logo
সরাসরি

হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানে আবারও হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

গত সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হামলার পর সংঘাত প্রশমনের যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা নস্যাৎ করে দিয়ে মঙ্গলবারে (১ সেপ্টেম্বর) ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ব্যাপক মাত্রার যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ১৬ এএম
ইরানের জিরোফ্ট বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কেরমান প্রদেশের জিরোফ্ট কাউন্টিতে অবস্থিত একটি বিমানবন্দরে সরাসরি সামরিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এক বিশেষ প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এতদিন উপকূলীয় সামরিক স্থাপনা ও দ্বীপগুলোতে আঘাত হানলেও এবার ইরানের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বিস্তৃত করছে ওয়াশিংটন। জিরোফ্ট কাউন্টির কৌশলগত বিমানবন্দরে চালানো এই বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতার পরিধি নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তবে এ হামলায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি এবং বিমানবন্দরের মূল অবকাঠামো সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। স্থানীয় প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি।

কেরমান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর ফার্স নিউজকে জানান, জিরোফ্ট বিমানবন্দরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত মূল রানওয়ের বাইরে গিয়ে পড়েছিল। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা বা রানওয়েতে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, হামলার পরপরই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে জিরোফ্ট বিমানবন্দরের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরণের অস্থিতিশীলতা ছাড়াই সেখানকার স্বাভাবিক অবস্থা বজায় আছে বলে জানান এই প্রাদেশিক কর্মকর্তা।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ১৬ এএম
ইরানের জিরোফ্ট বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় কেরমান প্রদেশের জিরোফ্ট কাউন্টিতে অবস্থিত একটি বিমানবন্দরে সরাসরি সামরিক হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি এক বিশেষ প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, এতদিন উপকূলীয় সামরিক স্থাপনা ও দ্বীপগুলোতে আঘাত হানলেও এবার ইরানের অভ্যন্তরীণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বিস্তৃত করছে ওয়াশিংটন। জিরোফ্ট কাউন্টির কৌশলগত বিমানবন্দরে চালানো এই বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক তৎপরতার পরিধি নতুন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তবে এ হামলায় কোনো প্রাণহানি ঘটেনি এবং বিমানবন্দরের মূল অবকাঠামো সম্পূর্ণ অক্ষত রয়েছে। স্থানীয় প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির ফার্স নিউজ এজেন্সি।

কেরমান প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর ফার্স নিউজকে জানান, জিরোফ্ট বিমানবন্দরে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত মূল রানওয়ের বাইরে গিয়ে পড়েছিল। ফলে বিমানবন্দরের পরিষেবা বা রানওয়েতে কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, হামলার পরপরই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বর্তমানে জিরোফ্ট বিমানবন্দরের সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। কোনো প্রাণহানি বা বড় ধরণের অস্থিতিশীলতা ছাড়াই সেখানকার স্বাভাবিক অবস্থা বজায় আছে বলে জানান এই প্রাদেশিক কর্মকর্তা।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০২ এএম
দক্ষিণ ইরানের আরও এক দ্বীপে তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস এবং সংবেদনশীল কেশম দ্বীপে নতুন করে আবারও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কেশম দ্বীপ এবং মূল ভূখণ্ডের বন্দর আব্বাসের পাশাপাশি এবার কেশম দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত লাভান দ্বীপেও নতুন করে একাধিক তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আমেরিকান সামরিক বাহিনীর চলমান অভিযানের উত্তপ্ত পটভূমিতে হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন কৌশলগত দ্বীপ ও উপকূলীয় এসব এলাকায় ঠিক কী কারণে নতুন করে এই বিস্ফোরণগুলো ঘটল, তা উদ্ঘাটনে বিস্তৃত অনুসন্ধানে নেমেছে স্থানীয় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১: ০২ এএম
দক্ষিণ ইরানের আরও এক দ্বীপে তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সামরিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস এবং সংবেদনশীল কেশম দ্বীপে নতুন করে আবারও বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, হরমুজ প্রণালিতে অবস্থিত কেশম দ্বীপ এবং মূল ভূখণ্ডের বন্দর আব্বাসের পাশাপাশি এবার কেশম দ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত লাভান দ্বীপেও নতুন করে একাধিক তীব্র বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আমেরিকান সামরিক বাহিনীর চলমান অভিযানের উত্তপ্ত পটভূমিতে হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন কৌশলগত দ্বীপ ও উপকূলীয় এসব এলাকায় ঠিক কী কারণে নতুন করে এই বিস্ফোরণগুলো ঘটল, তা উদ্ঘাটনে বিস্তৃত অনুসন্ধানে নেমেছে স্থানীয় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুরো অঞ্চলজুড়ে ইতোমধ্যে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৫৪ এএম
হামলার প্রতিবাদে আমেরিকাকে নজিরবিহীন ক্ষতির মুখে ফেলার হুমকি ইরানের

ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন বাহিনীর চালানো সাম্প্রতিক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরানের সামরিক শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে এই দুর্নীতিগ্রস্ত আগ্রাসনের জন্য তীব্র অনুশোচনা করতে হবে এবং অচিরেই তারা ‘কঠিন শাস্তির’ মুখোমুখি হবে।

আইআরজিসির মুখপাত্র সরদার মহেবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই নতুন আক্রমণের জন্য তিক্ত অনুশোচনা করতে বাধ্য হবে।’

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ওয়াশিংটনকে সরাসরি সতর্ক করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন শত্রুদের বিরুদ্ধে অতি শীঘ্রই ‘চূর্ণবিচূর্ণ ও ধ্বংসাত্মক আঘাত’ হানবে ইরানি সামরিক বাহিনী।

বিবৃতিতে কঠোর ভাষায় আরও বলা হয়, ‘আমেরিকার এই সন্ত্রাসী বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে যত বেশি অপকর্ম ও উসকানি চালিয়ে যাবে, তাদের ক্ষয়ক্ষতির পাল্লা ততটাই ভারী ও অসহনীয় হয়ে উঠবে।’

একইসঙ্গে যেকোনো মূল্যে ইরানের ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক বাহিনী একচুলও আপস করবে না বলে দেশটির নীতি নির্ধারকদের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

সূত্র: ‍আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৫৪ এএম
হামলার প্রতিবাদে আমেরিকাকে নজিরবিহীন ক্ষতির মুখে ফেলার হুমকি ইরানের

ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন বাহিনীর চালানো সাম্প্রতিক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জবাবে কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঙ্কার দিয়েছে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী এবং ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

ইরানের সামরিক শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে এই দুর্নীতিগ্রস্ত আগ্রাসনের জন্য তীব্র অনুশোচনা করতে হবে এবং অচিরেই তারা ‘কঠিন শাস্তির’ মুখোমুখি হবে।

আইআরজিসির মুখপাত্র সরদার মহেবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) পোস্ট করা এক সংক্ষিপ্ত বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই নতুন আক্রমণের জন্য তিক্ত অনুশোচনা করতে বাধ্য হবে।’

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-তে প্রচারিত এক যৌথ বিবৃতিতে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ এবং খাতাম আল-আনবিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তর ওয়াশিংটনকে সরাসরি সতর্ক করেছে। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, মার্কিন শত্রুদের বিরুদ্ধে অতি শীঘ্রই ‘চূর্ণবিচূর্ণ ও ধ্বংসাত্মক আঘাত’ হানবে ইরানি সামরিক বাহিনী।

বিবৃতিতে কঠোর ভাষায় আরও বলা হয়, ‘আমেরিকার এই সন্ত্রাসী বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে যত বেশি অপকর্ম ও উসকানি চালিয়ে যাবে, তাদের ক্ষয়ক্ষতির পাল্লা ততটাই ভারী ও অসহনীয় হয়ে উঠবে।’

একইসঙ্গে যেকোনো মূল্যে ইরানের ভূখণ্ড ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সামরিক বাহিনী একচুলও আপস করবে না বলে দেশটির নীতি নির্ধারকদের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে।

সূত্র: ‍আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩৭ এএম
হামলার পর ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হামলার পর ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যাপক ও শক্তিশালী’ হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত এই ‘অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত’ হামলার জবাবে তেহরান যদি কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের ওপর এমন ধ্বংসাত্মক আঘাত হানা হবে যে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান’-এর অস্তিত্বই সংকটে পড়বে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই আগ্রাসী পদক্ষেপের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্রমাইন পুঁতে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছিল ইরান। তবে বর্তমানে সেখানে কোনো মাইন নেই; মার্কিন বাহিনী তা সম্পূর্ণরূপে অপসারণ কিংবা নিষ্ক্রিয় করেছে।

এছাড়া সম্প্রতি জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান আটটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল, যার সবগুলোই মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করে দেয়। মূলত ইরানের এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাবেই যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক অভিযানে নেমেছে।

ইরানের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পরাজিত রাষ্ট্র ইরান যদি আমাদের এই অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত আক্রমণের প্রতিশোধ নিতে চায়, তবে তাদের ওপর আরও দ্বিগুণ ও উচ্চমাত্রার প্রহার চালানো হবে। তবে মনে রাখতে হবে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আঘাত হবে না; সেটি এখনো অপেক্ষায় রয়েছে। আর সেই চূড়ান্ত আঘাত যখন শেষ হবে, তখন ইরানের ইসলামিক রিপাবলিকের খুব সামান্য অংশই অবশিষ্ট থাকবে।’

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩৭ এএম
হামলার পর ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের
হামলার পর ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: রয়টার্স

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ব্যাপক ও শক্তিশালী’ হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত এই ‘অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত’ হামলার জবাবে তেহরান যদি কোনো ধরনের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ নেয়, তবে তাদের ওপর এমন ধ্বংসাত্মক আঘাত হানা হবে যে ‘ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরান’-এর অস্তিত্বই সংকটে পড়বে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিশেষ বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই আগ্রাসী পদক্ষেপের স্বপক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।

তিনি দাবি করেন, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালিতে সমুদ্রমাইন পুঁতে রাখার ব্যর্থ চেষ্টা চালিয়েছিল ইরান। তবে বর্তমানে সেখানে কোনো মাইন নেই; মার্কিন বাহিনী তা সম্পূর্ণরূপে অপসারণ কিংবা নিষ্ক্রিয় করেছে।

এছাড়া সম্প্রতি জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ইরান আটটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল, যার সবগুলোই মার্কিন প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সফলভাবে ধ্বংস করে দেয়। মূলত ইরানের এসব উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাবেই যুক্তরাষ্ট্র এই সামরিক অভিযানে নেমেছে।

ইরানের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘পরাজিত রাষ্ট্র ইরান যদি আমাদের এই অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত আক্রমণের প্রতিশোধ নিতে চায়, তবে তাদের ওপর আরও দ্বিগুণ ও উচ্চমাত্রার প্রহার চালানো হবে। তবে মনে রাখতে হবে, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় আঘাত হবে না; সেটি এখনো অপেক্ষায় রয়েছে। আর সেই চূড়ান্ত আঘাত যখন শেষ হবে, তখন ইরানের ইসলামিক রিপাবলিকের খুব সামান্য অংশই অবশিষ্ট থাকবে।’

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩১ এএম
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানে আবারও হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

গত সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হামলার পর সংঘাত প্রশমনের যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা নস্যাৎ করে দিয়ে মঙ্গলবারে (১ সেপ্টেম্বর) ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ব্যাপক মাত্রার যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নিশ্চিত করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ইরানের ইসলামিক রিভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ওপর এ হামলা শুরু হয়।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসির সাম্প্রতিক হামলা চেষ্টা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক কর্মীদের ওপর হুমকির জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি ও অন্যান্য সূত্র জানিয়েছে, কৌশলগত হরমুজ প্রণালির উত্তরাংশে অবস্থিত কেশম দ্বীপ, প্রধান বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস, চাবাহার এবং উপকূলীয় শহর জাস্ক ও সিরিকে একাধিক বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই হামলার জবাবে কোনো পাল্টা পদক্ষেপ নেয়, তবে ‘তাদের ওপর আরও দ্বিগুণ ও তীব্র আঘাত হানা হবে।’

তবে আইআরজিসির এক মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই নতুন দুঃসাহসের জন্য ‘তিক্ত অনুশোচনা করবে।’

এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সরাসরি সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। সোমবার হরমুজ প্রণালিতে ওমানের উপকূলের কাছে দুটি বিশালাকার তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কার অজ্ঞাত উৎসের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত পাওয়ার খবরের পর ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম এক দিনেই প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমেরিকান নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পাশাপাশি ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা বন্ধের বিষয়ে তৈরি থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।

তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যদি জ্বালানি বাণিজ্যে বাধা দেয়, তবে পারস্য উপসাগর থেকে অন্য কাউকেও তেল রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, ‘শত্রুরা যদি চায় আমরা তেল রপ্তানি না করি, তবে এই অঞ্চল থেকে কেউ তেল রপ্তানি করতে পারবে না।’

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটন আলোচনা করার বদলে নিজস্ব শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার ভুল নীতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সংঘাতময় এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন, চলতি ও আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরানের ওপর ব্যাংকিং, বিমান লিজসহ আইআরজিসির সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কযুক্ত বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নজিরবিহীন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন তেহরানকে ‘অর্থনৈতিকভাবে শ্বাসরোধ’ করার জন্য জিরো-টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার মাধ্যমে যে ছয় মাসব্যাপী সংঘাতের সূচনা হয়েছিল, জুনের এক সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সাময়িক বিরতিতে থাকলেও তা ব্যর্থতায় পরিণত হয়। রোববারে যুক্তরাষ্ট্রের লারাক দ্বীপে হামলা এবং তার জবাবে জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে দুই দেশের এই সংঘাত পূর্ণাঙ্গ সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিল।

সূত্র: রয়টার্স

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩১ এএম
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানে আবারও হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের

গত সপ্তাহের পাল্টাপাল্টি হামলার পর সংঘাত প্রশমনের যে আশা তৈরি হয়েছিল, তা নস্যাৎ করে দিয়ে মঙ্গলবারে (১ সেপ্টেম্বর) ইরানের একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে নতুন করে দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে এক নতুন ও ব্যাপক মাত্রার যুদ্ধ বিস্তারের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় নিশ্চিত করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় ইরানের ইসলামিক রিভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) ওপর এ হামলা শুরু হয়।

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে আইআরজিসির সাম্প্রতিক হামলা চেষ্টা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা মার্কিন সামরিক কর্মীদের ওপর হুমকির জবাবে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি ও অন্যান্য সূত্র জানিয়েছে, কৌশলগত হরমুজ প্রণালির উত্তরাংশে অবস্থিত কেশম দ্বীপ, প্রধান বন্দর নগরী বন্দর আব্বাস, চাবাহার এবং উপকূলীয় শহর জাস্ক ও সিরিকে একাধিক বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়ায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই হামলার জবাবে কোনো পাল্টা পদক্ষেপ নেয়, তবে ‘তাদের ওপর আরও দ্বিগুণ ও তীব্র আঘাত হানা হবে।’

তবে আইআরজিসির এক মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের এই নতুন দুঃসাহসের জন্য ‘তিক্ত অনুশোচনা করবে।’

এদিকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের এই সরাসরি সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম লাফিয়ে বেড়েছে। সোমবার হরমুজ প্রণালিতে ওমানের উপকূলের কাছে দুটি বিশালাকার তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কার অজ্ঞাত উৎসের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত পাওয়ার খবরের পর ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্সের দাম এক দিনেই প্রায় ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।

পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হওয়ায় কাতারে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত আমেরিকান নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার পাশাপাশি ফ্লাইট বাতিল ও আকাশসীমা বন্ধের বিষয়ে তৈরি থাকতে নির্দেশ দিয়েছে।

তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা যদি জ্বালানি বাণিজ্যে বাধা দেয়, তবে পারস্য উপসাগর থেকে অন্য কাউকেও তেল রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ বলেন, ‘শত্রুরা যদি চায় আমরা তেল রপ্তানি না করি, তবে এই অঞ্চল থেকে কেউ তেল রপ্তানি করতে পারবে না।’

দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ওয়াশিংটন আলোচনা করার বদলে নিজস্ব শর্ত চাপিয়ে দেওয়ার ভুল নীতিতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে।

সংঘাতময় এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ঘোষণা দিয়েছেন, চলতি ও আগামী সপ্তাহের মধ্যে ইরানের ওপর ব্যাংকিং, বিমান লিজসহ আইআরজিসির সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কযুক্ত বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নজিরবিহীন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসন তেহরানকে ‘অর্থনৈতিকভাবে শ্বাসরোধ’ করার জন্য জিরো-টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

উল্লেখ্য, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার মাধ্যমে যে ছয় মাসব্যাপী সংঘাতের সূচনা হয়েছিল, জুনের এক সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে সাময়িক বিরতিতে থাকলেও তা ব্যর্থতায় পরিণত হয়। রোববারে যুক্তরাষ্ট্রের লারাক দ্বীপে হামলা এবং তার জবাবে জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে দুই দেশের এই সংঘাত পূর্ণাঙ্গ সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিল।

সূত্র: রয়টার্স

asia-post
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩১ এএম
ইরানের কয়েকটি এলাকায় দফায় দফায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে দফায় দফায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হরমুজ প্রণালি ও গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপের আশপাশের একাধিক এলাকায় এসব ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, কেশম দ্বীপের মাসান গ্রামের কাছে অন্তত পাঁচটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালির দিক থেকেও কেশম দ্বীপ অভিমুখে আরও অন্তত চারটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্দর আব্বাস যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেই হরমোজগান প্রদেশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা বা প্রাণহানির তথ্য মেলেনি।

বিস্ফোরণের মূল কারণ অনুসন্ধানে তৎপর রয়েছে স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সামরিক দিক থেকে সংবেদনশীল এই উপকূলীয় অঞ্চলে ঠিক কী কারণে এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা উদ্ঘাটনে বিস্তৃত তদন্ত শুরু হয়েছে।

এদিকে ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বালুচেস্তান প্রদেশের কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন দুই এলাকা চাবাহার ও কোনারাকে আঘাত হেনেছে অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র। এই হামলায় সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা আইআরএনএ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিস্তান ও বালুচেস্তান প্রদেশের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী বিষয়ক উপ-গভর্নর জেনারেল আলী খলিলআবাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেনারেল খলিলআবাদী জানান, কোনারাক ও বন্দরনগরী চাবাহার কাউন্টিতে সর্বমোট চারটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে আঘাত হেনেছে। উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের দিক থেকে অতি সংবেদনশীল এই দুই এলাকায় মার্কিন অভিযানের অংশ হিসেবেই এই হামলা পরিচালিত হয়।

হামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিশদ বিবরণ, ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাব্য পরিমাণ এবং আনুষঙ্গিক তথ্যাদি উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে বিস্তৃত অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তদন্ত শেষে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

Asia Post
সরাসরি আপডেট
০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২: ৩১ এএম
ইরানের কয়েকটি এলাকায় দফায় দফায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের পূর্বাঞ্চলে দফায় দফায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

হরমুজ প্রণালি ও গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপের আশপাশের একাধিক এলাকায় এসব ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়, কেশম দ্বীপের মাসান গ্রামের কাছে অন্তত পাঁচটি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালির দিক থেকেও কেশম দ্বীপ অভিমুখে আরও অন্তত চারটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। বন্দর আব্বাস যে অঞ্চলে অবস্থিত, সেই হরমোজগান প্রদেশের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, এখন পর্যন্ত অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা বা প্রাণহানির তথ্য মেলেনি।

বিস্ফোরণের মূল কারণ অনুসন্ধানে তৎপর রয়েছে স্থানীয় পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। সামরিক দিক থেকে সংবেদনশীল এই উপকূলীয় অঞ্চলে ঠিক কী কারণে এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে, তা উদ্ঘাটনে বিস্তৃত তদন্ত শুরু হয়েছে।

এদিকে ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় সিস্তান ও বালুচেস্তান প্রদেশের কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন দুই এলাকা চাবাহার ও কোনারাকে আঘাত হেনেছে অন্তত চারটি ক্ষেপণাস্ত্র। এই হামলায় সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীকে দায়ী করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে স্থানীয় প্রাদেশিক কর্তৃপক্ষ।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা আইআরএনএ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিস্তান ও বালুচেস্তান প্রদেশের নিরাপত্তা ও আইন প্রয়োগকারী বিষয়ক উপ-গভর্নর জেনারেল আলী খলিলআবাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেনারেল খলিলআবাদী জানান, কোনারাক ও বন্দরনগরী চাবাহার কাউন্টিতে সর্বমোট চারটি ক্ষেপণাস্ত্র এসে আঘাত হেনেছে। উপকূলীয় এবং সামুদ্রিক বাণিজ্যের দিক থেকে অতি সংবেদনশীল এই দুই এলাকায় মার্কিন অভিযানের অংশ হিসেবেই এই হামলা পরিচালিত হয়।

হামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার সুনির্দিষ্ট বিশদ বিবরণ, ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাব্য পরিমাণ এবং আনুষঙ্গিক তথ্যাদি উদ্ঘাটনে ইতোমধ্যে বিশেষজ্ঞ দল পাঠিয়ে বিস্তৃত অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।’

পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে তদন্ত শেষে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সূত্র: আলজাজিরা

asia-post
হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানে আবারও হামলা শুরু যুক্তরাষ্ট্রের