
ভারতের মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলিতে মারা গেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দাদি। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
তবে তাঁর মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতের মহারাষ্ট্রের হিঙ্গোলিতে মারা গেছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের দাদি। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
তবে তাঁর মৃত্যুর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে অংশ নিতে পৌঁছানোর পর কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সিপিআই(এম) নেতা পিনারাই বিজয়নকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে তাঁকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে তাঁর দল কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী)।
সিপিআই(এম)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পিনারাই বিজয়ন ছাড়াও দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি এবং একাধিক শীর্ষ নেতাকে আটক করা হয়েছে। আটক নেতাদের তালিকায় রয়েছেন এমভি গোবিন্দন মাস্টার, এ বিজয়রাঘবন, কে কে শৈলজা, জন ব্রিটাস, কে এন বালাগোপাল ও বৃন্দা কারাত।
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার এবং ধরপাকড়ের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল।
এদিকে, দিল্লির শিখদের পবিত্র উপাসনালয় বাংলা সাহিব গুরুদুয়ারা থেকেও ৬০ জনের বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভে যোগ দিতে এসে ওই ব্যক্তিরা রাতে গুরুদুয়ারায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে গুরুদুয়ারার সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। পরে শনিবার সকালে বিক্ষোভে যোগ দিতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় তাঁদের আটক করা হয়।
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক নেতাকে আটক এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় দিল্লিতে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ভারতের রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে অংশ নিতে পৌঁছানোর পর কেরালার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও সিপিআই(এম) নেতা পিনারাই বিজয়নকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার সকালে তাঁকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে তাঁর দল কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্কসবাদী)।
সিপিআই(এম)-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পিনারাই বিজয়ন ছাড়াও দলের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবি এবং একাধিক শীর্ষ নেতাকে আটক করা হয়েছে। আটক নেতাদের তালিকায় রয়েছেন এমভি গোবিন্দন মাস্টার, এ বিজয়রাঘবন, কে কে শৈলজা, জন ব্রিটাস, কে এন বালাগোপাল ও বৃন্দা কারাত।
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দিল্লিতে নিরাপত্তা জোরদার এবং ধরপাকড়ের মধ্যেই এই ঘটনা ঘটল।
এদিকে, দিল্লির শিখদের পবিত্র উপাসনালয় বাংলা সাহিব গুরুদুয়ারা থেকেও ৬০ জনের বেশি মানুষকে আটক করেছে পুলিশ। হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিক্ষোভে যোগ দিতে এসে ওই ব্যক্তিরা রাতে গুরুদুয়ারায় আশ্রয় নিয়েছিলেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রথমে গুরুদুয়ারার সামনে অবস্থান নেয় পুলিশ। পরে শনিবার সকালে বিক্ষোভে যোগ দিতে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় তাঁদের আটক করা হয়।
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে একের পর এক রাজনৈতিক নেতাকে আটক এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভকারীদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় দিল্লিতে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ভারতের মুম্বাইয়ে মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার মুম্বাইয়ের খার এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানাতে তিনি মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। এর আগেই তাঁকে আটক করা হয়।
পরে তুষার গান্ধীকে মুম্বাইয়ের ডি এন নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে আটকের ঘটনা ঘটছে। দলটির নেতারা আটকের মুখে পড়লেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতের মুম্বাইয়ে মহাত্মা গান্ধীর প্রপৌত্র তুষার গান্ধীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার মুম্বাইয়ের খার এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রতি সংহতি জানাতে তিনি মুম্বাইয়ের আগস্ট ক্রান্তি ময়দানের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন। এর আগেই তাঁকে আটক করা হয়।
পরে তুষার গান্ধীকে মুম্বাইয়ের ডি এন নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় বলে জানা গেছে।
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন স্থানে আটকের ঘটনা ঘটছে। দলটির নেতারা আটকের মুখে পড়লেও আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলটির দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দলটির এই তিন নেতাকে আটকের পর বিমানবন্দর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে তাঁদের আটক করা হয়। নেতাদের আটক করা হলেও আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলটির দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
দলটির এই তিন নেতাকে আটকের পর বিমানবন্দর থেকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে তাঁদের কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে তাঁদের আটক করা হয়। নেতাদের আটক করা হলেও আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে দলটি।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতে নেতাদের আটক করা হলেও দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটি জানিয়েছে, নেতৃত্বের উপস্থিতি থাকুক বা না থাকুক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন চলবে।
বিমানেই ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, “জরুরি অবস্থার সময়ও ইন্দিরা গান্ধী এমনটা করেননি। পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ। আমরা সবাই গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য প্রস্তুত।”
এদিকে, দলটির নেতা সৌরভ দাস অভিযোগ করেন, বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ একটি সাংবিধানিক আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাপক ব্যারিকেড, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ এবং জাতীয় রাজধানী অঞ্চলজুড়ে ধরপাকড় সত্ত্বেও তাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে দলটি।
এর আগে, বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে দিল্লি বিমানবন্দরে অভিজিৎ দীপকে এবং দলটির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করার কথা জানায় সিজেপি। কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতে নেতাদের আটক করা হলেও দেশজুড়ে বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটি জানিয়েছে, নেতৃত্বের উপস্থিতি থাকুক বা না থাকুক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাদের আন্দোলন চলবে।
বিমানেই ধারণ করা এক ভিডিও বার্তায় সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, “জরুরি অবস্থার সময়ও ইন্দিরা গান্ধী এমনটা করেননি। পরিস্থিতি তার চেয়েও খারাপ। আমরা সবাই গ্রেপ্তার হওয়ার জন্য প্রস্তুত।”
এদিকে, দলটির নেতা সৌরভ দাস অভিযোগ করেন, বলপ্রয়োগের মাধ্যমে কর্তৃপক্ষ একটি সাংবিধানিক আন্দোলন থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্যাপক ব্যারিকেড, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ এবং জাতীয় রাজধানী অঞ্চলজুড়ে ধরপাকড় সত্ত্বেও তাদের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে পদত্যাগের দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে দলটি।
এর আগে, বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে দিল্লি বিমানবন্দরে অভিজিৎ দীপকে এবং দলটির নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করার কথা জানায় সিজেপি। কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে যুব আন্দোলনটির ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে তাঁকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে দলটি।
টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পুলিশ কর্মকর্তারা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করে তাঁকে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
সূত্র: রয়টার্স
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকেকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে যুব আন্দোলনটির ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচির আগে তাঁকে আটক করা হয় বলে জানিয়েছে দলটি।
টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাই থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর পুলিশ কর্মকর্তারা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করে তাঁকে বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়।
সূত্র: রয়টার্স
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। ‘তেলাপোকা’দের ঠেকাতে নয়াদিল্লিকে খোদ কেন্দ্রীয় সরকারই অবরুদ্ধ করে ফেলেছে।
বিক্ষোভ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
রাজধানীতে ট্রেন, মেট্রোসহ বিভিন্ন পরিবহন চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে সতর্ক করা হচ্ছে।
আজ শনিবার রাজপথের কোথাও কেউ যাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ‘জ্ঞানেশ হটাও’ অভিযানে নামতে না পারেন, সে জন্য পুলিশ ও প্রশাসন ব্যাপকভাবে তৎপরতা শুরু করেছে।
মাছি মারতে হাতুড়ি চালানো
এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন কঠোর অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিক্ষোভ ঠেকাতে সড়ক, মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তা সচল করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, মাছি মারতে হাতুড়ি চালানো যায় না। আন্দোলন রুখতে দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা মানা যায় না। টানা ১০ ঘণ্টা রেলস্টেশনে ট্রেন আসা-যাওয়াও বন্ধ রাখা যায় না। ট্রেন চলাচল কিংবা শহরের অভ্যন্তরে যান চলাচল এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষকে অসুবিধায় পড়তে না হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দিপকেসহ নেতারা ঘোষণা দেন, ১০ অক্টোবরের ‘যন্তর মন্তর ২.০’-তে অংশ নেবেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। আন্দোলনে শরিক হতে ভারতে এসে ধ্রুব নিজেও বলেছেন, ‘এটা গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই। ১০ তারিখে কেউ দিল্লি আসতে ভুলবেন না।’
২৪ ঘণ্টা বন্ধ ইন্টারনেট
তবে যন্তর মন্তর ঘিরে চার কিলোমিটার এলাকায় শুক্রবার রাত ১০টা থেকে শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, জনপথ ও কর্তব্যপথের চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখতে মোবাইল অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।
মহাসমাবেশের অনুমতি না থাকায় আইন ভাঙলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজীব চক, নয়াদিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, প্যাটেল চক ও কাশ্মীরি গেটসহ দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার ফটক বন্ধ রাখা হবে। এ ছাড়া শনিবার ভোর ৪টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা, এ রকম দিল্লির বাইরে থেকে আসা ২৫০টির বেশি ট্রেন এবং লোকাল ট্রেনের চলাচল বাতিল করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের আটক
বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, নানা জায়গা থেকে শিক্ষার্থীদের আটক করে ভ্যানে করে কোথায় নেওয়া হচ্ছে, কেন তাঁদের আটক করা হচ্ছে, এ বিষয়ে পুলিশ কিছুই জানাচ্ছে না।
টানা বিক্ষোভের মধ্যে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থককে আটকের দাবি করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে। তবে ধরপাকড় উপেক্ষা করেই শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
অভিজিৎ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভয় দেখিয়ে ভারতীয় যুবসমাজের আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না।
এদিকে ভোট চুরির অভিযোগে আন্দোলনের চতুর্থ দিনে সংসদ ভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন অভিমুখে মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লক। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
এর আগে শুক্রবার রাতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সংসদ ভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে মিছিল করেন ইন্ডিয়া ব্লকের সংসদ সদস্য ও নেতারা। পরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিরোধী প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ১৬টি দলের ১৬ নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
সূত্র: এনডিটিভি, রয়টার্স
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে বড় ধরনের বিক্ষোভ সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। ‘তেলাপোকা’দের ঠেকাতে নয়াদিল্লিকে খোদ কেন্দ্রীয় সরকারই অবরুদ্ধ করে ফেলেছে।
বিক্ষোভ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ২০ হাজারের বেশি সদস্য মোতায়েনের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
রাজধানীতে ট্রেন, মেট্রোসহ বিভিন্ন পরিবহন চলাচলে কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারকে সতর্ক করা হচ্ছে।
আজ শনিবার রাজপথের কোথাও কেউ যাতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ‘জ্ঞানেশ হটাও’ অভিযানে নামতে না পারেন, সে জন্য পুলিশ ও প্রশাসন ব্যাপকভাবে তৎপরতা শুরু করেছে।
মাছি মারতে হাতুড়ি চালানো
এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের এমন কঠোর অবস্থান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। বিক্ষোভ ঠেকাতে সড়ক, মেট্রো ও ট্রেন চলাচল বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তা সচল করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর বেঞ্চ কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, মাছি মারতে হাতুড়ি চালানো যায় না। আন্দোলন রুখতে দিল্লি মেট্রোর ৫৭টি স্টেশন বন্ধ রাখার যৌক্তিকতা মানা যায় না। টানা ১০ ঘণ্টা রেলস্টেশনে ট্রেন আসা-যাওয়াও বন্ধ রাখা যায় না। ট্রেন চলাচল কিংবা শহরের অভ্যন্তরে যান চলাচল এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, যাতে সাধারণ মানুষকে অসুবিধায় পড়তে না হয়।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোয় ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতা অভিজিৎ দিপকেসহ নেতারা ঘোষণা দেন, ১০ অক্টোবরের ‘যন্তর মন্তর ২.০’-তে অংশ নেবেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি। আন্দোলনে শরিক হতে ভারতে এসে ধ্রুব নিজেও বলেছেন, ‘এটা গণতন্ত্র বাঁচানোর লড়াই। ১০ তারিখে কেউ দিল্লি আসতে ভুলবেন না।’
২৪ ঘণ্টা বন্ধ ইন্টারনেট
তবে যন্তর মন্তর ঘিরে চার কিলোমিটার এলাকায় শুক্রবার রাত ১০টা থেকে শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে ইন্টারনেট।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, জনপথ ও কর্তব্যপথের চার কিলোমিটার এলাকার মধ্যে শুক্রবার রাত ১০টা থেকে শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখতে মোবাইল অপারেটরগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে পুলিশ।
মহাসমাবেশের অনুমতি না থাকায় আইন ভাঙলে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দিল্লি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এরই মধ্যে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজীব চক, নয়াদিল্লি, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট, প্যাটেল চক ও কাশ্মীরি গেটসহ দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনের প্রবেশ ও বের হওয়ার ফটক বন্ধ রাখা হবে। এ ছাড়া শনিবার ভোর ৪টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে নয়াদিল্লি ও হজরত নিজামুদ্দিন স্টেশনে পৌঁছানোর কথা, এ রকম দিল্লির বাইরে থেকে আসা ২৫০টির বেশি ট্রেন এবং লোকাল ট্রেনের চলাচল বাতিল করা হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের আটক
বার্তা সংস্থা রয়টার্স লিখেছে, নানা জায়গা থেকে শিক্ষার্থীদের আটক করে ভ্যানে করে কোথায় নেওয়া হচ্ছে, কেন তাঁদের আটক করা হচ্ছে, এ বিষয়ে পুলিশ কিছুই জানাচ্ছে না।
টানা বিক্ষোভের মধ্যে দলের অসংখ্য নেতাকর্মী ও সমর্থককে আটকের দাবি করেছেন ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দীপকে। তবে ধরপাকড় উপেক্ষা করেই শনিবার দিল্লির যন্তর মন্তরে ফের বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
অভিজিৎ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভয় দেখিয়ে ভারতীয় যুবসমাজের আন্দোলন দমিয়ে রাখা যাবে না।
এদিকে ভোট চুরির অভিযোগে আন্দোলনের চতুর্থ দিনে সংসদ ভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবন অভিমুখে মিছিলের ঘোষণা দিয়েছে বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লক। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী জানিয়েছেন, ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে।
এর আগে শুক্রবার রাতে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে সংসদ ভবন থেকে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে মিছিল করেন ইন্ডিয়া ব্লকের সংসদ সদস্য ও নেতারা। পরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বিরোধী প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। নির্বাচন কমিশনের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে ১৬টি দলের ১৬ নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
সূত্র: এনডিটিভি, রয়টার্স