
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে প্রতিপক্ষ ইরানের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ব্যাপারে তেহরান সম্মত হলে বৈঠকটি জাতিসংঘের অধীনে অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান তিনি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে প্রস্তুত। আমার মনে হয় না, এই মুহূর্তে সুনির্দিষ্ট কোনো বৈঠক নির্ধারিত আছে। তবে আমরা অবশ্যই এ ধরনের আলোচনার জন্য উন্মুক্ত। বিশেষ করে, যদি এর মাধ্যমে কোনো ইতিবাচক ফলাফল এবং শেষ পর্যন্ত মূল লক্ষ্য অর্জনের সম্ভাবনা থাকে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আর সেই মূল লক্ষ্যটি হলো, ইরানের হাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না। কোনোভাবেই তা সম্ভব নয়।’
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক চাপ কমাতে প্রাথমিক পদক্ষেপ নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে ইরান। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইরানি কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে জাপানের সংবাদমাধ্যম কিয়োদো নিউজ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের এই প্রস্তাব ইতোমধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রস্তাবটিতে দুই দেশের মধ্যে চলমান শত্রুতার স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে নতুন করে আলোচনা শুরুর আহ্বান জানানো হয়েছে।
তবে চলতি সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে বৈঠকের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি।
ইরানি ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক চাপ কমানোর দিকে প্রাথমিক পদক্ষেপ নিলে সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একটি চুক্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কূটনৈতিক আলোচনা এগিয়ে নিতে ওয়াশিংটনকে গুরুত্ব ও প্রতিশ্রুতির প্রমাণ দিতে হবে।
