logo

পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনেও কারচুপির অভিযোগ, বিজেপির প্রত্যাখান

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
পশ্চিমবঙ্গে উপনির্বাচনেও কারচুপির অভিযোগ, বিজেপির প্রত্যাখান
পশ্চিমঙ্গে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণকে ঘিরে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ, কংগ্রেস নেতা মিলন ভোটকেন্দ্রে। ছবি: এশিয়া পোস্ট কোলাজ।

বিধানসভার নির্বাচনের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনেও ভোট গ্রহণে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী নেতারা। রাজ্যের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর আসনের ভোটগ্রহণ ঘিরে বাড়তি নিরাপত্তা নেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরুর পর বিভিন্ন কেন্দ্রে বিরোধীদলের পোলিং এজেন্টদের বসতে না দেয়া, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও বুথ দখলের অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ ঘিরে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান।

পশ্চিমবঙ্গে বাবরি মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেওয়া হুমায়ুন কবীর গ্রেপ্তার

তার দলের পোলিং এজেন্টদের বসতে না দেয়া, ভোটারদের ভয় দেখিয়ে ভোটদানে বাধা প্রদান এবং অন্তত পাঁচটি বুথ দখলের অভিযোগ করেছেন তার নির্বাচনী এজেন্ট সুব্রত মহাপাত্র। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি।

পশ্চিমবঙ্গে আবারও মবের শিকার মমতার তৃণমূল নেতারা

এদিকে, নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তোলার পর কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে ঘিরে ধরেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। তাদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে বিজেপি কর্মীরা তাকে ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে থাকে।

অন্যদিকে, সকালে ভোটগ্রহণে অনিয়ম ও লুটের অভিযোগ তোলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। এ নিয়ে রেজিনগরে পুলিশের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়ালে পুলিশ তাকে এভাবেই টেনে হিচড়ে গাড়িতে তোলে।

কথিত উগ্রবাদের অজুহাতে পশ্চিমবঙ্গে ২৫২ মাদরাসা বন্ধের নির্দেশ

পুলিশের দাবি, হুমায়ুন কবির উপনির্বাচনকে ঘিরে পরিস্থিতির সঙ্গে জরুরি অবস্থার তুলনা টেনেছেন। তবে, বিজেপি প্রার্থী ও মূখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে ভোটগ্রহণ চলছে। ভোট নিয়ে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, দুটি আসনেই তারা জয়ী হবেন।

পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলের সভা ও কার্যালয়ে ব্যাপক হামলার অভিযোগ বিজেপির বিরুদ্ধে

এর আগে গত এপ্রিলে অনুষ্ঠিত বিধানসভার নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়সহ অন্য বিরোধীরা। নির্বাচনে বিতর্কিত ভূমিকার জন্য বর্তমানে ভারতজুড়ে দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলছে।