logo
সরাসরি

ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি তেহরানের

গত সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হামলার পর সংঘাত প্রশমনের যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা নস্যাৎ করে দিয়ে মঙ্গলবারে (১ সেপ্টেম্বর) ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ব্যাপক মাত্রার যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ১৯ পিএম
বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি তেহরানের
বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি তেহরানের

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। কুয়েতও জানিয়েছে, ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

বুধবার ভোরের এসব হামলা এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের পাল্টাপাল্টি সামরিক সংঘর্ষ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) মার্কিন সেনা ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার চেষ্টা করার পর ইরানের বিভিন্ন ‘সামরিক স্থাপনায়’ হামলা চালানো হয়।

সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, সামুদ্রিক সামরিক সরঞ্জাম, মাইন পেতে সক্ষমতা এবং যোগাযোগ অবকাঠামো।

ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, সিরিক, কোনারাক, বন্দর আব্বাস, জাস্ক, আসালুয়েহ, আহভাজ এবং কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ১৯ পিএম
বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি তেহরানের
বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি তেহরানের

হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনার মধ্যেই দক্ষিণ ইরানে নতুন করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর জবাবে বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইরান। কুয়েতও জানিয়েছে, ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র মোকাবিলায় তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।

বুধবার ভোরের এসব হামলা এক মাসেরও বেশি সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সবচেয়ে বড় ধরনের পাল্টাপাল্টি সামরিক সংঘর্ষ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) মার্কিন সেনা ও বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার চেষ্টা করার পর ইরানের বিভিন্ন ‘সামরিক স্থাপনায়’ হামলা চালানো হয়।

সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে ছিল ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, রাডার, সামুদ্রিক সামরিক সরঞ্জাম, মাইন পেতে সক্ষমতা এবং যোগাযোগ অবকাঠামো।

ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, সিরিক, কোনারাক, বন্দর আব্বাস, জাস্ক, আসালুয়েহ, আহভাজ এবং কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলা হয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১: ৪৪ এএম
যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে: ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে: ইরান

আরব দেশগুলোকে নিজ নিজ ভূখণ্ড থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে আরব দেশগুলোকে নিজ নিজ ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনা ও ঘাঁটি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) রাজনৈতিক উপপ্রধান জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি। তা না হলে ভয়াবহ সামরিক জবাবের মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাভানি বলেন, আপনাদের দেশ থেকে আমেরিকানদের বহিষ্কার করে ঘাঁটিগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়াই ভালো।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে যেসব সামরিক ঘাঁটি বা স্থাপনা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো যেসব দেশে অবস্থিত, সেসব স্থান থেকেই ইরান পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা দেখিয়েছে।

বিশেষ করে কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের নাম উল্লেখ করে জাভানি বলেন, এসব দেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে তাদেরও এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়েছে। ইরান দাবি করেছে, তারা জর্ডান, ইরাক ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে জর্ডান জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে ছোড়া ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবিলা করেছে।

এই পরিস্থিতিতে ইরানের সর্বশেষ হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১: ৪৪ এএম
যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে: ইরান
যুক্তরাষ্ট্রকে ঘাঁটি ব্যবহারের সুযোগ দিলে পরিণতি ভোগ করতে হবে: ইরান

আরব দেশগুলোকে নিজ নিজ ভূখণ্ড থেকে মার্কিন ঘাঁটি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইআরজিসি

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে আরব দেশগুলোকে নিজ নিজ ভূখণ্ড থেকে মার্কিন সেনা ও ঘাঁটি সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) রাজনৈতিক উপপ্রধান জেনারেল ইয়াদোল্লাহ জাভানি। তা না হলে ভয়াবহ সামরিক জবাবের মুখে পড়তে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জাভানি বলেন, আপনাদের দেশ থেকে আমেরিকানদের বহিষ্কার করে ঘাঁটিগুলো নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়াই ভালো।

তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালাতে যেসব সামরিক ঘাঁটি বা স্থাপনা ব্যবহার করা হচ্ছে, সেগুলো যেসব দেশে অবস্থিত, সেসব স্থান থেকেই ইরান পাল্টা জবাব দেওয়ার সক্ষমতা দেখিয়েছে।

বিশেষ করে কুয়েত, বাহরাইন ও জর্ডানের নাম উল্লেখ করে জাভানি বলেন, এসব দেশ যদি যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়, তাহলে তাদেরও এর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি হামলা শুরু হয়েছে। ইরান দাবি করেছে, তারা জর্ডান, ইরাক ও বাহরাইনে মার্কিন সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে জর্ডান জানিয়েছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে ছোড়া ১৩টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মোকাবিলা করেছে।

এই পরিস্থিতিতে ইরানের সর্বশেষ হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়িয়েছে।

সূত্র: আল জাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ০০ এএম
ইরানের দুই তেল ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
ইরানের দুই তেল ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে সরাসরি হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে সরাসরি হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় এ হামলা চালানো হয় বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সংঘাত শুরুর পর ইরানের কোনো জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের এটাই প্রথম সরাসরি হামলা। এর আগে মার্কিন বাহিনী মূলত ইরানি তেলবাহী জাহাজের চলাচলে বাধা দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিয়েছিল।

একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার’ নীতির অনুমোদন দেওয়ার পর হামলাটি চালানো হয়। এই নীতির আওতায় ইরান কোনো জাহাজে হামলা চালালে জবাব হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানি ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারবে।

মার্কিন বাহিনী নৌ-অবরোধের উত্তর দিকে অবস্থান করা দুটি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলায় জাহাজ দুটির ইঞ্জিন রুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ট্যাংকার ও মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যাতে নতুন করে রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গড়ে তুলতে না পারে, সে লক্ষ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা এগোচ্ছে। মার্কিন সূত্রগুলোর দাবি, শুধু দুটি ট্যাংকার নয়—মঙ্গলবার রাতেই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রায় শতাধিক হামলা চালানো হয়েছে।

সূত্র: অ্যাক্সিওস

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০: ০০ এএম
ইরানের দুই তেল ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা
ইরানের দুই তেল ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে সরাসরি হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। ছবি: আনাদোলু এজেন্সি

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে সরাসরি হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে ইরানের উপকূলীয় এলাকায় এ হামলা চালানো হয় বলে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

সংঘাত শুরুর পর ইরানের কোনো জাহাজে যুক্তরাষ্ট্রের এটাই প্রথম সরাসরি হামলা। এর আগে মার্কিন বাহিনী মূলত ইরানি তেলবাহী জাহাজের চলাচলে বাধা দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নিয়েছিল।

একজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘ট্যাংকারের বদলে ট্যাংকার’ নীতির অনুমোদন দেওয়ার পর হামলাটি চালানো হয়। এই নীতির আওতায় ইরান কোনো জাহাজে হামলা চালালে জবাব হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানি ট্যাংকারকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারবে।

মার্কিন বাহিনী নৌ-অবরোধের উত্তর দিকে অবস্থান করা দুটি তেলবাহী ট্যাংকার লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। হামলায় জাহাজ দুটির ইঞ্জিন রুম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ইরানের ট্যাংকার ও মার্কিন সেনাদের ওপর হামলার জবাব হিসেবেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যাতে নতুন করে রাডার ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গড়ে তুলতে না পারে, সে লক্ষ্যেও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা এগোচ্ছে। মার্কিন সূত্রগুলোর দাবি, শুধু দুটি ট্যাংকার নয়—মঙ্গলবার রাতেই ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনা লক্ষ্য করে প্রায় শতাধিক হামলা চালানো হয়েছে।

সূত্র: অ্যাক্সিওস

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ০৬ এএম
ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ হুতিদের, মার্কিন মিত্রদের হুঁশিয়ারি
ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ হুতিদের, মার্কিন মিত্রদের হুঁশিয়ারি

ইরানের ওপর মার্কিন হামলার নিন্দা জানিয়ে তেহরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে ইয়েমেনের হুতি। ছবি: আল জাজিরা

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার নিন্দা জানিয়ে তেহরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে ইয়েমেনের হুতি-নিয়ন্ত্রিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে যেসব দেশ নিজেদের ভূখণ্ডে মার্কিন বাহিনীকে অবস্থানের সুযোগ দিচ্ছে, তাদেরকেও সতর্ক করেছে হুতিরা।

হুতি-নিয়ন্ত্রিত সানা নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ইরানের দৃঢ় সংকল্পকে দুর্বল করতে পারবে না। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ইরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ানোর জন্য দায়ী করা হয়েছে। ওয়াশিংটন ও তাদের সহযোগীদের এই পরিস্থিতির পরিণতির দায় বহন করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

মার্কিন বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোর উদ্দেশে হুতিরা আরও সতর্ক করে বলেছে, তাদের ‘পরিণতি ভোগ করতে হবে’। নিজেদের ভূখণ্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া সরকারগুলোকে এর ‘মূল্য দিতে হবে’ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯: ০৬ এএম
ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ হুতিদের, মার্কিন মিত্রদের হুঁশিয়ারি
ইরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ হুতিদের, মার্কিন মিত্রদের হুঁশিয়ারি

ইরানের ওপর মার্কিন হামলার নিন্দা জানিয়ে তেহরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে ইয়েমেনের হুতি। ছবি: আল জাজিরা

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার নিন্দা জানিয়ে তেহরানের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে ইয়েমেনের হুতি-নিয়ন্ত্রিত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে যেসব দেশ নিজেদের ভূখণ্ডে মার্কিন বাহিনীকে অবস্থানের সুযোগ দিচ্ছে, তাদেরকেও সতর্ক করেছে হুতিরা।

হুতি-নিয়ন্ত্রিত সানা নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ইরানের দৃঢ় সংকল্পকে দুর্বল করতে পারবে না। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় ইরানের পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার রয়েছে বলেও দাবি করা হয়।

বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ানোর জন্য দায়ী করা হয়েছে। ওয়াশিংটন ও তাদের সহযোগীদের এই পরিস্থিতির পরিণতির দায় বহন করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

মার্কিন বাহিনীকে আশ্রয় দেওয়া দেশগুলোর উদ্দেশে হুতিরা আরও সতর্ক করে বলেছে, তাদের ‘পরিণতি ভোগ করতে হবে’। নিজেদের ভূখণ্ডকে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া সরকারগুলোকে এর ‘মূল্য দিতে হবে’ বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮: ২৮ এএম
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ দাবি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ দাবি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালির ওপর প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করেছেন ট্রাম্প।

ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে দেশটিকে আলোচনার টেবিলে ফেরানোর চেষ্টা করছে না যুক্তরাষ্ট্র—এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন-তেহরান নতুন কোনো সমঝোতার চেষ্টা করছে—এমন খবরও তিনি নাকচ করে দিয়েছেন।

ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “হরমুজ প্রণালির ওপর প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং ইরানের অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়ার” কারণে তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী মনে করছেন।

তিনি আরও বলেন, ইরান “অনিবার্য পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে”। একই সঙ্গে ইরানের জনগণের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের জনগণ কখন জেগে উঠে লড়াই করবে?”

এর আগে মঙ্গলবারে (১ সেপ্টেম্বর) ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ব্যাপক মাত্রার যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়।

জর্ডানের আকাবা শহরের কাছে অবস্থিত মার্কিন মেরিন কোরের কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি ‘ক্যাম্প তিতিন’-এ জোরালো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮: ২৮ এএম
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ দাবি ট্রাম্পের
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ দাবি ট্রাম্পের

হরমুজ প্রণালির ওপর প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ দাবি করেছেন ট্রাম্প।

ইরানের সঙ্গে নতুন কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে দেশটিকে আলোচনার টেবিলে ফেরানোর চেষ্টা করছে না যুক্তরাষ্ট্র—এমন দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন-তেহরান নতুন কোনো সমঝোতার চেষ্টা করছে—এমন খবরও তিনি নাকচ করে দিয়েছেন।

ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, “হরমুজ প্রণালির ওপর প্রায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এবং ইরানের অর্থনীতি পুরোপুরি ভেঙে পড়ার” কারণে তিনি এখন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী মনে করছেন।

তিনি আরও বলেন, ইরান “অনিবার্য পরিণতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে”। একই সঙ্গে ইরানের জনগণের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের জনগণ কখন জেগে উঠে লড়াই করবে?”

এর আগে মঙ্গলবারে (১ সেপ্টেম্বর) ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় মার্কিন বাহিনী। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ব্যাপক মাত্রার যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়।

জর্ডানের আকাবা শহরের কাছে অবস্থিত মার্কিন মেরিন কোরের কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি ‘ক্যাম্প তিতিন’-এ জোরালো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরানের সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিতে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭: ২৬ এএম
ইরান-মার্কিন পাল্টাপাল্টি হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি
ইরান-মার্কিন পাল্টাপাল্টি হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের আশঙ্কা এবং দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা ক্ষীণ হওয়ায় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক লেনদেনে তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে।

প্রাথমিক লেনদেনে আন্তর্জাতিক বাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ৮৭ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৫২ ডলারে উঠেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ফিউচার্সের দাম ৮০ সেন্ট বা ০.৮৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১.০২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবারের লেনদেনে উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ ডলারের বেশি বেড়েছিল। ব্রেন্টের এই দরবৃদ্ধি ছিল ২৪ জুলাইয়ের পর সবচেয়ে বড়, আর ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছিল ২৩ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ হারে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন-ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কাই বর্তমানে বাজারে মূল প্রভাব ফেলছে। ফলে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তেলের দামে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭: ২৬ এএম
ইরান-মার্কিন পাল্টাপাল্টি হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি
ইরান-মার্কিন পাল্টাপাল্টি হামলার পর বিশ্ববাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে রাতভর পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের আশঙ্কা এবং দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের সম্ভাবনা ক্ষীণ হওয়ায় বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) প্রাথমিক লেনদেনে তেলের দাম প্রায় ১ শতাংশ বেড়েছে।

প্রাথমিক লেনদেনে আন্তর্জাতিক বাজারে বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম ৮৭ সেন্ট বা ০.৯২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৫.৫২ ডলারে উঠেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড ফিউচার্সের দাম ৮০ সেন্ট বা ০.৮৯ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১.০২ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবারের লেনদেনে উভয় ধরনের অপরিশোধিত তেলের দাম ৪ ডলারের বেশি বেড়েছিল। ব্রেন্টের এই দরবৃদ্ধি ছিল ২৪ জুলাইয়ের পর সবচেয়ে বড়, আর ডব্লিউটিআইয়ের দাম বেড়েছিল ২৩ জুলাইয়ের পর সর্বোচ্চ হারে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন-ইরান সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বৈশ্বিক তেল সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কাই বর্তমানে বাজারে মূল প্রভাব ফেলছে। ফলে ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে তেলের দামে আরও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫: ৫৩ এএম
ইরানের সিরিকে মার্কিন হামলায় শিশুসহ নিহত বেড়ে ৪

দক্ষিণ ইরানের উপকূলীয় শহর সিরিকের কাছে একটি আবাসিক ভবনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বোমাবর্ষণে এক শিশুসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। এ ছাড়া এই প্রাণঘাতী হামলায় ৫০ জনেরও বেশি সাধারণ মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রাদেশিক শাখার বরাত দিয়ে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রেড ক্রিসেন্ট সূত্র জানিয়েছে, সিরিক শহরের নিকটবর্তী পাহাড়ি এলাকায় একটি বিয়ে বাড়িকে লক্ষ্য করে এই বিমান হামলা চালানো হয়। হামলার পরপরই সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করে রেড ক্রিসেন্টের একাধিক দল। ধ্বংস্তূপের নিচ থেকে শিশুসহ চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় রেড ক্রিসেন্ট আরও জানিয়েছে, আহত ৫০ জনেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিতে বর্তমানে ওই এলাকায় জোর উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের মধ্যে বেসামরিক লোকালয় ও সামাজিক আয়োজনে এই ধরনের বোমাবর্ষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫: ৫৩ এএম
ইরানের সিরিকে মার্কিন হামলায় শিশুসহ নিহত বেড়ে ৪

দক্ষিণ ইরানের উপকূলীয় শহর সিরিকের কাছে একটি আবাসিক ভবনে মার্কিন সামরিক বাহিনীর বোমাবর্ষণে এক শিশুসহ নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। এ ছাড়া এই প্রাণঘাতী হামলায় ৫০ জনেরও বেশি সাধারণ মানুষ গুরুতর আহত হয়েছেন।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রাদেশিক শাখার বরাত দিয়ে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রেড ক্রিসেন্ট সূত্র জানিয়েছে, সিরিক শহরের নিকটবর্তী পাহাড়ি এলাকায় একটি বিয়ে বাড়িকে লক্ষ্য করে এই বিমান হামলা চালানো হয়। হামলার পরপরই সেখানে উদ্ধার অভিযান শুরু করে রেড ক্রিসেন্টের একাধিক দল। ধ্বংস্তূপের নিচ থেকে শিশুসহ চারজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় রেড ক্রিসেন্ট আরও জানিয়েছে, আহত ৫০ জনেরও বেশি মানুষকে উদ্ধার করে দ্রুত নিকটস্থ চিকিৎসাকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপে আরও কেউ আটকা পড়ে আছেন কি না, তা নিশ্চিতে বর্তমানে ওই এলাকায় জোর উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের মধ্যে বেসামরিক লোকালয় ও সামাজিক আয়োজনে এই ধরনের বোমাবর্ষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩: ০৬ এএম
জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

জর্ডানের আকাবা শহরের কাছে অবস্থিত মার্কিন মেরিন কোরের কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি ‘ক্যাম্প তিতিন’-এ জোরালো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, ক্যাম্প তিতিনে পরিচালিত এই আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বহু মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি ঘাঁটিটির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং আমেরিকান বাহিনীর একাধিক অ্যাটাক হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

ইরানি ভূখণ্ডে মার্কিন বাহিনীর সাম্প্রতিক আগ্রাসনের জবাবে পরিচালিত এই সামরিক প্রতিরোধ এখানেই শেষ নয় উল্লেখ করে আইআরজিসি সতর্ক করেছে, আমেরিকান যেকোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও ঘাঁটিতে তাদের এই কঠোর পাল্টা আঘাত অব্যাহত থাকবে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩: ০৬ এএম
জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

জর্ডানের আকাবা শহরের কাছে অবস্থিত মার্কিন মেরিন কোরের কৌশলগত সামরিক ঘাঁটি ‘ক্যাম্প তিতিন’-এ জোরালো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রকাশিত এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই অভিযানের তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, ক্যাম্প তিতিনে পরিচালিত এই আকস্মিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বহু মার্কিন সেনা হতাহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি ঘাঁটিটির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং আমেরিকান বাহিনীর একাধিক অ্যাটাক হেলিকপ্টার সম্পূর্ণ ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

ইরানি ভূখণ্ডে মার্কিন বাহিনীর সাম্প্রতিক আগ্রাসনের জবাবে পরিচালিত এই সামরিক প্রতিরোধ এখানেই শেষ নয় উল্লেখ করে আইআরজিসি সতর্ক করেছে, আমেরিকান যেকোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তু ও ঘাঁটিতে তাদের এই কঠোর পাল্টা আঘাত অব্যাহত থাকবে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২: ২৬ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আইআরজিসির বড় সামরিক পাল্টা আঘাত

দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক অভিযানের জবাবে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

সংস্থাটি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, ‘আক্রমণকারীদের তীব্র অনুশোচনায় ফেলার সংকল্প নিয়ে’ ইতোমধ্যে তাদের যোদ্ধারা ক্ষিপ্র পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এক বিশেষ বুলেটিনে এই সামরিক পদক্ষেপের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইআরজিসি ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘অন্ধ ও চরম হতাশাগ্রস্ত আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনী বেসামরিক লোকালয়সহ একাধিক স্পর্শকাতর স্থানে নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করেছে। তবে ওয়াশিংটনের এই হঠকারী পদক্ষেপের পর কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অবরোধ আরও জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো বহিরাগত হস্তক্ষেপকারী বাহিনীকে চূর্ণ করতে ইরানি যোদ্ধাদের মনোবল আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, পাল্টাহামলার প্রথম পদক্ষেপেই তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যারোস্পেস’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নিখুঁত আঘাতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি অত্যন্ত উন্নত ‘এমকিউ-৯’ সামরিক ড্রোন ভূপাতিত করে তারা। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে এটি তাদের মাধ্যমে ভূপাতিত হওয়া ৫০তম মার্কিন ড্রোন।

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পূর্ণমাত্রায় সক্রিয় করা এবং একের পর এক চালকবিহীন নজরদারি বিমান ধ্বংসের দাবি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতকে এক নজিরবিহীন ও ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২: ২৬ এএম
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আইআরজিসির বড় সামরিক পাল্টা আঘাত

দক্ষিণ ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত সামরিক অভিযানের জবাবে প্রতিশোধমূলক হামলা শুরু করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

সংস্থাটি স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, ‘আক্রমণকারীদের তীব্র অনুশোচনায় ফেলার সংকল্প নিয়ে’ ইতোমধ্যে তাদের যোদ্ধারা ক্ষিপ্র পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এক বিশেষ বুলেটিনে এই সামরিক পদক্ষেপের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে আইআরজিসি ওয়াশিংটনের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘অন্ধ ও চরম হতাশাগ্রস্ত আগ্রাসন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে।

বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন বাহিনী বেসামরিক লোকালয়সহ একাধিক স্পর্শকাতর স্থানে নির্বিচারে বোমাবর্ষণ করেছে। তবে ওয়াশিংটনের এই হঠকারী পদক্ষেপের পর কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে সামরিক অবরোধ আরও জোরদার করা হয়েছে এবং যেকোনো বহিরাগত হস্তক্ষেপকারী বাহিনীকে চূর্ণ করতে ইরানি যোদ্ধাদের মনোবল আরও সুদৃঢ় হয়েছে।

বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করে, পাল্টাহামলার প্রথম পদক্ষেপেই তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে নির্মিত একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যারোস্পেস’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নিখুঁত আঘাতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি অত্যন্ত উন্নত ‘এমকিউ-৯’ সামরিক ড্রোন ভূপাতিত করে তারা। আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, বর্তমান সংঘাতময় পরিস্থিতিতে এটি তাদের মাধ্যমে ভূপাতিত হওয়া ৫০তম মার্কিন ড্রোন।

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালিতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পূর্ণমাত্রায় সক্রিয় করা এবং একের পর এক চালকবিহীন নজরদারি বিমান ধ্বংসের দাবি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতকে এক নজিরবিহীন ও ভয়াবহ সামরিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ৪৭ এএম
ইরানের সিরিকে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলা, নিহত অন্তত ২

দক্ষিণ ইরানের উপকূলীয় শহর সিরিকের পাহাড়ি এলাকায় চলমান মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং এতে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনন্দ উদযাপনের সময় আকস্মিক এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্রে জানানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রিভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ মর্মান্তিক ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়।

হরমোজগান প্রদেশের বিচার ও নিরাপত্তা বিষয়ক ডেপুটি গভর্নরের বরাতে সংবাদ সংস্থাটি জানায়, হামলার পরপরই উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীরা উপদ্রুত পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছান এবং আহতদের চিকিৎসাসহ সার্বিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেন।

কৌশলগত হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন হরমোজগান প্রদেশের বিভিন্ন সামরিক ও স্পর্শকাতর স্থাপনা লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে সরাসরি কোনো বেসামরিক লোকালয় ও বিয়ের অনুষ্ঠানে এই প্রাণহানির ঘটনা দুই দেশের চলমান সামরিক উত্তেজনায় নতুন করে চরম উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ৪৭ এএম
ইরানের সিরিকে বিয়ের অনুষ্ঠানে মার্কিন হামলা, নিহত অন্তত ২

দক্ষিণ ইরানের উপকূলীয় শহর সিরিকের পাহাড়ি এলাকায় চলমান মার্কিন বিমান হামলায় অন্তত দুইজন প্রাণ হারিয়েছেন এবং এতে আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন।

একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে আনন্দ উদযাপনের সময় আকস্মিক এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর সূত্রে জানানো হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রিভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ মর্মান্তিক ঘটনার বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়।

হরমোজগান প্রদেশের বিচার ও নিরাপত্তা বিষয়ক ডেপুটি গভর্নরের বরাতে সংবাদ সংস্থাটি জানায়, হামলার পরপরই উদ্ধারকারী ও জরুরি সেবা সংস্থার কর্মীরা উপদ্রুত পাহাড়ি এলাকায় পৌঁছান এবং আহতদের চিকিৎসাসহ সার্বিক সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেন।

কৌশলগত হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন হরমোজগান প্রদেশের বিভিন্ন সামরিক ও স্পর্শকাতর স্থাপনা লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক এই অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে সরাসরি কোনো বেসামরিক লোকালয় ও বিয়ের অনুষ্ঠানে এই প্রাণহানির ঘটনা দুই দেশের চলমান সামরিক উত্তেজনায় নতুন করে চরম উদ্বেগ তৈরি করেছে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ১৬ এএম
ইরানের জিরোফ্ট বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কেরমান প্রদেশের জিরোফ্ট কাউন্টিতে অবস্থিত একটি বিমানবন্দরে সরাসরি সামরিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এক বিশেষ প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এতদিন উপকূলীয় সামরিক স্থাপনা ও দ্বীপগুলোতে আঘাত হানলেও এবার ইরানের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বিস্তৃত করছে ওয়াশিংটন। জিরোফ্ট কাউন্টির কৌশলগত বিমানবন্দরে চালানো এই বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতার পরিধি নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তবে এ হামলায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি এবং বিমানবন্দরের মূল অবকাঠামো সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। স্থানীয় প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি।

কেরমান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর ফার্স নিউজকে জানান, জিরোফ্ট বিমানবন্দরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত মূল রানওয়ের বাইরে গিয়ে পড়েছিল। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা বা রানওয়েতে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, হামলার পরপরই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে জিরোফ্ট বিমানবন্দরের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরণের অস্থিতিশীলতা ছাড়াই সেখানকার স্বাভাবিক অবস্থা বজায় আছে বলে জানান এই প্রাদেশিক কর্মকর্তা।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ১৬ এএম
ইরানের জিরোফ্ট বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কেরমান প্রদেশের জিরোফ্ট কাউন্টিতে অবস্থিত একটি বিমানবন্দরে সরাসরি সামরিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এক বিশেষ প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এতদিন উপকূলীয় সামরিক স্থাপনা ও দ্বীপগুলোতে আঘাত হানলেও এবার ইরানের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বিস্তৃত করছে ওয়াশিংটন। জিরোফ্ট কাউন্টির কৌশলগত বিমানবন্দরে চালানো এই বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতার পরিধি নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তবে এ হামলায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি এবং বিমানবন্দরের মূল অবকাঠামো সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। স্থানীয় প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি।

কেরমান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর ফার্স নিউজকে জানান, জিরোফ্ট বিমানবন্দরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত মূল রানওয়ের বাইরে গিয়ে পড়েছিল। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা বা রানওয়েতে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, হামলার পরপরই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে জিরোফ্ট বিমানবন্দরের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরণের অস্থিতিশীলতা ছাড়াই সেখানকার স্বাভাবিক অবস্থা বজায় আছে বলে জানান এই প্রাদেশিক কর্মকর্তা।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০২ এএম
দক্ষিণ ইরানের আরও এক দ্বীপে তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস এবং সংবেদনশীল কেশম দ্বীপে নতুন করে আবারও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কেশম দ্বীপ এবং মূল ভূখণ্ডের বন্দর আব্বাসের পাশাপাশি এবার কেশম দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত লাভান দ্বীপেও নতুন করে একাধিক তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আমেরিকান সামরিক বাহিনীর চলমান অভিযানের উত্তপ্ত পটভূমিতে হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন কৌশলগত দ্বীপ ও উপকূলীয় এসব এলাকায় ঠিক কী কারণে নতুন করে এই বিস্ফোরণগুলো ঘটল, তা উদ্ঘাটনে বিস্তৃত অনুসন্ধানে নেমেছে স্থানীয় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০২ এএম
দক্ষিণ ইরানের আরও এক দ্বীপে তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস এবং সংবেদনশীল কেশম দ্বীপে নতুন করে আবারও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কেশম দ্বীপ এবং মূল ভূখণ্ডের বন্দর আব্বাসের পাশাপাশি এবার কেশম দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত লাভান দ্বীপেও নতুন করে একাধিক তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আমেরিকান সামরিক বাহিনীর চলমান অভিযানের উত্তপ্ত পটভূমিতে হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন কৌশলগত দ্বীপ ও উপকূলীয় এসব এলাকায় ঠিক কী কারণে নতুন করে এই বিস্ফোরণগুলো ঘটল, তা উদ্ঘাটনে বিস্তৃত অনুসন্ধানে নেমেছে স্থানীয় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৫৪ এএম
হামলার প্রতিবাদে আমেরিকাকে নজিরবিহীন ক্ষতির মুখে ফেলার হুমকি ইরানের

ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন বাহিনীর চালানো সাম্প্রতিক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরানের সামরিক শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে এই দুর্নীতিগ্রস্ত আগ্রাসনের জন্য তীব্র অনুশোচনা করতে হবে এবং অচিরেই তারা ‘কঠিন শাস্তির’ মুখোমুখি হবে।

আইআরজিসির মুখপাত্র সরদার মহেবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই নতুন আক্রমণের জন্য তিক্ত অনুশোচনা করতে বাধ্য হবে।’

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ওয়াশিংটনকে সরাসরি সতর্ক করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন শত্রুদের বিরুদ্ধে অতি শীঘ্রই ‘চূর্ণবিচূর্ণ ও ধ্বংসাত্মক আঘাত’ হানবে ইরানি সামরিক বাহিনী।

বিবৃতিতে কঠোর ভাষায় আরও বলা হয়, ‘আমেরিকার এই সন্ত্রাসী বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে যত বেশি অপকর্ম ও উসকানি চালিয়ে যাবে, তাদের ক্ষয়ক্ষতির পাল্লা ততটাই ভারী ও অসহনীয় হয়ে উঠবে।’

একইসঙ্গে যেকোনো মূল্যে ইরানের ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক বাহিনী একচুলও আপস করবে না বলে দেশটির নীতি নির্ধারকদের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

সূত্র: ‍আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৫৪ এএম
হামলার প্রতিবাদে আমেরিকাকে নজিরবিহীন ক্ষতির মুখে ফেলার হুমকি ইরানের

ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন বাহিনীর চালানো সাম্প্রতিক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরানের সামরিক শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে এই দুর্নীতিগ্রস্ত আগ্রাসনের জন্য তীব্র অনুশোচনা করতে হবে এবং অচিরেই তারা ‘কঠিন শাস্তির’ মুখোমুখি হবে।

আইআরজিসির মুখপাত্র সরদার মহেবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই নতুন আক্রমণের জন্য তিক্ত অনুশোচনা করতে বাধ্য হবে।’

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ওয়াশিংটনকে সরাসরি সতর্ক করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন শত্রুদের বিরুদ্ধে অতি শীঘ্রই ‘চূর্ণবিচূর্ণ ও ধ্বংসাত্মক আঘাত’ হানবে ইরানি সামরিক বাহিনী।

বিবৃতিতে কঠোর ভাষায় আরও বলা হয়, ‘আমেরিকার এই সন্ত্রাসী বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে যত বেশি অপকর্ম ও উসকানি চালিয়ে যাবে, তাদের ক্ষয়ক্ষতির পাল্লা ততটাই ভারী ও অসহনীয় হয়ে উঠবে।’

একইসঙ্গে যেকোনো মূল্যে ইরানের ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক বাহিনী একচুলও আপস করবে না বলে দেশটির নীতি নির্ধারকদের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

সূত্র: ‍আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩৭ এএম
হামলার পর ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হামলার পর ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যাপক ও শক্তিশালী’ হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত এই ‘অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত’ হামলার জবাবে তেহরান যদি কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের ওপর এমন ধ্বংসাত্মক আঘাত হানা হবে যে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান’-এর অস্তিত্বই সংকটে পড়বে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই আগ্রাসী পদক্ষেপের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্রমাইন পুঁতে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছিল ইরান। তবে বর্তমানে সেখানে কোনো মাইন নেই; মার্কিন বাহিনী তা সম্পূর্ণরূপে অপসারণ কিংবা নিষ্ক্রিয় করেছে।

এছাড়া সম্প্রতি জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান আটটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল, যার সবগুলোই মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করে দেয়। মূলত ইরানের এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাবেই যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক অভিযানে নেমেছে।

ইরানের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পরাজিত রাষ্ট্র ইরান যদি আমাদের এই অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত আক্রমণের প্রতিশোধ নিতে চায়, তবে তাদের ওপর আরও দ্বিগুণ ও উচ্চমাত্রার প্রহার চালানো হবে। তবে মনে রাখতে হবে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আঘাত হবে না; সেটি এখনো অপেক্ষায় রয়েছে। আর সেই চূড়ান্ত আঘাত যখন শেষ হবে, তখন ইরানের ইসলামিক রিপাবলিকের খুব সামান্য অংশই অবশিষ্ট থাকবে।’

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩৭ এএম
হামলার পর ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হামলার পর ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যাপক ও শক্তিশালী’ হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত এই ‘অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত’ হামলার জবাবে তেহরান যদি কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের ওপর এমন ধ্বংসাত্মক আঘাত হানা হবে যে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান’-এর অস্তিত্বই সংকটে পড়বে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই আগ্রাসী পদক্ষেপের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্রমাইন পুঁতে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছিল ইরান। তবে বর্তমানে সেখানে কোনো মাইন নেই; মার্কিন বাহিনী তা সম্পূর্ণরূপে অপসারণ কিংবা নিষ্ক্রিয় করেছে।

এছাড়া সম্প্রতি জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান আটটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল, যার সবগুলোই মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করে দেয়। মূলত ইরানের এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাবেই যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক অভিযানে নেমেছে।

ইরানের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পরাজিত রাষ্ট্র ইরান যদি আমাদের এই অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত আক্রমণের প্রতিশোধ নিতে চায়, তবে তাদের ওপর আরও দ্বিগুণ ও উচ্চমাত্রার প্রহার চালানো হবে। তবে মনে রাখতে হবে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আঘাত হবে না; সেটি এখনো অপেক্ষায় রয়েছে। আর সেই চূড়ান্ত আঘাত যখন শেষ হবে, তখন ইরানের ইসলামিক রিপাবলিকের খুব সামান্য অংশই অবশিষ্ট থাকবে।’

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩১ এএম
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানে আবারও হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

গত সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হামলার পর সংঘাত প্রশমনের যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা নস্যাৎ করে দিয়ে মঙ্গলবারে (১ সেপ্টেম্বর) ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ব্যাপক মাত্রার যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নিশ্চিত করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ইরানের ইসলামিক রিভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ওপর এ হামলা শুরু হয়।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসির সাম্প্রতিক হামলা চেষ্টা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক কর্মীদের ওপর হুমকির জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি ও অন্যান্য সূত্র জানিয়েছে, কৌশলগত হরমুজ প্রণালির উত্তরাংশে অবস্থিত কেশম দ্বীপ, প্রধান বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস, চাবাহার এবং উপকূলীয় শহর জাস্ক ও সিরিকে একাধিক বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই হামলার জবাবে কোনো পাল্টা পদক্ষেপ নেয়, তবে ‘তাদের ওপর আরও দ্বিগুণ ও তীব্র আঘাত হানা হবে।’

তবে আইআরজিসির এক মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই নতুন দুঃসাহসের জন্য ‘তিক্ত অনুশোচনা করবে।’

এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সরাসরি সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। সোমবার হরমুজ প্রণালিতে ওমানের উপকূলের কাছে দুটি বিশালাকার তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কার অজ্ঞাত উৎসের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত পাওয়ার খবরের পর ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম এক দিনেই প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমেরিকান নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পাশাপাশি ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা বন্ধের বিষয়ে তৈরি থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।

তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যদি জ্বালানি বাণিজ্যে বাধা দেয়, তবে পারস্য উপসাগর থেকে অন্য কাউকেও তেল রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, ‘শত্রুরা যদি চায় আমরা তেল রপ্তানি না করি, তবে এই অঞ্চল থেকে কেউ তেল রপ্তানি করতে পারবে না।’

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটন আলোচনা করার বদলে নিজস্ব শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার ভুল নীতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সংঘাতময় এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন, চলতি ও আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরানের ওপর ব্যাংকিং, বিমান লিজসহ আইআরজিসির সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কযুক্ত বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নজিরবিহীন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন তেহরানকে ‘অর্থনৈতিকভাবে শ্বাসরোধ’ করার জন্য জিরো-টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার মাধ্যমে যে ছয় মাসব্যাপী সংঘাতের সূচনা হয়েছিল, জুনের এক সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সাময়িক বিরতিতে থাকলেও তা ব্যর্থতায় পরিণত হয়। রোববারে যুক্তরাষ্ট্রের লারাক দ্বীপে হামলা এবং তার জবাবে জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে দুই দেশের এই সংঘাত পূর্ণাঙ্গ সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিল।

সূত্র: রয়টার্স

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩১ এএম
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানে আবারও হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

গত সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হামলার পর সংঘাত প্রশমনের যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা নস্যাৎ করে দিয়ে মঙ্গলবারে (১ সেপ্টেম্বর) ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ব্যাপক মাত্রার যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নিশ্চিত করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ইরানের ইসলামিক রিভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ওপর এ হামলা শুরু হয়।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসির সাম্প্রতিক হামলা চেষ্টা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক কর্মীদের ওপর হুমকির জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি ও অন্যান্য সূত্র জানিয়েছে, কৌশলগত হরমুজ প্রণালির উত্তরাংশে অবস্থিত কেশম দ্বীপ, প্রধান বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস, চাবাহার এবং উপকূলীয় শহর জাস্ক ও সিরিকে একাধিক বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই হামলার জবাবে কোনো পাল্টা পদক্ষেপ নেয়, তবে ‘তাদের ওপর আরও দ্বিগুণ ও তীব্র আঘাত হানা হবে।’

তবে আইআরজিসির এক মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই নতুন দুঃসাহসের জন্য ‘তিক্ত অনুশোচনা করবে।’

এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সরাসরি সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। সোমবার হরমুজ প্রণালিতে ওমানের উপকূলের কাছে দুটি বিশালাকার তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কার অজ্ঞাত উৎসের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত পাওয়ার খবরের পর ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম এক দিনেই প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমেরিকান নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পাশাপাশি ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা বন্ধের বিষয়ে তৈরি থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।

তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যদি জ্বালানি বাণিজ্যে বাধা দেয়, তবে পারস্য উপসাগর থেকে অন্য কাউকেও তেল রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, ‘শত্রুরা যদি চায় আমরা তেল রপ্তানি না করি, তবে এই অঞ্চল থেকে কেউ তেল রপ্তানি করতে পারবে না।’

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটন আলোচনা করার বদলে নিজস্ব শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার ভুল নীতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সংঘাতময় এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন, চলতি ও আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরানের ওপর ব্যাংকিং, বিমান লিজসহ আইআরজিসির সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কযুক্ত বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নজিরবিহীন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন তেহরানকে ‘অর্থনৈতিকভাবে শ্বাসরোধ’ করার জন্য জিরো-টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার মাধ্যমে যে ছয় মাসব্যাপী সংঘাতের সূচনা হয়েছিল, জুনের এক সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সাময়িক বিরতিতে থাকলেও তা ব্যর্থতায় পরিণত হয়। রোববারে যুক্তরাষ্ট্রের লারাক দ্বীপে হামলা এবং তার জবাবে জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে দুই দেশের এই সংঘাত পূর্ণাঙ্গ সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিল।

সূত্র: রয়টার্স

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩১ এএম
ইরানের কয়েকটি এলাকায় দফায় দফায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে দফায় দফায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হরমুজ প্রণালি ও গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপের আশপাশের একাধিক এলাকায় এসব ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, কেশম দ্বীপের মাসান গ্রামের কাছে অন্তত পাঁচটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালির দিক থেকেও কেশম দ্বীপ অভিমুখে আরও অন্তত চারটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্দর আব্বাস যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেই হরমোজগান প্রদেশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা বা প্রাণহানির তথ্য মেলেনি।

বিস্ফোরণের মূল কারণ অনুসন্ধানে তৎপর রয়েছে স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সামরিক দিক থেকে সংবেদনশীল এই উপকূলীয় অঞ্চলে ঠিক কী কারণে এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা উদ্ঘাটনে বিস্তৃত তদন্ত শুরু হয়েছে।

এদিকে ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বালুচেস্তান প্রদেশের কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন দুই এলাকা চাবাহার ও কোনারাকে আঘাত হেনেছে অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র। এই হামলায় সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা আইআরএনএ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিস্তান ও বালুচেস্তান প্রদেশের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী বিষয়ক উপ-গভর্নর জেনারেল আলী খলিলআবাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেনারেল খলিলআবাদী জানান, কোনারাক ও বন্দরনগরী চাবাহার কাউন্টিতে সর্বমোট চারটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে আঘাত হেনেছে। উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের দিক থেকে অতি সংবেদনশীল এই দুই এলাকায় মার্কিন অভিযানের অংশ হিসেবেই এই হামলা পরিচালিত হয়।

হামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিশদ বিবরণ, ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাব্য পরিমাণ এবং আনুষঙ্গিক তথ্যাদি উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে বিস্তৃত অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তদন্ত শেষে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩১ এএম
ইরানের কয়েকটি এলাকায় দফায় দফায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে দফায় দফায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হরমুজ প্রণালি ও গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপের আশপাশের একাধিক এলাকায় এসব ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, কেশম দ্বীপের মাসান গ্রামের কাছে অন্তত পাঁচটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালির দিক থেকেও কেশম দ্বীপ অভিমুখে আরও অন্তত চারটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্দর আব্বাস যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেই হরমোজগান প্রদেশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা বা প্রাণহানির তথ্য মেলেনি।

বিস্ফোরণের মূল কারণ অনুসন্ধানে তৎপর রয়েছে স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সামরিক দিক থেকে সংবেদনশীল এই উপকূলীয় অঞ্চলে ঠিক কী কারণে এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা উদ্ঘাটনে বিস্তৃত তদন্ত শুরু হয়েছে।

এদিকে ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বালুচেস্তান প্রদেশের কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন দুই এলাকা চাবাহার ও কোনারাকে আঘাত হেনেছে অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র। এই হামলায় সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা আইআরএনএ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিস্তান ও বালুচেস্তান প্রদেশের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী বিষয়ক উপ-গভর্নর জেনারেল আলী খলিলআবাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেনারেল খলিলআবাদী জানান, কোনারাক ও বন্দরনগরী চাবাহার কাউন্টিতে সর্বমোট চারটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে আঘাত হেনেছে। উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের দিক থেকে অতি সংবেদনশীল এই দুই এলাকায় মার্কিন অভিযানের অংশ হিসেবেই এই হামলা পরিচালিত হয়।

হামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিশদ বিবরণ, ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাব্য পরিমাণ এবং আনুষঙ্গিক তথ্যাদি উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে বিস্তৃত অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তদন্ত শেষে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
ইরান যুদ্ধ: বাহরাইন, জর্ডান ও ইরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি তেহরানের