ইসরায়েলের নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। দেশটির ইতিহাসে ৫০ বছরের মধ্যে এ নির্বাচনে সর্বোচ্চ ভোটার উপস্থিতি হয়। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর জোট ও সাবেক সেনাপ্রধান আইজেনকোটের বিরোধী জোটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর পরিস্থিতি নাটকীয় মোড় নেওয়ার বিষয় উঠে আসে বুথ ফেরত প্রাথমিক জরিপে। প্রধান দুই জোটই ৫১টি করে আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে কোনো জোটই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের অবস্থানে নেই। প্রথম দিকে বিরোধী জোট এগিয়ে থাকলেও সবশেষ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট ঘুরে দাঁড়িয়েছে।


ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। ছবি: ওয়াইনেট
ইসরায়েলের নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকারের মন্ত্রীসভায় বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরকে পুনরায় রাখতে চান না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচকেও সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ট্রাম্পের আপত্তি থাকতে বলে তার ঘনিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তার সহযোগীদের মাধ্যমে ইসরায়েলের নির্বাচন পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছেন। নেতানিয়াহুর পরবর্তী সরকারে বেন-গভির ও সম্ভবত স্মোট্রিচকে দেখতে চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্রগুলোর দাবি, ওয়াশিংটন বেন-গভিরের সরকারে অংশগ্রহণকে অগ্রহণযোগ্য মনে করছে। এতে নেতানিয়াহুর বর্তমান ডানপন্থি জোট ধরে রাখার প্রচেষ্টা জটিল হয়ে উঠতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বৃহত্তর ঐক্য সরকার গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমঝোতা হয়নি।
এর আগে ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ আরভিং সি. শোয়ার্টজের একটি বিবৃতি শেয়ার করেছিলেন। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন তার বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
নির্বাচনের আংশিক ফলে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর জোট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তবে ৫৪টি আসন পাওয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে তারা বেশ দূরে রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী দল ও আরব দলগুলোর আসনসংখ্যা মিলিয়ে ৬৬টি।

ইসরায়েলের জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভির। ছবি: ওয়াইনেট
ইসরায়েলের নির্বাচন পরবর্তী নতুন সরকারের মন্ত্রীসভায় বর্তমান জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরকে পুনরায় রাখতে চান না যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমনকি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচকেও সরকারে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে ট্রাম্পের আপত্তি থাকতে বলে তার ঘনিষ্ট সূত্রের বরাতে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প তার সহযোগীদের মাধ্যমে ইসরায়েলের নির্বাচন পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখছেন। নেতানিয়াহুর পরবর্তী সরকারে বেন-গভির ও সম্ভবত স্মোট্রিচকে দেখতে চান না মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
সূত্রগুলোর দাবি, ওয়াশিংটন বেন-গভিরের সরকারে অংশগ্রহণকে অগ্রহণযোগ্য মনে করছে। এতে নেতানিয়াহুর বর্তমান ডানপন্থি জোট ধরে রাখার প্রচেষ্টা জটিল হয়ে উঠতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বৃহত্তর ঐক্য সরকার গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ দেওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সমঝোতা হয়নি।
এর আগে ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ আরভিং সি. শোয়ার্টজের একটি বিবৃতি শেয়ার করেছিলেন। ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন তার বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক পরিস্থিতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে।
নির্বাচনের আংশিক ফলে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর জোট প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তবে ৫৪টি আসন পাওয়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন থেকে তারা বেশ দূরে রয়েছে। অন্যদিকে, বিরোধী দল ও আরব দলগুলোর আসনসংখ্যা মিলিয়ে ৬৬টি।
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফিলিস্তিনি মুসলিম নাগরিকদের ভোটদানের হাতর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টরপন্থি জোট ও গাদি আইনজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট উভয় পক্ষই সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রকাশিত সমীক্ষায় দেখা যায়, ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের (ম্যাজিক ফিগার) বিপরীতে নেতানিয়াহুর জোট ৫০টি আসন এবং বিরোধী জোট ৫৩টি আসন পেতে পারে।
ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল জয়েন্ট লিস্ট ও রাআম যৌথভাবে ১৭টি আসন অর্জন করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই ফলাফলের মাধ্যমে দেশটির পার্লামেন্টে আরব আইনপ্রণেতাদের আসন সংখ্যা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই।
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফিলিস্তিনি মুসলিম নাগরিকদের ভোটদানের হাতর উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কট্টরপন্থি জোট ও গাদি আইনজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট উভয় পক্ষই সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর প্রকাশিত সমীক্ষায় দেখা যায়, ১২০ আসনের নেসেটে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ৬১টি আসনের (ম্যাজিক ফিগার) বিপরীতে নেতানিয়াহুর জোট ৫০টি আসন এবং বিরোধী জোট ৫৩টি আসন পেতে পারে।
ইসরায়েলের ফিলিস্তিনি নাগরিকদের প্রতিনিধিত্বকারী দুটি প্রধান রাজনৈতিক দল জয়েন্ট লিস্ট ও রাআম যৌথভাবে ১৭টি আসন অর্জন করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই ফলাফলের মাধ্যমে দেশটির পার্লামেন্টে আরব আইনপ্রণেতাদের আসন সংখ্যা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই।

ভোটগ্রহণের পরদিন ভোরে জেরুজালেমে নির্বাচনী সমাবেশে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: এএফপি
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনের অর্ধেকেরও বেশি ভোট গণনা শেষে ৫৬টি আসন পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির জোট। গাদি আইনজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৯ ও আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলো পেয়েছে ১৬টি আসন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে হালনাগাদ রিপোর্টে এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদিন সকাল ৭টা ৪৩ মিনিট নাগাদ প্রায় ৫৫.৪ শতাংশ ভোট গণনা শেষে নেতানিয়াহুপন্থি জোট পেয়েছে ৫৬টি আসন। বিরোধী গাদি আইজেনকোটের জোট পেয়েছে ৪৯টি আসন এবং আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোকে পেয়েছে ১৬টি আসন।
কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২৮ লাখ ভোট গণনা করা হয়েছে, যা মোট ভোটের প্রায় ৫৬ শতাংশ। ২০.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ১৬.৭ শতাংশ ভোট নিয়ে আইজেনকোটের ‘ইয়াশার’ পার্টি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ৯ শতাংশ ভোট নিয়ে নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’ জোট তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে কোনো জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন না পাওয়ায় সরকার গঠনের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক বাধ্যবাধ্যকতায় আটকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও দলগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে পর্যাপ্ত আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে সাত দিন সময় পাবে। এবং সবোর্চ্চ ২৮ দিন পাবে। যদিও এতেও সরকার গঠনে ব্যর্থ হয় তাহলে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ভোটগ্রহণের পরদিন ভোরে জেরুজালেমে নির্বাচনী সমাবেশে সমর্থকদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ছবি: এএফপি
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেট নির্বাচনের অর্ধেকেরও বেশি ভোট গণনা শেষে ৫৬টি আসন পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টির জোট। গাদি আইনজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট পেয়েছে ৪৯ ও আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলো পেয়েছে ১৬টি আসন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪৩ মিনিটে হালনাগাদ রিপোর্টে এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি।
সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এদিন সকাল ৭টা ৪৩ মিনিট নাগাদ প্রায় ৫৫.৪ শতাংশ ভোট গণনা শেষে নেতানিয়াহুপন্থি জোট পেয়েছে ৫৬টি আসন। বিরোধী গাদি আইজেনকোটের জোট পেয়েছে ৪৯টি আসন এবং আরব-নেতৃত্বাধীন দলগুলোকে পেয়েছে ১৬টি আসন।
কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ২৮ লাখ ভোট গণনা করা হয়েছে, যা মোট ভোটের প্রায় ৫৬ শতাংশ। ২০.৭ শতাংশ ভোট পেয়ে নেতানিয়াহুর লিকুদ পার্টি সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। ১৬.৭ শতাংশ ভোট নিয়ে আইজেনকোটের ‘ইয়াশার’ পার্টি দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। ৯ শতাংশ ভোট নিয়ে নাফতালি বেনেটের ‘টুগেদার’ জোট তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
এদিকে কোনো জোটই সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন না পাওয়ায় সরকার গঠনের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক বাধ্যবাধ্যকতায় আটকে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও দলগুলো নিজেদের মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে পর্যাপ্ত আসন নিয়ে সরকার গঠন করতে সাত দিন সময় পাবে। এবং সবোর্চ্চ ২৮ দিন পাবে। যদিও এতেও সরকার গঠনে ব্যর্থ হয় তাহলে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।