logo

কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে উত্তেজনা, ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা সন্ন্যাসীদের

কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে উত্তেজনা, ব্যারিকেড ভেঙে প্রবেশের চেষ্টা সন্ন্যাসীদের
চিন্ময় প্রভূর মুক্তির দাবিতে হিন্দু সন্যাসীদের সঙ্গে কলকাতা পুলিশের ধস্তাধস্তি। ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার ঘটনায় ইসকন নেতা চিন্ময় প্রভূর মুক্তির দাবিতে ঘেরাও কর্মসূচি থেকে কলকাতার বাংলাদেশ মিশনে প্রবেশের চেষ্টা চালিয়েছে একদল হিন্দু সন্যাসী ও একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা। তবে, পুলিশি বাধায় সেই চেষ্টা পণ্ড হয়ে যায়।

বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবিতে শনিবার আয়োজিত এ ঘেরাও কর্মসূচিতে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগ দেয় রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি অফ ইন্ডিয়া –এনসিপিআই।

কলকাতার বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের কর্মসূচি নেয় বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠান। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি অফ ইন্ডিয়া (এনসিপিআই)। এদিন শিয়ালদহ রেল স্টেশন থেকে মিছিল শুরু করে দুই সংগঠন। মিছিলে বিবেকানন্দ মিশন সেবা প্রতিষ্ঠানের শতাধিক সন্ন্যাসী ও সন্ন্যাসিনী এবং এনসিপিআইয়ের প্রায় ৬০ জন সমর্থক ছিলেন। মিছিল বাংলাদেশ মিশনের দিকে এগোতেই আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল পুলিশ।

বাংলাদেশ থেকে ইলিশ না পেয়ে হতাশ কলকাতার ব্যবসায়ীরা

মিশন থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে ব্যারিকেড দিয়ে মিছিল আটকে দেয় কলকাতা পুলিশ। এরপরই ব্যারিকেড সরিয়ে সামনে এগোনোর চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বাংলাদেশ মিশন সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের সামনে পুলিশ ও হিন্দু সন্যাসীরা। ছবি: এশিয়া পোস্ট
কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের সামনে পুলিশ ও হিন্দু সন্যাসীরা। ছবি: এশিয়া পোস্ট

বিক্ষোভকারীদের মিশনের সামনে যাওয়ার চেষ্টা রুখে দেয় পুলিশ। পরে বাংলাদেশ মিশনের অনুমতি নিয়ে পাঁচজন প্রতিনিধিকে ভিতরে গিয়ে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। সেখানে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা এবং চিন্ময় প্রভুর মুক্তির দাবি জানানো হয়।

স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর বেশ কিছুক্ষণ বিক্ষোভ দেখান আন্দোলনকারীরা। পরে তারা মিশন চত্বর ছেড়ে চলে যান।

কলকাতায় মুসলিম কলোনীতে ৪৯ দিন ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ

সম্প্রতি মমতার দলের সাংসদরা তৃনমুল থেকে বের হয়ে তৈরি করেছে এনসিপিআই নামে রাজনৈতিক দল। এখন তারা বিজেপি জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে। তাদেরই একাংশ পথে নেমেছিল। দুই প্রতিষ্ঠানের যৌথ উদ্যোগে উত্তাল হল মিশন সংলগ্ন চত্বর।

কলকাতায় ভ্রমণকারী বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ নির্দেশনা

এর আগে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশের একাধিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে একাধিকবার এ ধরণের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়েছিল কলকাতার বাংলাদেশ মিশন। বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার আসার পর পশ্চিমবঙ্গেও রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। কিন্তু মিশনের বাইরে বিক্ষোভ, জমায়েত কিংবা ঘেরাওয়ের ঘটনা যেন থামছেই না। শনিবারও তার ব্যতিক্রম হল না।