রাশেদ খানের অভিযোগের প্রশ্নে কী বললেন জয়সওয়াল

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ বিষয়ে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। যার কোনোটির উত্তর দিয়েছেন আবার কোনোটি এড়িয়ে গেছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।
মঙ্গলবারের (৩ নভেম্বর) ব্রিফিংয়ে ভিনিতা নামের এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোহাম্মদ রাশেদ খাঁনের একটি বক্তব্য দেখেছি। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। তার দাবি, এসব সংস্থার কর্মকর্তারা জামায়াতের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেছেন। একই সঙ্গে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে অভ্যুত্থান ঘটানোর পরিকল্পনা করছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অবস্থান কী?
ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি প্রশ্নকারীকে বলেন, ‘আপনি যে বিষয়টি জানতে চাচ্ছেন সে বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।’
সংবাদ সম্মেলনে আরেক প্রশ্নে বাংলাদেশে চলমান অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এবং পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের ওপর ভারত নিবিড়ভাবে নজর রাখছে বলেও জানান তিনি। রণধীর জয়সওয়াল বলেন, আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে আসছি। সেখানে বিভিন্ন ঘটনা ঘটেছে। আমরা সেগুলোর ওপর নজর রাখছি।
তিনি বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই।
দ্বিপাক্ষিক পানি ব্যবস্থাপনা, বিশেষ করে গঙ্গা পানি চুক্তি প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, যৌথ পানিসম্পদ সংক্রান্ত যে কোনো আলোচনা প্রতিষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক পদ্ধতির মাধ্যমেই পরিচালিত হবে। আমি আগেও যেমন বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আমাদের একটি যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। সেটিই গঙ্গাসহ সব আন্তঃসীমান্ত নদী নিয়ে আলোচনার কাঠামোগত ব্যবস্থা।
তিনি আরও বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ বিষয়ে কোনো নতুন তথ্য পেলে জানানো হবে।