লিথুয়ানিয়া-এস্তোনিয়ায় মার্কিন সেনা মোতায়েনের ঘোষণা

বাল্টিক দেশ লিথুয়ানিয়া এবং এস্তোনিয়ায় আবারও সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র। গত গ্রীষ্মে রাশিয়া ও বেলারুশের সাথে সীমান্তবর্তী দেশসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে সৈন্য প্রত্যাহার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) লিথুয়ানিয়ার স্থানীয় সময় সকালে এক্স বার্তায় দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে মার্কিন সেনা পুনঃমোতায়েনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। ওই বার্তায় লিথুয়ানিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায় , “লিথুয়ানিয়াতে আব্রাহাম ট্যাংকের একটি ভারি ব্যাটালিয়ান এবং এক ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়ান সেনা মোতায়েন করবে যুক্তরাষ্ট্র”।
যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়ে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে, “যুক্তরাষ্ট্রের জোরালো উপস্থিতি প্রতিরোধ ক্ষমতা, লিথুয়ানিয়ার প্রতিরক্ষা এবং ন্যাটো’র পূর্বাঞ্চলকে শক্তিশালি করে”। যদিও সেনা মোতায়েন কবে নাগাদ শুরু হবে, সে বিষয়ে এখনও কোন তথ্য দেয়নি মন্ত্রণালয়।
এর আগে পৃথক এক এক্স বার্তায় লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্ট গিতানাস নোসেডা জানিয়েছিলেন, লিথুয়ানিয়ায় মার্কিন সেনা মোতায়েনের নিশ্চিয়তা তিনি পেয়েছেন। এজন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন তিনি।
লিথুয়ানিয়ার পাশাপাশি এস্তোনিয়াতেও মার্কিন সেনা মোতায়েনের কথা জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রী মার্গাস সাখনা। এক এক্স বার্তায় তিনি বলেন, “এস্তোনিয়ায় যুক্তরাষ্ট্র তার সামরিক উপস্থিতি অব্যাহত রাখছে। এটি মিত্রশক্তির ঐক্যের একটি জোরালো বার্তা এবং ন্যাটোর পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে প্রতিরোধ ও সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এস্তোনিয়া তার দায়িত্ব পালন করছে; এ বছর দেশটি তার জিডিপির ৫ শতাংশেরও বেশি প্রতিরক্ষা খাতে বিনিয়োগ করছে এবং নিজেদের জাতীয় সক্ষমতা জোরদার করছে। একটি শক্তিশালী ইউরোপ এবং ইউরোপের নিরাপত্তার প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত প্রতিশ্রুতি একে অপরকে সুদৃঢ় করে”।
প্রসঙ্গত, রাশিয়া এবং রুশ সীমান্তবর্তী হিসেবে বাল্টিক দেশগুলো রাশিয়ার সম্ভাব্য আক্রমণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে বাল্টিক অঞ্চলে মার্কিন সেনার উপস্থিতি দেশগুলোর জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
