‘ভোট চুরি’র অভিযোগে ভারতে জোটবদ্ধ আন্দোলনের ডাক বিরোধীদের

ভোটাধিকার হরণ এবং নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাত আচরণ ও পশ্চিমবঙ্গসহ বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে এবার ভারতে নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়েছে বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে শিগগিরই বড় ভারতজুড়ে আন্দোলনের তীব্র আন্দোলনের দিকে যাচ্ছেন তারা।
বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে আয়োজিত একটি হাই-প্রোফাইল বৈঠকে সর্বমোট ২৩টি সদস্য দলের মধ্যে ২১টি দল অংশ নেয়। বৈঠকটিতে ২০টি দলের প্রতিনিধিরা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন, এবং ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন। তবে আম আদমি পার্টি (আপ) এবং দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে)-এর প্রতিনিধিরা এই বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। ভোটাধিকার খর্ব করার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে ও কাঠামোগত নির্বাচনী সংস্কারের দাবিতে আগামী অক্টোবর ও নভেম্বর মাসজুড়ে একাধিক কর্মসূচির ঘোষণা করেছে বিরোধীরা।
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চোর আখ্যা দিয়ে অবিলম্বে তার পদত্যাগ দাবি করেন। অন্যদিকে, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুনের অভিযোগ, “মোদী ও অমিত শাহ নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের হাতের পুতুল বানিয়ে রেখেছেন। লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, যাঁরা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছেন, তাঁদের শাস্তির মুখোমুখি হতেই হবে।