বাংলাদেশ-ভারতের যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর উদ্যোগ

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধ থাকা আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা করতে যাচ্ছে দুই দেশ। ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া দুই দিনের আন্তঃসরকারি রেলওয়ে বৈঠকে মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস ও মিতালী এক্সপ্রেস পুনরায় চালুর বিষয়টি গুরুত্ব পেতে পারে।
বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে তিনটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালুর বিষয়ে আলোচনা হবে। বাংলাদেশ রেলওয়ের এক কর্মকর্তা পিটিআইকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২০২৪ সালে গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় নয় মাস বন্ধ থাকার পর গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে দুই দেশের মধ্যে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল পুনরায় শুরু হলেও যাত্রীবাহী ট্রেন এখনো চালু হয়নি।
বৈঠকে বাংলাদেশ নতুন একটি আন্তঃদেশীয় রেলপথ চালুর প্রস্তাবও দিতে পারে। প্রস্তাবিত রুটে রাজশাহীকে কলকাতার সঙ্গে যুক্ত করার কথা রয়েছে। পাশাপাশি ঢাকা-কলকাতা রুটের মৈত্রী এক্সপ্রেসকে যমুনা সেতুর পরিবর্তে নতুন নির্মিত পদ্মা সেতু হয়ে চালানোর বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।
পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে দুই দেশ ঐকমত্যে পৌঁছালে আগামী মাসের শুরুতেই তিনটি আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন পুনরায় চালু হতে পারে। তবে ট্রেন চলাচল শুরু করতে হলে উভয় দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।
কোন ট্রেন কোন রুটে
মৈত্রী এক্সপ্রেস: ঢাকা-কলকাতা রুটে চলাচল করে।
বন্ধন এক্সপ্রেস: খুলনা-কলকাতা রুটে চলাচল করে।
মিতালী এক্সপ্রেস: ঢাকা-নিউ জলপাইগুড়ি রুটে চলাচল করত।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের পর মৈত্রী ও বন্ধন এক্সপ্রেসের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শুরুতে সাময়িকভাবে ট্রেন দুটির চলাচল স্থগিতের কথা বলা হলেও পরে তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা হয়।
অন্যদিকে, মিতালী এক্সপ্রেস সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই ঢাকা থেকে যাত্রা করেছিল। তবে ট্রেনটি এরপর আর ভারতে ফিরে যায়নি বলে রেলওয়ের কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে পিটিআই।
