logo
Advertisement

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স’: আস্থা পুনর্গঠন ও আর্থিক সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার অভিযাত্রা

মোঃ খায়রুল হাসান
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ‘পেমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স’: আস্থা পুনর্গঠন ও আর্থিক সক্ষমতা ফিরে পাওয়ার অভিযাত্রা
মোঃ খায়রুল হাসান। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া

বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে পুনর্গঠন ও আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের নাম এখন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের সমন্বয়ে গঠিত এই রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকের সামনে যেমন রয়েছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার, তেমনি রয়েছে উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া নানা আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ। ব্যাংক রেজ্যুলিউশন অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর আওতায় এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক ও ইউনিয়ন ব্যাংকের সমন্বয়ে এই ব্যাংকের যাত্রা শুরু হয়েছে।

Advertisement

তাই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের দায়িত্ব শুধু একটি নতুন ব্যাংক পরিচালনা করা নয়; বরং অতীতের দুর্বলতা কাটিয়ে একটি আর্থিকভাবে সক্ষম, সুশাসিত, শরিয়াহসম্মত, প্রযুক্তিনির্ভর ও গ্রাহককেন্দ্রিক ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান হিসেবে নতুন আস্থা ও বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করা। এই বৃহৎ কর্মযজ্ঞের কেন্দ্রে রয়েছে তিনটি বিষয়— গ্রাহক আস্থা পুনর্গঠন, আর্থিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার এবং স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম নিশ্চিত করা। একটি ব্যাংকের দৃশ্যমান মূলধন, আমানত, বিনিয়োগ ও সম্পদ থাকলেও তার সবচেয়ে মূল্যবান অদৃশ্য সম্পদ হলো গ্রাহকের আস্থা। ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদারের ভাষায়, ‘গ্রাহকের আস্থাই একটি ব্যাংকের সবচেয়ে বড় সম্পদ’। আস্থা অর্জন সময়সাপেক্ষ; কিন্তু তা হারিয়ে যেতে পারে মুহূর্তেই। তাই আস্থা পুনর্গঠনের জন্য শুধু বিজ্ঞাপন বা ঘোষণা যথেষ্ট নয়। প্রয়োজন বাস্তব সেবা, স্বচ্ছ তথ্য, দ্রুত লেনদেন, দায়িত্বশীল আচরণ এবং প্রতিটি গ্রাহকের সঙ্গে সম্মানজনক সম্পর্ক।

‎এই উপলব্ধি থেকেই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান উদ্যোগগুলোতে আমানতকারীর স্বার্থ সংরক্ষণ ও স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি গ্রাহকের অভিজ্ঞতা পরিবর্তনের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আমানতকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো তাদের প্রাপ্য মুনাফা নিয়ে অনিশ্চয়তা দূর করা। আমানতকারীদের মুনাফার ওপর কোনো ‘হেয়ারকাট’ থাকবে না—এই বার্তা তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তির কারণ।

‎ব্যাংকের ব্যক্তিক আমানতকারীদের আল-ওয়াদিয়াহ চলতি হিসাব, মুদারাবা সঞ্চয়ী হিসাব এবং মুদারাবা মেয়াদি হিসাবের গ্রাহকদের জন্য নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় অর্থ উত্তোলনের সুযোগের কথা জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে মেয়াদি হিসাব বন্ধ করে এক্সিট নিতে ইচ্ছুক গ্রাহকদের প্রাথমিক জমাকৃত অর্থ উত্তোলনের সুযোগ রাখা হয়েছে; তবে সে ক্ষেত্রে মুনাফা প্রযোজ্য হবে না।

‎স্বচ্ছ ও সহজবোধ্যভাবে এসব তথ্য গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়া জরুরি। কারণ অনিশ্চয়তা যত কমবে, আস্থার পরিবেশ তত শক্তিশালী হবে। এজন্য ব্যাংক কর্তৃপক্ষ নানা ধরণের কর্মসূচি নিয়ে পর্যায়ক্রমে সামনে অগ্রসর হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এদিন থেকে ব্যক্তিক হিসাবসমূহে স্বাভাবিক লেনদেন পুনরায় শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে নগদ অর্থের রিকুইজিশন, বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নগদ অর্থের সংকুলান, নিরাপদ ক্যাশ ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য প্রস্তুতির কারণে বাস্তব অর্থপ্রদান ৭ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু করার কথা বলা হয়েছে।

‎এই পুনরারম্ভকে কেবল অপারেশনাল কার্যক্রম হিসেবে না দেখে ‘কাস্টমার ফার্স্ট: পেমেন্টে অ্যান্ড সার্ভিস এক্সিলেন্স’ উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রাহকআস্থা পুনর্গঠনের বিশেষ কর্মসূচিতে রূপ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে সারাদেশের শাখা, উপশাখা ও অন্যান্য কর্মস্থলের প্রায় ১৬ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীকে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এর ফলে ১ সেপ্টেম্বর শুধু লেনদেন পুনরারম্ভের দিন নয়; বরং একটি নতুন সেবাসংস্কৃতির সূচনাদিন হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

‎ব্যাংকের প্রকৃত পরিচয় অনেক সময় ব্যালান্সশিটে নয়, বরং একজন গ্রাহক শাখায় গিয়ে কেমন আচরণ পেলেন—তার ওপর নির্ভর করে। তাই কাস্টমার ফার্স্ট উদ্যোগে আন্তরিকতা, সম্মান, ধৈর্য, দ্রুততা ও সঠিক তথ্য প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

‎গ্রাহককে সালাম ও হাসিমুখে স্বাগত জানানো, মনোযোগ দিয়ে তার কথা শোনা, দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য দেওয়া এবং সেবায় বিলম্ব হলে তা বিনয়ের সঙ্গে ব্যাখ্যা করা—এসব ছোট ছোট আচরণই বড় আস্থার ভিত্তি তৈরি করতে পারে। সিনিয়র সিটিজেন, নারী, প্রতিবন্ধী ও বিশেষ সহায়তা প্রয়োজন এমন গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দেওয়াও মানবিক ব্যাংকিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

‎এখানে মনে রাখতে হবে, গ্রাহকসেবা কোনো একক বিভাগের দায়িত্ব নয়। একজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর আচরণের মধ্য দিয়েই গ্রাহকের কাছে পুরো ব্যাংকের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। তাই একদিনের কাস্টমার ফার্স্ট দিবস-কে প্রতিদিনের কাস্টমার ফাস্ট কালচার-এ পরিণত করাই হবে প্রকৃত সাফল্য।

‎গ্রাহক প্রতিটি শাখা ও উপশাখায় প্রবেশের মুহূর্ত থেকেই ব্যাংক সম্পর্কে তার ধারণা তৈরি হতে থাকে। তাই পরিচ্ছন্ন, আলোকিত, সুশৃঙ্খল ও গ্রাহকবান্ধব শাখা পরিবেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্যাশ কাউন্টার, সার্ভিস ডেস্ক, গ্রাহকের বসার স্থান, প্রবেশপথ, সাইনেজ, ব্র্যান্ডিং ও নোটিশ বোর্ড যথাযথভাবে প্রস্তুত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। একটি পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল শাখা গ্রাহকের কাছে প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা ও প্রস্তুতির দৃশ্যমান বার্তা দেয়।

‎আগত গ্রাহককে ফুল, চকলেট বা ছোট উপহার দিয়ে স্বাগত জানানোর উদ্যোগও এই মানবিক পরিবেশকে আরও উষ্ণ করতে পারে। এর উদ্দেশ্য উপহারের মূল্য নয়; বরং গ্রাহককে সম্মান ও কৃতজ্ঞতার অনুভূতি দেওয়া। এভাবেই লেনদেন-ভিত্তিক ব্যাংকিংকে ধীরে ধীরে সম্পর্ক-ভিত্তিক ব্যাংকিং-এর দিকে অগ্রসর হতে পারে।

‎আস্থা পুনর্গঠনের পাশাপাশি ব্যাংকের আর্থিক সক্ষমতা ফিরিয়ে আনাও অপরিহার্য। বিশেষ করে খেলাপি ও অনাদায়ী বিনিয়োগ আদায় ছাড়া টেকসই আর্থিক পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়।

‎এ লক্ষ্যেই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকে ‘কালেকশন অ্যান রিকভারি ওয়ার রুম’ গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিনিয়োগ আদায় ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বয়, পর্যবেক্ষণ ও তদারকি করা হচ্ছে। বড় বিনিয়োগগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে নিয়মিত ফলোআপ, নিবিড় পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগও রয়েছে।

ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুসারে খেলাপি বিনিয়োগ আদায় ও আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে প্রায় ১০ হাজার মামলা করা হয়েছে। এই রিকভারি কার্যক্রমের মূল দর্শন হতে পারে—নতুন আমানত সংগ্রহের পাশাপাশি বিদ্যমান সম্পদ পুনরুদ্ধার করতে হবে।

‎সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অনুমোদিত মূলধন ৪০ হাজার কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে এবং বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকার সঙ্গে আমানতকারীদের শেয়ার দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।

‎এই বড় মূলধন ব্যাংকটির জন্য শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি তৈরি করতে পারে। তবে মূলধনের আকার একাই সাফল্যের নিশ্চয়তা নয়। প্রয়োজন শক্তিশালী সুশাসন, মানসম্মত বিনিয়োগ, কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, শরিয়াহ পরিপালন এবং দক্ষ মানবসম্পদ। অর্থাৎ, মূলধন হলো সক্ষমতার ভিত্তি; সুশাসন হলো সেই সক্ষমতাকে টেকসই করার চালিকাশক্তি।

‎সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অন্যতম প্রধান পরিচয় শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকিং। তাই শরিয়াহর নীতিমালা, প্রচলিত আইন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা এবং ব্যাংকিং বিধিবিধান যথাযথভাবে পরিপালনের পাশাপাশি সততা, আমানতদারিতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতাকে সাংগঠনিক সংস্কৃতির অংশ করতে হবে। শরিয়াহ পরিপালন শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কমপ্লায়েন্স বিষয় নয়; এটি ন্যায়, দায়িত্বশীলতা এবং গ্রাহকের অধিকার রক্ষার সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।

‎একই সঙ্গে অনিয়ম, জালিয়াতি, অবহেলা, হয়রানি ও অযাচিত গ্রাহক ভোগান্তির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবে কার্যকর করতে হবে। অনিয়ম শনাক্তকরণ, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং পুনরাবৃত্তি রোধে সিস্টেম সংস্কার—এই তিনটি স্তরেই জোর দিতে হবে।

‎ব্যাংক পুনরুদ্ধারে অর্থনৈতিক পদক্ষেপের পাশাপাশি কার্যকর যোগাযোগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যের ঘাটতি গুজব ও বিভ্রান্তির জন্ম দেয়। তাই প্রয়োজন ‘নো ইনফরমেশন গ্যাপ’ নীতি—গ্রাহকের প্রয়োজনীয় তথ্য ব্যাংক নিজ উদ্যোগে সময়মতো, সহজ ভাষায় ও স্বচ্ছভাবে জানাবে।

‎একইভাবে বাস্তব সেবাকে ডিজিটাল গল্পে রূপ দেওয়া যেতে পারে—শো, ডন্ট জাস্ট টেল। শাখায় গ্রাহকসেবা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও কর্মকর্তাদের আন্তরিকতার দৃশ্য তুলে ধরে ব্যাংকের পরিবর্তন দৃশ্যমান করা সম্ভব। তবে এ ক্ষেত্রে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ও গোপনীয়তা অবশ্যই সুরক্ষিত রাখতে হবে।

‎সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুনর্গঠনকে তিনটি স্তম্ভে দেখা যায়—রিকভারি, রিফর্ম ও রিবিল্ড। রিকভারি হলো খেলাপি বিনিয়োগ আদায়, তারল্য উন্নয়ন ও আর্থিক সম্পদ পুনরুদ্ধার। রিফর্ম হলো সুশাসন, জবাবদিহিতা, শরিয়াহ পরিপালন, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও পেশাদারিত্ব প্রতিষ্ঠা। আর রিবিল্ড হলো গ্রাহক আস্থা, ইতিবাচক অভিজ্ঞতা, স্বচ্ছ যোগাযোগ ও শক্তিশালী ব্র্যান্ড ইমেজ পুনর্গঠন। এই তিনটি ধাপ পরস্পরনির্ভরশীল। রিকভারি ছাড়া রিফর্ম টেকসই হবে না, রিফর্ম ছাড়া রিকভারি দীর্ঘস্থায়ী হবে না এবং এই দুটির সাফল্যও গ্রাহকের আস্থা ছাড়া পূর্ণতা পাবে না।

‎সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পুনর্গঠন আসলে শুধু একটি ব্যাংকের পুনর্গঠন নয়; এটি একটি আস্থা পুনর্গঠনের প্রকল্প। গ্রাহকের অর্থের নিরাপত্তা, প্রাপ্য মুনাফা, দ্রুত সেবা, মানবিক আচরণ, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, খেলাপি বিনিয়োগ পুনরুদ্ধার এবং শরিয়াহভিত্তিক পেশাদার ব্যাংকিং—সবকিছুকে একই সূত্রে গাঁথতে হবে। ব্যাংকের প্রকৃত সাফল্য শুধু আমানত বা বিনিয়োগের পরিমাণ দিয়ে পরিমাপ করা যাবে না। একজন গ্রাহক কতটা নিরাপদ বোধ করেন, কতটা সম্মান পান এবং ব্যাংকের ওপর কতটা বিশ্বাস রাখতে পারেন—সেটিও হবে সাফল্যের গুরুত্বপূর্ণ মাপকাঠি।

‎তাই সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের সামনে আজকের সবচেয়ে বড় লক্ষ্য—আস্থা ফিরিয়ে আনা, আর্থিক সক্ষমতা পুনর্গঠন করা এবং এমন একটি ব্যাংকিং সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে প্রতিটি গ্রাহক অনুভব করবেন—এই ব্যাংক শুধু তার অর্থের অংশীদার নয়, তার আস্থারও আমানতদার। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ হোক শুধু স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রমে ফিরে আসার দিন নয়, বরং সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আস্থা, স্বস্তি ও পুনর্জাগরণের নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

‎লেখক: মোঃ খায়রুল হাসান, ব্যাংকার ও আর্থিক খাতের বিশ্লেষক।