logo

জ্যোতির্বিজ্ঞানের কেন্দ্র থেকে গণ-আন্দোলনের মঞ্চ, যন্তর মন্তরের ইতিহাস

বিবিসি বাংলা
বিবিসি বাংলা
জ্যোতির্বিজ্ঞানের কেন্দ্র থেকে গণ-আন্দোলনের মঞ্চ, যন্তর মন্তরের ইতিহাস
যন্তর মন্তর মানমন্দিরের জ্যামিতিক যন্ত্রগুলো সময় পরিমাপ করতে, সূর্যগ্রহণের পূর্বাভাস দিতে এবং মহাজাগতিক বস্তুসমূহের অবস্থান নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হতো। ছবি: বিবিসি বাংলা

জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব-নিকাশের জন্য ১৭২৪ সালে নির্মিত দিল্লির যন্তর মন্তর আজ ভারতের গণ-আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। কৃষক, নারী, শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী থেকে শুরু করে সেনা ও ক্রীড়াবিদ—বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বছরের পর বছর ধরে এখানে ন্যায়বিচার ও অধিকার আদায়ের দাবিতে সমবেত হয়েছেন। ২০২৬ সালে জেন-জি আন্দোলনের নতুন আবহে সেই ঐতিহাসিক স্থান আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

দিল্লির কনট প্লেসের ঔপনিবেশিক স্থাপত্য পেরিয়ে সূর্যের আলো যখন যন্তর মন্তরের লাল পাথরের কাঠামোয় এসে পড়ে, তখন সেখানে সময় পরিমাপের প্রাচীন বৈজ্ঞানিক ইতিহাস যেন জীবন্ত হয়ে ওঠে। একসময় সূর্য ও মহাজাগতিক বস্তুর অবস্থান নির্ণয়ের কাজে ব্যবহৃত এই স্থাপনা এখন আরও একটি পরিচয়ে পরিচিত—এটি সাধারণ মানুষের দাবি ও প্রতিবাদের মঞ্চ।

সংসদ ভবনের কাছাকাছি পার্লামেন্ট স্ট্রিটের এই এলাকায় বছরের পর বছর ধরে মানুষ অনশন করেছেন, বিক্ষোভ দেখিয়েছেন এবং সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছেন। কারও দাবি চাকরি, কারও ন্যায়বিচার, আবার কারও সংগ্রাম জমি, জীবিকা কিংবা সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে।

সাম্প্রতিক সময়ে তরুণদের আন্দোলন এবং অনলাইনে তৈরি হওয়া ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার ধারাও এই ঐতিহাসিক প্রতিবাদস্থলকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগকে কেন্দ্র করে যে প্রতিক্রিয়ার কথা উঠে এসেছে, তা তরুণদের রাজনৈতিক অসন্তোষের নতুন প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের কেন্দ্র থেকে গণ-আন্দোলনের মঞ্চ

মহারাজা সওয়াই জয় সিং দ্বিতীয়ের উদ্যোগে নির্মিত যন্তর মন্তরের মূল উদ্দেশ্য ছিল জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক পর্যবেক্ষণ। এর বিশাল জ্যামিতিক কাঠামোগুলোর সাহায্যে সূর্য ও অন্যান্য মহাজাগতিক বস্তুর অবস্থান এবং সময় নির্ণয় করা যেত।

কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে স্থানটির সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচয়ও গড়ে ওঠে। আজ যন্তর মন্তর শুধু একটি ঐতিহাসিক স্থাপত্য নয়; স্বাধীন ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার সাক্ষী।

নর্মদা উপত্যকার বাস্তুচ্যুত মানুষ, খরা ও ঋণে বিপর্যস্ত কৃষক, নারী অধিকারকর্মী, সরকারি চাকরিপ্রার্থী, শিক্ষক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী এবং অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য—বিভিন্ন সময়ে এখানে সমবেত হয়েছেন। সংগঠিত আন্দোলনের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ক্ষোভ ও বঞ্চনার কথাও এখানে প্রকাশ পেয়েছে।

তাই যন্তর মন্তরে বিক্ষোভকারীদের উপস্থিতিকে অনেকে নাগরিক ও রাষ্ট্রের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক হিসেবে দেখেন। বিশেষ করে তরুণেরা যখন চাকরি, পরীক্ষা কিংবা ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন সেই দাবি শুধু কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযোগে সীমাবদ্ধ থাকে না; তা বৃহত্তর সামাজিক ও প্রশাসনিক সমস্যাকেও সামনে নিয়ে আসে।

বোট ক্লাব থেকে যন্তর মন্তর

একসময় দিল্লির রাজপথের কাছাকাছি বোট ক্লাবের লন ছিল বড় ধরনের রাজনৈতিক সমাবেশের অন্যতম প্রধান স্থান। সংসদ ভবন, রাষ্ট্রপতি ভবন এবং কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক ভবনগুলোর নিকটবর্তী হওয়ায় এলাকাটি প্রতিবাদের জন্য বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল।

১৯৮৮ সালে কৃষক নেতা মহেন্দ্র সিং টিকাইতের নেতৃত্বে হাজার হাজার কৃষক সেখানে অবস্থান নেন। তারা তাঁবু স্থাপন করেন, রান্নাবান্না করেন এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান চালিয়ে যান। আন্দোলনের ব্যাপকতা প্রশাসনের ওপর উল্লেখযোগ্য চাপ সৃষ্টি করেছিল।

১৯৯০-এর দশকে রাজনৈতিক উত্তেজনা ও জনসমাবেশ নিয়ন্ত্রণের প্রেক্ষাপটে রাজপথের ওই এলাকায় প্রতিবাদের সুযোগ সীমিত হতে থাকে। এর পরিপ্রেক্ষিতে যন্তর মন্তর ধীরে ধীরে বিকল্প প্রতিবাদস্থল হিসেবে গুরুত্ব পায়। সংসদের কাছাকাছি হওয়ায় এখানে আন্দোলনকারীরা নিজেদের দাবি তুলে ধরতে পারতেন, আবার প্রশাসনের পক্ষেও সমাবেশ নিয়ন্ত্রণ করা তুলনামূলক সহজ ছিল।

যন্তর মন্তরের স্থাপত্যে বিজ্ঞানের ছাপ

যন্তর মন্তরের স্বাতন্ত্র্য এর স্থাপত্য ও বৈজ্ঞানিক নকশায়। লেখক পল লুন্ডে তাঁর ‘জয়সিংহ অ্যান্ড দ্য যন্তর মন্তর’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, ইউরোপে জ্যোতির্বিজ্ঞান নিয়ে ধর্মীয় বিতর্ক চলার সময়েও সওয়াই জয় সিং পর্যবেক্ষণভিত্তিক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় আগ্রহী ছিলেন।

স্থাপত্য ও ইতিহাসবিষয়ক গবেষক অনীশা শেখর মুখার্জির মতে, যন্তর মন্তরের কাঠামোগুলো দেখতে বিমূর্ত ভাস্কর্যের মতো হলেও সেগুলো নির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক উদ্দেশ্যে নকশা করা হয়েছিল। খালি চোখে মহাজাগতিক বস্তুর অবস্থান ও সময় নির্ণয়ের জন্য প্রতিটি স্থাপনার নিজস্ব ভূমিকা ছিল।

কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য, শিল্প ও পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক এমেরিটাস ব্যারি পার্লাসও তাঁর ‘সেলেস্টিয়াল মিরর: দ্য অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অবজারভেটরিজ অব জয় সিং’ বইয়ে যন্তর মন্তরের জ্যামিতিক কাঠামোর বিশেষত্ব তুলে ধরেছেন।

বর্তমানে এই স্থানের একটি ভিন্ন তাৎপর্যও তৈরি হয়েছে। একসময় যে কাঠামো আকাশের গতিবিধি পরিমাপ করত, তার পাশেই এখন মানুষ রাষ্ট্রের সঙ্গে নাগরিকের সম্পর্ক, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

স্বাধীন ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে যন্তর মন্তর

যন্তর মন্তর শুরু থেকেই প্রতিবাদের জন্য নির্মিত হয়নি। স্বাধীনতার পর দিল্লিতে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিস্তার এবং নাগরিক আন্দোলনের বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে স্থানটি নতুন ভূমিকা পায়।

ইতিহাস গবেষক হারলিন কাউরের গবেষণায় পার্লামেন্ট স্ট্রিট, বোট ক্লাব, রামলীলা ময়দান ও যন্তর মন্তরের মতো স্থানকে জনপরিসরের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়েছে। এসব স্থানে মানুষের সমবেত উপস্থিতিই এগুলোকে রাজনৈতিক তাৎপর্য দিয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি অনুমতি, নিষেধাজ্ঞা ও পুলিশের নিয়ন্ত্রণও প্রতিবাদের পরিসর নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছে।

দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক পুষ্পাঞ্জলি ঝার একটি সমীক্ষায় পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার নথির ভিত্তিতে দেখা যায়, ২০০৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১০ সালের আগস্ট পর্যন্ত যন্তর মন্তরে অন্তত ১৩ হাজার ১১৮টি ধর্না এবং পাঁচ হাজার ৪৯১টি বিক্ষোভ, সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১০ সালের প্রথম আট মাসেই বিভিন্ন বিক্ষোভে প্রায় দেড় লাখ মানুষ অংশ নেন। একই সময়ে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১২ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

এই পরিসংখ্যান দেখায়, যন্তর মন্তর কেবল বড় রাজনৈতিক আন্দোলনের ক্ষেত্র ছিল না; দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছোট ছোট জনগোষ্ঠীও নিজেদের দাবি জানাতে নিয়মিত এখানে আসত।

যেসব আন্দোলন যন্তর মন্তরকে বিশেষ পরিচিতি দিয়েছে

যন্তর মন্তরের রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝার জন্য ভারতের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য গণআন্দোলনের দিকে তাকানো জরুরি।

নর্মদা বাঁচাও আন্দোলন: ১৯৯০-এর দশকে মেধা পাটকরসহ আন্দোলনকারীরা বড় বাঁধ নির্মাণের কারণে বাস্তুচ্যুতি, আদিবাসীদের অধিকার এবং পুনর্বাসনের সংকট তুলে ধরেন। নর্মদা উপত্যকার মানুষের অভিজ্ঞতা তাঁরা রাজধানীর রাজনৈতিক আলোচনায় নিয়ে আসেন।

আন্না হাজারের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন: ২০১১ সালের ৫ এপ্রিল শুরু হওয়া অনশন ও আন্দোলন দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে। সাদা গান্ধী টুপি, জাতীয় পতাকা এবং ‘আমি আন্না’ স্লোগান আন্দোলনটির পরিচিত প্রতীকে পরিণত হয়।

নারী নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ: ২০১২ সালের ডিসেম্বরে দিল্লিতে এক তরুণীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার পর ইন্ডিয়া গেট, রাইসিনা হিল ও যন্তর মন্তরসহ বিভিন্ন স্থানে মানুষ প্রতিবাদে অংশ নেন। নারী নিরাপত্তা ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা জোরদার হয়।

‘এক পদ, এক পেনশন’ আন্দোলন: ২০১৫ সালে সাবেক সেনাসদস্যরা অবসরভাতার সমতার দাবিতে দীর্ঘদিন অবস্থান করেন। তাঁদের আন্দোলন সাবেক সামরিক কর্মীদের আর্থিক অধিকার নিয়ে বিতর্ককে সামনে আনে।

তামিলনাড়ুর কৃষকদের বিক্ষোভ: ২০১৭ সালে খরা, ঋণ ও কৃষিসংকটের প্রতিবাদে তামিলনাড়ুর কৃষকেরা দিল্লিতে সমবেত হন। তাঁদের ব্যতিক্রমী প্রতিবাদ কর্মসূচি জাতীয় গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

এসব আন্দোলনের ধরন ও দাবি আলাদা হলেও একটি বিষয় ছিল অভিন্ন—প্রান্তিক বা উপেক্ষিত মানুষের বক্তব্যকে দেশের রাজনৈতিক কেন্দ্রের সামনে তুলে ধরা।

প্রতিবাদের অধিকার ও নাগরিক জীবনের ভারসাম্য

যন্তর মন্তরে দীর্ঘস্থায়ী বিক্ষোভ নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। স্থানীয় বাসিন্দারা লাউডস্পিকারের শব্দ, যান চলাচলে বাধা, অস্থায়ী কাঠামো এবং দীর্ঘ সময় ধরে অবস্থানের কারণে দৈনন্দিন জীবনে বিঘ্নের অভিযোগ করেছেন।

২০১৭ সালে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনাল পরিবেশগত ও নাগরিক অসুবিধার কথা উল্লেখ করে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ বন্ধের নির্দেশ দেয় এবং রামলীলা ময়দানকে বিকল্প স্থান হিসেবে নির্ধারণ করে। পরে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।

২০১৮ সালের ২৩ জুলাই ‘মজদুর কিষাণ শক্তি সংগঠন বনাম ভারত সরকার’ মামলায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশের সাংবিধানিক অধিকার এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।

এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন: নাগরিকেরা কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দাবি জানাবেন এবং একই সঙ্গে অন্য নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা কীভাবে সুরক্ষিত থাকবে?

জেন-জির আন্দোলনে পুরোনো প্রতিবাদস্থলের নতুন তাৎপর্য

ডিজিটাল মাধ্যম এখন রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ ও সংগঠিত হওয়ার বড় ক্ষেত্র। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ব্যঙ্গ, প্রতিবাদী বার্তা ও অনলাইন প্রচারণা অল্প সময়ে বহু মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে। তবে সরাসরি রাস্তায় উপস্থিত হয়ে দাবি জানানো এখনও আলাদা রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করে।

যন্তর মন্তরের ইতিহাস সেই পার্থক্যকে স্পষ্ট করে। এখানে মানুষের উপস্থিতি কেবল একটি বক্তব্য প্রকাশ করে না; বরং দাবি আদায়ের জন্য ব্যয় করা সময়, সহ্য করা অসুবিধা এবং সম্মিলিতভাবে দৃশ্যমান হওয়ার প্রচেষ্টাকেও তুলে ধরে।

সুতরাং, ১৭২৪ সালে নির্মিত এই মানমন্দিরের পরিচয় আজ আর শুধু জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাসে সীমাবদ্ধ নেই। এর লাল পাথরের কাঠামোর পাশে ভারতের বহু প্রজন্ম তাদের অধিকার, ভবিষ্যৎ ও ন্যায়বিচার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

জেন-জির নতুন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে যন্তর মন্তরের গুরুত্বও সেই ধারাবাহিকতার অংশ। আকাশের গতিবিধি পরিমাপের জন্য তৈরি এই স্থান এখন ভারতের গণতান্ত্রিক পরিসরে নাগরিক ও রাষ্ট্রের দূরত্ব, প্রত্যাশা এবং জবাবদিহি নিয়ে চলমান বিতর্কের একটি প্রতীক হয়ে উঠেছে।