logo

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

দ্য টেলিগ্রাফ
দ্য টেলিগ্রাফ
ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড বিয়াত্রিস কিউল। ছবি: দ্য টেলিগ্রাফ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মিস সুইজারল্যান্ড ও মডেল বিয়াত্রিস কিউল। তার দাবি, ১৯৯৩ সালে নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে তাকে ধর্ষণ করেছিলেন ট্রাম্প। তবে এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জেফ্রি এপস্টেইনের অপরাধের সঙ্গে ট্রাম্পের কথিত সংশ্লিষ্টতার প্রসঙ্গে কিউলের অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ডেমোক্র্যাট কমিটির কর্মীদের কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কিউল জানান, ২৪ বছর বয়সে একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে প্লাজা হোটেলে ট্রাম্পের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। তার অভিযোগ, ভিসার ব্যবস্থা করে দেওয়া ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পরে হোটেলের ওপরের তলায় ডেকে নিয়ে তাকে জোরপূর্বক নির্যাতন ও ধর্ষণ করেন ট্রাম্প।

কিউল ২০২৪ সালে প্রথমবার অভিযোগ করার সময় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির কথা বলেছিলেন। তবে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে তিনি দাবি করেছেন, ওই ঘটনায় ধর্ষণের শিকারও হয়েছিলেন তিনি।

প্রতিবেদনে কিউল ছাড়াও আরও চার নারীর বক্তব্য স্থান পেয়েছে, যারা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তুলেছেন। প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য জেমি রাসকিনের অভিযোগ, এসব ঘটনা সংশ্লিষ্ট তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বিচার বিভাগ।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করেছে হোয়াইট হাউস। প্রেসিডেন্টের একজন মুখপাত্র এ ঘটনাকে ডেমোক্র্যাটদের ‘মরিয়া রাজনৈতিক প্রচেষ্টা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার দাবি, রিপাবলিকানদের ধারাবাহিক সাফল্য থেকে জনসাধারণের মনোযোগ সরাতেই মধ্যবর্তী নির্বাচনের এক সপ্তাহ আগে পুরোনো অভিযোগগুলো সামনে আনা হচ্ছে।

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে, এপস্টেইন-সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে ট্রাম্পকে আগেই সম্পূর্ণ আইনি দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তবে কিউলের অভিযোগ ও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অন্য নারীদের বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন করে সামনে এসেছে।