logo

হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধানকে হত্যার দাবি নেতানিয়াহুর

হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধানকে হত্যার দাবি নেতানিয়াহুর
দক্ষিণ গাজার খান ইউনিসে ২৩ সেপ্টেম্বর ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হওয়া গাড়ির আগুন নেভাচ্ছেন ফিলিস্তিনি দমকলকর্মীরা। ছবি: রয়টার্স

ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান মুহাম্মদ আবু আলওয়ানকে হামলা চালিয়ে হত্যার দাবি করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক্স অ্যাকাউন্টে দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার খান ইউনিসে ইসরয়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) মুহাম্মদ আবু আলওয়ানকে নিমূর্ল করেছে। তিনি হামাসের অর্থ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজের দেওয়া যৌথ বিবৃতিতে আইডিএফ এবং দেশপির অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থার আইএসএ-র প্রশংসা করা হয়েছে। তারা অভিযানটিকে ‘সুনির্দিষ্ট ও নিখুঁত’ বলে অভিহিত করেছেন।

এতে আরও বলা হয়, ‘আমরা হামাসের কমান্ডার ও সদস্যদের খুঁজে বের করা, তাদের অর্থায়নের উৎসগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা এবং তাদের সন্ত্রাসী অবকাঠামো ধ্বংস করার কার্যক্রম অব্যাহত রাখব। হামাসকে তাদের শক্তি পুনর্গঠন করতে দেব না এবং গাজা থেকে হামাসের অস্তিত্ব বিলীন না হওয়া পর্যন্ত আমরা থামব না।

এর আগে নাসের মেডিকেল কমপ্লেক্সের বরাতে জানানো হয়েছিল, খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় একটি গাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন।

নেতানিয়াহুর বিবৃতির ওই হামলাটি সেটিই কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হতে পারেনি সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। এ ছাড়া খান ইউনিসের উত্তরে ইসরায়েলি গুলিবর্ষণে এক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন।

গাজার অন্যত্র, গাজা শহরের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বাস্তুচ্যুতদের একটি শিবিরে ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত হয়েছেন। আল-আকসা মার্টার্স হাসপাতাল জানিয়েছে, বুরেজ শরণার্থীশিবিরে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এক নারী নিহত হয়েছেন। তবে নেতানিয়াহু ও কাটজের বিবৃতিতে এসব ঘটনার বিষয়ে কোনো উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের অক্টোবরে থেকে কার্যকর হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি’র মধ্যে এসব হামলা চালানো হলো। ওই যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, গাজায় যে কোনো ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ রাখতে বাধ্য থাকবে ইসরায়েল। কিন্তু যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর থেকে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।