক্রান্ত সংগঠনগুলো জানিয়েছে, গাজা থেকে আটককৃতদের নাম, আটক রাখার স্থান ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কিত তথ্য প্রকাশে শুরু থেকেই অস্বীকার করে আসছে ইসরায়েল। একই সঙ্গে আটক ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে তাদের পরিবার, আইনজীবী কিংবা স্বাধীন মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে কোনো ধরনের যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না।

বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ তুলে ধরে বলেছে, হেফাজতে মারা যাওয়া ফিলিস্তিনিদের মরদেহ ছাড়াও মর্গে এবং তথাকথিত ‘সংখ্যার কবরস্থানে’ রাখা অন্যান্য ফিলিস্তিনিদের দেহাবশেষ হস্তান্তর না করে আটকে রাখা হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি বিচার মন্ত্রণালয়ের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরুর পর থেকে নিখোঁজ বা বলপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৪ হাজার ৭০০ জনই নারী ও শিশু। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, যে কোনো পরিস্থিতিতে ‘বলপূর্বক অন্তর্ধান’ বা গুম সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে সুনির্দিষ্টভাবে এবং পরিকল্পিত উপায়ে এ ধরনের ঘটনা ঘটানো মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।